০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রমজানে পাহাড়ের চূড়ায় ইফতার, প্রকৃতির কোলে নতুন আধ্যাত্মিকতার খোঁজে আমিরাতের হাইকিং দল ২৭ বছর অন্যায় কারাবাস, এবার রমজানে চিত্র বিক্রি করে বন্দিমুক্তির উদ্যোগ অস্কারের যাদু: কীভাবে তৈরি হয় হলিউডের প্রতীকী স্বর্ণপদক সুপার ফাইনালে কর্ণাটকের অভিজ্ঞতা বনাম ঝাড়খন্ডির পেস থ্রিলার শক্তি: ইতিহাসের নির্ণয় ম্যাচে রণজি ট্রফির টাকার লড়াই ভারতের প্রথম প্রতিরুদ্ধ teror নীতি ‘প্রহাার’ ঘোষণা: কেন্দ্র দৃঢ় অবস্থানে চীনা পর্যটকদের জাপান সফর লুনার নিউ ইয়োরে ৫০% কমে গেছে, থাইল্যান্ড লাভে চীনা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় জাপানি কোম্পানি, টোকিয়োর উপর চাপ বাড়ল আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয়

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • 99

প্রদীপ কুমার মজুমদার

নেমীচন্দ্র গোম্মটসারে ৩৪৫তম গাথায় যা বলেছেন তাথেকে আমরা দশাঙ্ক সংখ্যার কথাই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি। নেমীচন্দ্র লিখেছেন:

একঠ চ চ য ছত্তয়ং চ চ য সুঃ সত্ততিয়সত্তা

সুন্নঃ নব পণ পংচ য একং ছত্তেকগো য পণগং চ।

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮৪, ৪৬৭, ৪৪০, ৭৩৭, ০৯৫, ৫১৬, ১১৫.

এছাড়া আরও নানা ধরণের উদাহরণ এই সমস্ত জৈন গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।এগুলির কোনটি বামাগতি, কোনটি আবার দক্ষিণাগতিতে অংকপাত করা হয়েছে। এবার দেখা যাক বাং শালীর পাণ্ডুলিপিতে এধরণের কিছু নিদর্শন পাওয়া যায় কি না। এই পাণ্ডুলিপির ৫৬ (ক) পৃষ্ঠায় দশাংক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

এখানে বলা হয়েছে-

মূল পুলিশ সিদ্ধান্ত, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, ছন্দসূত্র, তন্ত্রশাস্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থে স্থানীয়মান সহকারে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানে পাহাড়ের চূড়ায় ইফতার, প্রকৃতির কোলে নতুন আধ্যাত্মিকতার খোঁজে আমিরাতের হাইকিং দল

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

১০:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

নেমীচন্দ্র গোম্মটসারে ৩৪৫তম গাথায় যা বলেছেন তাথেকে আমরা দশাঙ্ক সংখ্যার কথাই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি। নেমীচন্দ্র লিখেছেন:

একঠ চ চ য ছত্তয়ং চ চ য সুঃ সত্ততিয়সত্তা

সুন্নঃ নব পণ পংচ য একং ছত্তেকগো য পণগং চ।

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮৪, ৪৬৭, ৪৪০, ৭৩৭, ০৯৫, ৫১৬, ১১৫.

এছাড়া আরও নানা ধরণের উদাহরণ এই সমস্ত জৈন গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।এগুলির কোনটি বামাগতি, কোনটি আবার দক্ষিণাগতিতে অংকপাত করা হয়েছে। এবার দেখা যাক বাং শালীর পাণ্ডুলিপিতে এধরণের কিছু নিদর্শন পাওয়া যায় কি না। এই পাণ্ডুলিপির ৫৬ (ক) পৃষ্ঠায় দশাংক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

এখানে বলা হয়েছে-

মূল পুলিশ সিদ্ধান্ত, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, ছন্দসূত্র, তন্ত্রশাস্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থে স্থানীয়মান সহকারে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)