০৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, তবে কিছু মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার ঘোষণা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র স্বাধীনতা দিবসে নওগাঁয় ১৭৫ শিল্পীর একমঞ্চে নজির, সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাসে মুখর শহর হবিগঞ্জে তাহেরীর মাহফিল ঘিরে উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি বৈদ্যুতিক বাসে রূপান্তর, চাকরি হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন এপিএসআরটিসি কর্মীরা সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে নতুন বিতর্ক, জিয়াউর রহমান প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদের বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ ৭০ শতাংশে উন্নীত, অগ্রাধিকার পাবে শিল্প খাত বাসের তেল ফুরিয়ে থামা, রেললাইনে বসে প্রাণ গেল ৫ জনের—কালিহাতীতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ একতরফা হবে না, হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলো চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র

  • Sarakhon Report
  • ০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 117

ডিসেম্বর ২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ টাওয়ার প্রকল্প ‘আকসাই হুইতোং নিউ এনার্জি সোলার ফার্ম’ শনিবার থেকে পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রকে দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উত্তরপশ্চিম চীনের কানসু প্রদেশের আকসাই কাজাখ স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টিতে অবস্থিত। এই অত্যাধুনিক প্রকল্পটি চীনের তৈরি পেন্টাগোনাল হেলিওস্ট্যাট (বড় আয়না) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, যার প্রতিটির ওজন ১ দশমিক ২ টন এবং সূর্যালোক টাওয়ারে পাঠাতে ৪৮ বর্গমিটার অঞ্চলজুড়ে রয়েছে বড় বড় আয়না।

দুই ধরনের পদ্ধতি মিলিয়ে এ প্রকল্পটি মোট ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম। যার মধ্যে রয়েছে ১১০ মেগাওয়াট সৌর তাপীয় বিদ্যুৎ এবং ৬৪০ মেগাওয়াট সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎ। ফটোভোলটাইক পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আগস্ট মাসের মাঝামাঝি থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে খরচ কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝামেলা এড়াতে, একটি নতুন পদ্ধতি বের করা হয়েছে। এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে “ইন্টেলিজেন্ট কাপলিং”। এখানে বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে আরও দক্ষ করা হবে এবং সিস্টেমটিকে নিরীক্ষণ করা হবে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ফাং চুন বলেন, ‘দিনের বেলা সূর্যের আলো সরাসরি প্যানেলে পড়ে এবং সেখান থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। বড় বড় আয়না (হেলিওস্ট্যাট) সূর্যের আলোকে এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে। এই আলো একটা টাওয়ারের উপরে পড়ে এবং সেখানে থাকা এক ধরনের পাত্রকে খুব গরম করে দেয়। এই পাত্রে গরম পানি জমা হয়ে থাকে। রাতের বেলা এই গরম পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। এই বাষ্প দিয়ে জেনারেটর চালানো হয় যা বিদ্যুৎ তৈরি করে। এই মোডটি রাতে স্থিতিশীলভাবে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।’

সৌর ক্ষেত্রটি বছরে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিশাল সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দেশটির বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

শুভ/শান্তা

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, তবে কিছু মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলো চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র

০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

ডিসেম্বর ২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ টাওয়ার প্রকল্প ‘আকসাই হুইতোং নিউ এনার্জি সোলার ফার্ম’ শনিবার থেকে পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রকে দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উত্তরপশ্চিম চীনের কানসু প্রদেশের আকসাই কাজাখ স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টিতে অবস্থিত। এই অত্যাধুনিক প্রকল্পটি চীনের তৈরি পেন্টাগোনাল হেলিওস্ট্যাট (বড় আয়না) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, যার প্রতিটির ওজন ১ দশমিক ২ টন এবং সূর্যালোক টাওয়ারে পাঠাতে ৪৮ বর্গমিটার অঞ্চলজুড়ে রয়েছে বড় বড় আয়না।

দুই ধরনের পদ্ধতি মিলিয়ে এ প্রকল্পটি মোট ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম। যার মধ্যে রয়েছে ১১০ মেগাওয়াট সৌর তাপীয় বিদ্যুৎ এবং ৬৪০ মেগাওয়াট সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎ। ফটোভোলটাইক পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আগস্ট মাসের মাঝামাঝি থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে খরচ কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝামেলা এড়াতে, একটি নতুন পদ্ধতি বের করা হয়েছে। এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে “ইন্টেলিজেন্ট কাপলিং”। এখানে বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে আরও দক্ষ করা হবে এবং সিস্টেমটিকে নিরীক্ষণ করা হবে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ফাং চুন বলেন, ‘দিনের বেলা সূর্যের আলো সরাসরি প্যানেলে পড়ে এবং সেখান থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। বড় বড় আয়না (হেলিওস্ট্যাট) সূর্যের আলোকে এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে। এই আলো একটা টাওয়ারের উপরে পড়ে এবং সেখানে থাকা এক ধরনের পাত্রকে খুব গরম করে দেয়। এই পাত্রে গরম পানি জমা হয়ে থাকে। রাতের বেলা এই গরম পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। এই বাষ্প দিয়ে জেনারেটর চালানো হয় যা বিদ্যুৎ তৈরি করে। এই মোডটি রাতে স্থিতিশীলভাবে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।’

সৌর ক্ষেত্রটি বছরে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিশাল সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দেশটির বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

শুভ/শান্তা

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি