১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৩)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • 94

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অংকের বামদিকে গতি 

গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যায় কোন কোন জাতি সংখ্যাপাত করতে গিয়ে বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ক্রমানুযায়ী লেখেন। আবার অনেক জাতি ডান দিক থেকে বাঁ দিকে অংকপাত করেন। তাছাড়াও কোন কোন জাতি উর্ধক্রম অনুযায়ীও সংখ্যাপাত করে থাকেন।

বর্তমানে সংখ্যাপাত করা হয়ে থাকে ডান দিক থেকে বাঁ দিকে। অনেকে মনে করে এটি হয়তো কাল্ডীয় বা ইহুদীরা আবিষ্কার করেছেন। কারণ হিন্দুরা সব্যক্রমে লেখেন সেই হেতু তাঁরা ডান দিক থেকে বাঁ দিকে সংখ্যাপাত করেন না। কিন্তু এ ধারণা ভুল।

আর্যরা বাঁ দিক থেকে ডান দিকে লিখতেন এবং এই পদ্ধতিকে সব্যক্রম বলা হয়। এবং এই পদ্ধতির বিপরীত পদ্ধতিকে অসব্যক্রম বলা হয়। কিন্তু হিন্দু গণিতশাস্ত্রে অংকপাত করার সময় ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হোত।

বাম শব্দের সঙ্গে তস্ প্রত্যয় করে বামতঃ পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। আমরা জানি তৃতীয়া, পঞ্চমী ও সপ্তমীতে তস্ প্রত্যয় হয় কিন্তু পঞ্চমীতে তদ্‌ প্রত্যর হোলে বাম দিক থেকে গতি ধরা হবে কিন্তু তৃতীয়া হেলো বাম দিকে গতি হবে। সুতরাং ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ র অর্থই হচ্ছে অঙ্কের বাম দিকে গতি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৩)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অংকের বামদিকে গতি 

গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যায় কোন কোন জাতি সংখ্যাপাত করতে গিয়ে বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ক্রমানুযায়ী লেখেন। আবার অনেক জাতি ডান দিক থেকে বাঁ দিকে অংকপাত করেন। তাছাড়াও কোন কোন জাতি উর্ধক্রম অনুযায়ীও সংখ্যাপাত করে থাকেন।

বর্তমানে সংখ্যাপাত করা হয়ে থাকে ডান দিক থেকে বাঁ দিকে। অনেকে মনে করে এটি হয়তো কাল্ডীয় বা ইহুদীরা আবিষ্কার করেছেন। কারণ হিন্দুরা সব্যক্রমে লেখেন সেই হেতু তাঁরা ডান দিক থেকে বাঁ দিকে সংখ্যাপাত করেন না। কিন্তু এ ধারণা ভুল।

আর্যরা বাঁ দিক থেকে ডান দিকে লিখতেন এবং এই পদ্ধতিকে সব্যক্রম বলা হয়। এবং এই পদ্ধতির বিপরীত পদ্ধতিকে অসব্যক্রম বলা হয়। কিন্তু হিন্দু গণিতশাস্ত্রে অংকপাত করার সময় ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হোত।

বাম শব্দের সঙ্গে তস্ প্রত্যয় করে বামতঃ পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। আমরা জানি তৃতীয়া, পঞ্চমী ও সপ্তমীতে তস্ প্রত্যয় হয় কিন্তু পঞ্চমীতে তদ্‌ প্রত্যর হোলে বাম দিক থেকে গতি ধরা হবে কিন্তু তৃতীয়া হেলো বাম দিকে গতি হবে। সুতরাং ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ র অর্থই হচ্ছে অঙ্কের বাম দিকে গতি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)