০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রমজানে পাহাড়ের চূড়ায় ইফতার, প্রকৃতির কোলে নতুন আধ্যাত্মিকতার খোঁজে আমিরাতের হাইকিং দল ২৭ বছর অন্যায় কারাবাস, এবার রমজানে চিত্র বিক্রি করে বন্দিমুক্তির উদ্যোগ অস্কারের যাদু: কীভাবে তৈরি হয় হলিউডের প্রতীকী স্বর্ণপদক সুপার ফাইনালে কর্ণাটকের অভিজ্ঞতা বনাম ঝাড়খন্ডির পেস থ্রিলার শক্তি: ইতিহাসের নির্ণয় ম্যাচে রণজি ট্রফির টাকার লড়াই ভারতের প্রথম প্রতিরুদ্ধ teror নীতি ‘প্রহাার’ ঘোষণা: কেন্দ্র দৃঢ় অবস্থানে চীনা পর্যটকদের জাপান সফর লুনার নিউ ইয়োরে ৫০% কমে গেছে, থাইল্যান্ড লাভে চীনা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় জাপানি কোম্পানি, টোকিয়োর উপর চাপ বাড়ল আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয়

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫০)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • 89

প্রদীপ কুমার মজুমদার

যাই হোক এবার বিভিন্ন পুরাণগুলির মধ্যে দশাঙ্ক সংখ্যার খোঁজ পাওয়া যায় কিনা দেখা যাক। আমরা লক্ষ্য করলেই দেখতে পাব যে, বিভিন্ন পুরাণ বিশেষ করে ব্রহ্মপুরাণ, বিষ্ণুপুরাণ ও বায়ুপুরাণে দশাঙ্ক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার রয়েছে।

ব্রহ্মপুরাণে বলা হয়েছে:

স্থানাং স্থানং দশগুণমেকৈকং গণ্যতে দ্বিজাঃ।

ততোইষ্টাদশমে ভাগে পরার্ধমভিধীয়তে।। ২৩১/৪

অর্থাৎ সংক্ষেপে অর্থ হচ্ছে-স্থান হইতে স্থানান্তরে ১০ গুণ ধরিয়া এগোবার পর অষ্টাদশভাগ পরার্ধ বলে ধরা হয়। অর্থাৎ পরার্ষ কাকে বলে সেই কথাই এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষ্ণুপুরাণে বলা হয়েছে:

স্থানাং স্থানং দশগুণমেকস্মাগুণ্যতে স্থলে।
ততোহঈদশমে স্থানে পরার্ধমধীয়তে। ৬।৩।৪

অগ্নিপুরাণে বলা হয়েছে:

স্থানাং স্থানং দশগুণমেকস্মাদগুণ্যতে স্থলে।

ততোইষ্টদশমে ভাগে পরার্ধমধীয়তে।

মৎস্যপুরাণে ১১৮ অধ্যায়ে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে:

“ছে সহস্রে দ্বাপরে তু সন্ধাংশৌ তু চতুঃশতে। সহস্রমেকং বর্ষাণাং দিব্যং কলৌ প্রকীর্তিতম্। দ্বেশতে চ তথান্যে বৈ সংখ্যাতঞ্চ মনীষিভিঃ।

অর্থাৎ দেবপরিমাণের দুই হাজার বৎসরে দ্বাপর যুগ, তার সংখ্যা ঐ পরিমাণে দুই শত বৎসর এবং সন্ধ্যাংশও ঐরূপ দুই শত বৎসর। আবার দেব পরিমাণের এক হাজার বৎসরে কলিযুগ, তাহার সন্ধ্যা ঐ পরিমাণে একশত বৎসর এবং সন্ধ্যাংশও ঐরূপ একশত বৎসর।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৯)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানে পাহাড়ের চূড়ায় ইফতার, প্রকৃতির কোলে নতুন আধ্যাত্মিকতার খোঁজে আমিরাতের হাইকিং দল

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫০)

১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

যাই হোক এবার বিভিন্ন পুরাণগুলির মধ্যে দশাঙ্ক সংখ্যার খোঁজ পাওয়া যায় কিনা দেখা যাক। আমরা লক্ষ্য করলেই দেখতে পাব যে, বিভিন্ন পুরাণ বিশেষ করে ব্রহ্মপুরাণ, বিষ্ণুপুরাণ ও বায়ুপুরাণে দশাঙ্ক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার রয়েছে।

ব্রহ্মপুরাণে বলা হয়েছে:

স্থানাং স্থানং দশগুণমেকৈকং গণ্যতে দ্বিজাঃ।

ততোইষ্টাদশমে ভাগে পরার্ধমভিধীয়তে।। ২৩১/৪

অর্থাৎ সংক্ষেপে অর্থ হচ্ছে-স্থান হইতে স্থানান্তরে ১০ গুণ ধরিয়া এগোবার পর অষ্টাদশভাগ পরার্ধ বলে ধরা হয়। অর্থাৎ পরার্ষ কাকে বলে সেই কথাই এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষ্ণুপুরাণে বলা হয়েছে:

স্থানাং স্থানং দশগুণমেকস্মাগুণ্যতে স্থলে।
ততোহঈদশমে স্থানে পরার্ধমধীয়তে। ৬।৩।৪

অগ্নিপুরাণে বলা হয়েছে:

স্থানাং স্থানং দশগুণমেকস্মাদগুণ্যতে স্থলে।

ততোইষ্টদশমে ভাগে পরার্ধমধীয়তে।

মৎস্যপুরাণে ১১৮ অধ্যায়ে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে:

“ছে সহস্রে দ্বাপরে তু সন্ধাংশৌ তু চতুঃশতে। সহস্রমেকং বর্ষাণাং দিব্যং কলৌ প্রকীর্তিতম্। দ্বেশতে চ তথান্যে বৈ সংখ্যাতঞ্চ মনীষিভিঃ।

অর্থাৎ দেবপরিমাণের দুই হাজার বৎসরে দ্বাপর যুগ, তার সংখ্যা ঐ পরিমাণে দুই শত বৎসর এবং সন্ধ্যাংশও ঐরূপ দুই শত বৎসর। আবার দেব পরিমাণের এক হাজার বৎসরে কলিযুগ, তাহার সন্ধ্যা ঐ পরিমাণে একশত বৎসর এবং সন্ধ্যাংশও ঐরূপ একশত বৎসর।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৯)