১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • 139

প্রদীপ কুমার মজুমদার

নেমীচন্দ্র গোম্মটসারে ৩৪৫তম গাথায় যা বলেছেন তাথেকে আমরা দশাঙ্ক সংখ্যার কথাই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি। নেমীচন্দ্র লিখেছেন:

একঠ চ চ য ছত্তয়ং চ চ য সুঃ সত্ততিয়সত্তা

সুন্নঃ নব পণ পংচ য একং ছত্তেকগো য পণগং চ।

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮৪, ৪৬৭, ৪৪০, ৭৩৭, ০৯৫, ৫১৬, ১১৫.

এছাড়া আরও নানা ধরণের উদাহরণ এই সমস্ত জৈন গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।এগুলির কোনটি বামাগতি, কোনটি আবার দক্ষিণাগতিতে অংকপাত করা হয়েছে। এবার দেখা যাক বাং শালীর পাণ্ডুলিপিতে এধরণের কিছু নিদর্শন পাওয়া যায় কি না। এই পাণ্ডুলিপির ৫৬ (ক) পৃষ্ঠায় দশাংক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

এখানে বলা হয়েছে-

মূল পুলিশ সিদ্ধান্ত, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, ছন্দসূত্র, তন্ত্রশাস্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থে স্থানীয়মান সহকারে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

১০:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

নেমীচন্দ্র গোম্মটসারে ৩৪৫তম গাথায় যা বলেছেন তাথেকে আমরা দশাঙ্ক সংখ্যার কথাই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি। নেমীচন্দ্র লিখেছেন:

একঠ চ চ য ছত্তয়ং চ চ য সুঃ সত্ততিয়সত্তা

সুন্নঃ নব পণ পংচ য একং ছত্তেকগো য পণগং চ।

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮৪, ৪৬৭, ৪৪০, ৭৩৭, ০৯৫, ৫১৬, ১১৫.

এছাড়া আরও নানা ধরণের উদাহরণ এই সমস্ত জৈন গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।এগুলির কোনটি বামাগতি, কোনটি আবার দক্ষিণাগতিতে অংকপাত করা হয়েছে। এবার দেখা যাক বাং শালীর পাণ্ডুলিপিতে এধরণের কিছু নিদর্শন পাওয়া যায় কি না। এই পাণ্ডুলিপির ৫৬ (ক) পৃষ্ঠায় দশাংক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

এখানে বলা হয়েছে-

মূল পুলিশ সিদ্ধান্ত, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, ছন্দসূত্র, তন্ত্রশাস্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থে স্থানীয়মান সহকারে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)