১০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতির  বক্তব্যে অনেক কিছুই চেপে গেছেন: জামায়াত আমির মুকুল রায়ের মৃত্যু: বাংলার কৌশলী রাজনীতিকের শেষ অধ্যায়

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১২)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 100

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া-সমাজ এবং সভ্যতার ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকাচার এবং বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করবার মত। ইনকা জনগোষ্ঠী এবং সমাজজীবনে ধর্মীয়, বিশ্বাস, লোকাচার, প্রথা-রীতির গুরুত্ব উল্লেখ করার মত। বিশেষ করে ইনকাদের গোষ্ঠী জীবনে জনজাতি ও আদিবাসীদের প্রাধান্য থাকার জন্য লোকাচার-এর স্বতন্ত্র গুরুত্ব তৈরি হয়েছিল। ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে দেবদেবী এবং বিশেষ করে দৈনন্দিন জীবনের নানা বিপদকে সামাল দেবার জন্য বিশেষ দেবতার ধারণা প্রচলিত।

সেক্ষেত্রে ইনকাদের অন্যতম প্রধান দেবতা হল বজ্রদেবতা (Thunder God)। ইনকা লোককথায় এই বজ্রদেবতার তিনটি নাম পাওয়া যায়। (ক) চুকি ইল্লা (খ) কাতু ইল্লা (গ) ইনতি ইল্লাপা। লোকাচার অনুযায়ী এই তিন দেবতাকে কম্বলের মধ্যে জড়িয়ে উৎসব চলার সময়েই বীর বীরাকোচার সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। এই তিন দেবতার মধ্যে প্রথমজন বাবা, দ্বিতীয়জন ছেলে এবং তৃতীয় বা শেষজন হল তার ভাই। এদের মঙ্গলের জন্য পুরোহিত দিয়ে কাজ করা হত।

এরপর তোকোকোয়াচি মন্দিরের মধ্যে রেখে সোনা দিয়ে মূর্তি গড়া হত এবং তা সোনার পাটাতনের উপরেই রাখা হত। ইনকাদের ধর্মীয় লোকাচারের অন্যতম হল ইতু উৎসব। এই ইতু উৎসব চলার সময় কেউ সারাদিনে কিছু খেত না। এমনকি শুদ্ধতার তাগিদে পুরুষরা তাদের স্ত্রীদের শয্যাসঙ্গী হয় না।

এই লোকাচার আমাদের দেশে হিন্দু ধর্মের কথা মনে করিয়ে দেয়। এই ইতু উৎসব কোন নির্দিষ্ট দিন, তারিখ মেনে হয় এমন নয়। বিশেষ উপলক্ষ্যে ইতু উৎসবের আয়োজন করা হয়। এছাড়া প্রাণী বলি দেবার প্রথা ইনকাদের মধ্যে চালু আছে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

জনপ্রিয় সংবাদ

আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১২)

০৬:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া-সমাজ এবং সভ্যতার ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকাচার এবং বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করবার মত। ইনকা জনগোষ্ঠী এবং সমাজজীবনে ধর্মীয়, বিশ্বাস, লোকাচার, প্রথা-রীতির গুরুত্ব উল্লেখ করার মত। বিশেষ করে ইনকাদের গোষ্ঠী জীবনে জনজাতি ও আদিবাসীদের প্রাধান্য থাকার জন্য লোকাচার-এর স্বতন্ত্র গুরুত্ব তৈরি হয়েছিল। ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে দেবদেবী এবং বিশেষ করে দৈনন্দিন জীবনের নানা বিপদকে সামাল দেবার জন্য বিশেষ দেবতার ধারণা প্রচলিত।

সেক্ষেত্রে ইনকাদের অন্যতম প্রধান দেবতা হল বজ্রদেবতা (Thunder God)। ইনকা লোককথায় এই বজ্রদেবতার তিনটি নাম পাওয়া যায়। (ক) চুকি ইল্লা (খ) কাতু ইল্লা (গ) ইনতি ইল্লাপা। লোকাচার অনুযায়ী এই তিন দেবতাকে কম্বলের মধ্যে জড়িয়ে উৎসব চলার সময়েই বীর বীরাকোচার সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। এই তিন দেবতার মধ্যে প্রথমজন বাবা, দ্বিতীয়জন ছেলে এবং তৃতীয় বা শেষজন হল তার ভাই। এদের মঙ্গলের জন্য পুরোহিত দিয়ে কাজ করা হত।

এরপর তোকোকোয়াচি মন্দিরের মধ্যে রেখে সোনা দিয়ে মূর্তি গড়া হত এবং তা সোনার পাটাতনের উপরেই রাখা হত। ইনকাদের ধর্মীয় লোকাচারের অন্যতম হল ইতু উৎসব। এই ইতু উৎসব চলার সময় কেউ সারাদিনে কিছু খেত না। এমনকি শুদ্ধতার তাগিদে পুরুষরা তাদের স্ত্রীদের শয্যাসঙ্গী হয় না।

এই লোকাচার আমাদের দেশে হিন্দু ধর্মের কথা মনে করিয়ে দেয়। এই ইতু উৎসব কোন নির্দিষ্ট দিন, তারিখ মেনে হয় এমন নয়। বিশেষ উপলক্ষ্যে ইতু উৎসবের আয়োজন করা হয়। এছাড়া প্রাণী বলি দেবার প্রথা ইনকাদের মধ্যে চালু আছে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)