০৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
শেখ মুজিবের ম্যুরালে কালি লেপনের প্রতিবাদে কাশিয়ানীতে মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচলে ভোগান্তি নতুন বৈশ্বিক জ্বালানি বাস্তবতা: যুদ্ধের মূল্য দিচ্ছে এশিয়া, বদলে যাচ্ছে অর্থনীতির মানচিত্র প্রতিযোগিতার সমাজে বিরতির খোঁজ: কেন কোরিয়ার তরুণরা আবার বৌদ্ধচিন্তার দিকে ঝুঁকছে শুধু লক্ষ্য থাকলেই হয় না, দরকার তা বাস্তবায়নের সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় হরমুজ প্রণালি খোলার আশা, তবে কঠিন আলোচনা এখনো বাকি পরিবার কার্ড কর্মসূচিতে স্বচ্ছতার নির্দেশ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে সুবিধা পৌঁছানোর তাগিদ উত্তরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৮৫ বছরের বৃদ্ধের কুষ্টিয়া সীমান্তে তিন দিন পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ চীনের সি৯১৯ উড়োজাহাজের বড় নিরাপত্তা পরীক্ষা শুরু, নজর রাখছে ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রকরা চীনে ইনফিনিয়নের গ্যালিয়াম নাইট্রাইড চিপ বিক্রি নিষিদ্ধ, দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর শেয়ারে উল্লম্ফন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • 126

প্রদীপ কুমার মজুমদার

বায়ুপুরাণে এক জায়গায় বলা হয়েছে:

একং দশ শতঞ্চৈব সহস্রঞ্চৈব সংখ্যয়া

বিজ্ঞেয়মাসহস্রং তু সহস্রাণি দশাযুতম্ ॥

একং শতসহস্রং তু নিযুতং প্রোচ্যতে বুধৈঃ।
তথা শত সহস্রাণাং দশকং কোটিরুচ্যতে।
অর্বুদং দশ কোট্যস্ত অব্দং কোটিশতং বিছঃ


সমুদ্রং মধ্যমঞ্চৈব পরাধমপরং ততঃ

এবমষ্টাদশৈতানি স্থানানি গণনাবিধৌ

শতানীতি বিজানীয়াৎ সংজিতানি মহষিভিঃ।

জৈন আগমগ্রন্থে দশাঙ্ক সংখ্যার বহুল ব্যবহার আমরা দেখতে পাই। বিশেষ করে অনুযোগদ্বার সূত্র, ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি, ত্রিলোকসার প্রভৃতি গ্রন্থে এ নিয়ে বেশ কিছু কথা বলা হয়েছে। প্রথমে ধরা যাক তিলোয় পন্নত্তির কথা (ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি)। এখানে বলা হয়েছে “সুংণন ভগয়ণপণছপএকত্তিয়স্থংণনবনহাহণংছকেত্ত” – ১৬০০৯০৩০১২৫০০০।

অন্য একটি শ্লোকে বলা হয়েছে:

অংবরপংচেঙঊনবছপণস্থংণণব য সত্তেব
অংককমে জোয়ণয়া জংবুদীবসস্ খেত্তফলং।

অর্থাৎ এখানে সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯০৫৬৯৪১৫০

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ মুজিবের ম্যুরালে কালি লেপনের প্রতিবাদে কাশিয়ানীতে মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচলে ভোগান্তি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

১০:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

বায়ুপুরাণে এক জায়গায় বলা হয়েছে:

একং দশ শতঞ্চৈব সহস্রঞ্চৈব সংখ্যয়া

বিজ্ঞেয়মাসহস্রং তু সহস্রাণি দশাযুতম্ ॥

একং শতসহস্রং তু নিযুতং প্রোচ্যতে বুধৈঃ।
তথা শত সহস্রাণাং দশকং কোটিরুচ্যতে।
অর্বুদং দশ কোট্যস্ত অব্দং কোটিশতং বিছঃ


সমুদ্রং মধ্যমঞ্চৈব পরাধমপরং ততঃ

এবমষ্টাদশৈতানি স্থানানি গণনাবিধৌ

শতানীতি বিজানীয়াৎ সংজিতানি মহষিভিঃ।

জৈন আগমগ্রন্থে দশাঙ্ক সংখ্যার বহুল ব্যবহার আমরা দেখতে পাই। বিশেষ করে অনুযোগদ্বার সূত্র, ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি, ত্রিলোকসার প্রভৃতি গ্রন্থে এ নিয়ে বেশ কিছু কথা বলা হয়েছে। প্রথমে ধরা যাক তিলোয় পন্নত্তির কথা (ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি)। এখানে বলা হয়েছে “সুংণন ভগয়ণপণছপএকত্তিয়স্থংণনবনহাহণংছকেত্ত” – ১৬০০৯০৩০১২৫০০০।

অন্য একটি শ্লোকে বলা হয়েছে:

অংবরপংচেঙঊনবছপণস্থংণণব য সত্তেব
অংককমে জোয়ণয়া জংবুদীবসস্ খেত্তফলং।

অর্থাৎ এখানে সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯০৫৬৯৪১৫০

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫০)