০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
মাদকবিরোধী লড়াইয়ে গ্রেপ্তারই কি শেষ কথা? সাগরে ১৬ ঘণ্টা ভেসে থাকার পর বাবা ও দুই ছেলেকে জীবিত উদ্ধার ব্রিটিশ ব্যবসার নীরবতা: রাজনীতিতে কথা না বলার খেসারত দিচ্ছে ব্যবসায়ীরা মোগাদিশুতে ফিরছে স্বস্তি, তবে শান্তির আড়ালে রয়ে গেছে বড় শঙ্কা জাম্বিয়ার তামার সমৃদ্ধি, কিন্তু মানুষের ঘরে স্বস্তি কোথায়? মক্কা চুক্তি: সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোটে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২৬৫ মৃত্যু, উদ্ধার তৎপরতায় বৈষম্যের অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ইসলামের পতন, তবু শেষ হয়ে যায়নি মুসলিম ব্রাদারহুড ইউরোপকে এক করার অদৃশ্য কারিগর কারা? লেবার ও ব্যবসা: অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে সম্পর্ক মেরামতের নতুন সুযোগ

ইশকুল (পর্ব-১২)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
  • 153
আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

বললুম, ‘আচ্ছা, ফেদুকা, ফাদার গেন্নাদি ওই যে বললেন ‘পরজন্মে এর জবাবদিহি করতে হবে’ সে-ব্যাপারে কী বলিস? সেই জবাবদিহিই যদি করতে হয় তাহলে পরজন্মের পরোয়া করতে যাই কেন?’
কথাটা মাথায় ঢুকতে একটু সময় লাগল। এ-জন্মের পাপের শান্তি কী করে এড়ানো যায়, মনে হল সে-সম্বন্ধে ফেদ্‌কারও ধারণা অস্পষ্ট। তার উত্তরটাও হল কেমন এড়িয়ে-যাওয়া গোছের। 
শান্তি তো আর এখুনি হচ্ছে না। সময় হলে ভেবে-চিন্তে যা হোক কিছু বের করা যাবে।’ দেখা গেল, প্রথম শ্রেণীর ছাত্র সেই তুপিকভ-ছোকরা এক নম্বরের একটি বুদ্ধ। সে জানতই না ফ্রন্টে যেতে গেলে ঠিক কোন্ দিকে যেতে হবে। তিন দিনের দিন সে ধরা পড়ল আবুজামাস থেকে ষাট মাইলের মধ্যে, নিজনি নভগরোদ যাবার রাস্তায়।
শোনা গেল, বাড়িতে সবাই ওর যত্ন-আত্তিতে নাকি ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কত রকমের উপহার যে ও পেল সবার কাছ থেকে, তার ইয়ত্তা নেই। মাকে ও দিব্যি গেলে কথা দিল যে আর কখনও বাড়ি ছেড়ে যাবে না, আর ঐ-জন্যে গরমের সময় ও একটা এয়ার-রাইফেল উপহার পাবে, তাও জানা গেল। ইশকুলে অবিশ্যি তুপিকভ সকলের ঠাট্টার পাত্র হয়ে দাঁড়াল।
ছেলেরা ভেংচি কেটে অবিশ্বাসের সুরে বললে, ‘শহরের এখানে-সেখানে দিন তিনেক পালিয়ে থাকলে যদি সত্যিকার রাইফেল পাওয়া যায়, তাহলে তাতে কে না রাজি হবে।’ আমাদের ভূগোলের মাস্টারমশাই মালিনোভূস্কি, যাঁকে আমরা আড়ালে ডাকতুম ‘খ্যাপা’ বলে, তিনি তুপিককে একদিন কড়া ধমক দিলেন। এটা আমরা মোটেই আশা করি নি।
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী লড়াইয়ে গ্রেপ্তারই কি শেষ কথা?

ইশকুল (পর্ব-১২)

০৮:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

বললুম, ‘আচ্ছা, ফেদুকা, ফাদার গেন্নাদি ওই যে বললেন ‘পরজন্মে এর জবাবদিহি করতে হবে’ সে-ব্যাপারে কী বলিস? সেই জবাবদিহিই যদি করতে হয় তাহলে পরজন্মের পরোয়া করতে যাই কেন?’
কথাটা মাথায় ঢুকতে একটু সময় লাগল। এ-জন্মের পাপের শান্তি কী করে এড়ানো যায়, মনে হল সে-সম্বন্ধে ফেদ্‌কারও ধারণা অস্পষ্ট। তার উত্তরটাও হল কেমন এড়িয়ে-যাওয়া গোছের। 
শান্তি তো আর এখুনি হচ্ছে না। সময় হলে ভেবে-চিন্তে যা হোক কিছু বের করা যাবে।’ দেখা গেল, প্রথম শ্রেণীর ছাত্র সেই তুপিকভ-ছোকরা এক নম্বরের একটি বুদ্ধ। সে জানতই না ফ্রন্টে যেতে গেলে ঠিক কোন্ দিকে যেতে হবে। তিন দিনের দিন সে ধরা পড়ল আবুজামাস থেকে ষাট মাইলের মধ্যে, নিজনি নভগরোদ যাবার রাস্তায়।
শোনা গেল, বাড়িতে সবাই ওর যত্ন-আত্তিতে নাকি ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কত রকমের উপহার যে ও পেল সবার কাছ থেকে, তার ইয়ত্তা নেই। মাকে ও দিব্যি গেলে কথা দিল যে আর কখনও বাড়ি ছেড়ে যাবে না, আর ঐ-জন্যে গরমের সময় ও একটা এয়ার-রাইফেল উপহার পাবে, তাও জানা গেল। ইশকুলে অবিশ্যি তুপিকভ সকলের ঠাট্টার পাত্র হয়ে দাঁড়াল।
ছেলেরা ভেংচি কেটে অবিশ্বাসের সুরে বললে, ‘শহরের এখানে-সেখানে দিন তিনেক পালিয়ে থাকলে যদি সত্যিকার রাইফেল পাওয়া যায়, তাহলে তাতে কে না রাজি হবে।’ আমাদের ভূগোলের মাস্টারমশাই মালিনোভূস্কি, যাঁকে আমরা আড়ালে ডাকতুম ‘খ্যাপা’ বলে, তিনি তুপিককে একদিন কড়া ধমক দিলেন। এটা আমরা মোটেই আশা করি নি।