০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
পাবনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবদল নেতা সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার সোনালি ভিসায় বদলে যাচ্ছে প্রবাসজীবন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ গড়ছেন বাসিন্দারা সৌদিতে দুপুরের রোদে কাজ নিষিদ্ধ: ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে নতুন নির্দেশনা ইসলামী ব্যাংকে আসছে নতুন স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ, ফিরছে আমানতকারীদের আস্থা কিয়ার স্টারমারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা: শিশুদের সুরক্ষা নাকি বড়দের জন্যও সতর্কবার্তা? বাংলাদেশি পণ্যের জন্য বিশ্ববাজারে নতুন দুয়ার, সরাসরি অনলাইন রপ্তানির সুযোগ সহজ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারি নতুন পাটকল নয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনাতেই পুনরুজ্জীবনের পথে পাটশিল্প যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ঘিরে মোদি সরকারকে নিশানা কংগ্রেসের, ভারতের কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ঢাকার বাইরে যাচ্ছে তিন প্রধান বাস টার্মিনাল, যানজট কমাতে নতুন পরিকল্পনা হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা, শান্তি চুক্তির আগে রয়ে গেছে বড় শর্ত

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • 129

প্রদীপ কুমার মজুমদার

নেমীচন্দ্র গোম্মটসারে ৩৪৫তম গাথায় যা বলেছেন তাথেকে আমরা দশাঙ্ক সংখ্যার কথাই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি। নেমীচন্দ্র লিখেছেন:

একঠ চ চ য ছত্তয়ং চ চ য সুঃ সত্ততিয়সত্তা

সুন্নঃ নব পণ পংচ য একং ছত্তেকগো য পণগং চ।

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮৪, ৪৬৭, ৪৪০, ৭৩৭, ০৯৫, ৫১৬, ১১৫.

এছাড়া আরও নানা ধরণের উদাহরণ এই সমস্ত জৈন গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।এগুলির কোনটি বামাগতি, কোনটি আবার দক্ষিণাগতিতে অংকপাত করা হয়েছে। এবার দেখা যাক বাং শালীর পাণ্ডুলিপিতে এধরণের কিছু নিদর্শন পাওয়া যায় কি না। এই পাণ্ডুলিপির ৫৬ (ক) পৃষ্ঠায় দশাংক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

এখানে বলা হয়েছে-

মূল পুলিশ সিদ্ধান্ত, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, ছন্দসূত্র, তন্ত্রশাস্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থে স্থানীয়মান সহকারে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবদল নেতা সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

১০:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

নেমীচন্দ্র গোম্মটসারে ৩৪৫তম গাথায় যা বলেছেন তাথেকে আমরা দশাঙ্ক সংখ্যার কথাই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি। নেমীচন্দ্র লিখেছেন:

একঠ চ চ য ছত্তয়ং চ চ য সুঃ সত্ততিয়সত্তা

সুন্নঃ নব পণ পংচ য একং ছত্তেকগো য পণগং চ।

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮৪, ৪৬৭, ৪৪০, ৭৩৭, ০৯৫, ৫১৬, ১১৫.

এছাড়া আরও নানা ধরণের উদাহরণ এই সমস্ত জৈন গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।এগুলির কোনটি বামাগতি, কোনটি আবার দক্ষিণাগতিতে অংকপাত করা হয়েছে। এবার দেখা যাক বাং শালীর পাণ্ডুলিপিতে এধরণের কিছু নিদর্শন পাওয়া যায় কি না। এই পাণ্ডুলিপির ৫৬ (ক) পৃষ্ঠায় দশাংক সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়।

এখানে বলা হয়েছে-

মূল পুলিশ সিদ্ধান্ত, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, ছন্দসূত্র, তন্ত্রশাস্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থে স্থানীয়মান সহকারে দশাঙ্ক সংখ্যার উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫১)