১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • 141

প্রদীপ কুমার মজুমদার

বায়ুপুরাণে এক জায়গায় বলা হয়েছে:

একং দশ শতঞ্চৈব সহস্রঞ্চৈব সংখ্যয়া

বিজ্ঞেয়মাসহস্রং তু সহস্রাণি দশাযুতম্ ॥

একং শতসহস্রং তু নিযুতং প্রোচ্যতে বুধৈঃ।
তথা শত সহস্রাণাং দশকং কোটিরুচ্যতে।
অর্বুদং দশ কোট্যস্ত অব্দং কোটিশতং বিছঃ


সমুদ্রং মধ্যমঞ্চৈব পরাধমপরং ততঃ

এবমষ্টাদশৈতানি স্থানানি গণনাবিধৌ

শতানীতি বিজানীয়াৎ সংজিতানি মহষিভিঃ।

জৈন আগমগ্রন্থে দশাঙ্ক সংখ্যার বহুল ব্যবহার আমরা দেখতে পাই। বিশেষ করে অনুযোগদ্বার সূত্র, ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি, ত্রিলোকসার প্রভৃতি গ্রন্থে এ নিয়ে বেশ কিছু কথা বলা হয়েছে। প্রথমে ধরা যাক তিলোয় পন্নত্তির কথা (ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি)। এখানে বলা হয়েছে “সুংণন ভগয়ণপণছপএকত্তিয়স্থংণনবনহাহণংছকেত্ত” – ১৬০০৯০৩০১২৫০০০।

অন্য একটি শ্লোকে বলা হয়েছে:

অংবরপংচেঙঊনবছপণস্থংণণব য সত্তেব
অংককমে জোয়ণয়া জংবুদীবসস্ খেত্তফলং।

অর্থাৎ এখানে সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯০৫৬৯৪১৫০

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

১০:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

বায়ুপুরাণে এক জায়গায় বলা হয়েছে:

একং দশ শতঞ্চৈব সহস্রঞ্চৈব সংখ্যয়া

বিজ্ঞেয়মাসহস্রং তু সহস্রাণি দশাযুতম্ ॥

একং শতসহস্রং তু নিযুতং প্রোচ্যতে বুধৈঃ।
তথা শত সহস্রাণাং দশকং কোটিরুচ্যতে।
অর্বুদং দশ কোট্যস্ত অব্দং কোটিশতং বিছঃ


সমুদ্রং মধ্যমঞ্চৈব পরাধমপরং ততঃ

এবমষ্টাদশৈতানি স্থানানি গণনাবিধৌ

শতানীতি বিজানীয়াৎ সংজিতানি মহষিভিঃ।

জৈন আগমগ্রন্থে দশাঙ্ক সংখ্যার বহুল ব্যবহার আমরা দেখতে পাই। বিশেষ করে অনুযোগদ্বার সূত্র, ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি, ত্রিলোকসার প্রভৃতি গ্রন্থে এ নিয়ে বেশ কিছু কথা বলা হয়েছে। প্রথমে ধরা যাক তিলোয় পন্নত্তির কথা (ত্রিলোক প্রজ্ঞপ্তি)। এখানে বলা হয়েছে “সুংণন ভগয়ণপণছপএকত্তিয়স্থংণনবনহাহণংছকেত্ত” – ১৬০০৯০৩০১২৫০০০।

অন্য একটি শ্লোকে বলা হয়েছে:

অংবরপংচেঙঊনবছপণস্থংণণব য সত্তেব
অংককমে জোয়ণয়া জংবুদীবসস্ খেত্তফলং।

অর্থাৎ এখানে সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯০৫৬৯৪১৫০

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫০)