১০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৩)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • 121

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অংকের বামদিকে গতি 

গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যায় কোন কোন জাতি সংখ্যাপাত করতে গিয়ে বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ক্রমানুযায়ী লেখেন। আবার অনেক জাতি ডান দিক থেকে বাঁ দিকে অংকপাত করেন। তাছাড়াও কোন কোন জাতি উর্ধক্রম অনুযায়ীও সংখ্যাপাত করে থাকেন।

বর্তমানে সংখ্যাপাত করা হয়ে থাকে ডান দিক থেকে বাঁ দিকে। অনেকে মনে করে এটি হয়তো কাল্ডীয় বা ইহুদীরা আবিষ্কার করেছেন। কারণ হিন্দুরা সব্যক্রমে লেখেন সেই হেতু তাঁরা ডান দিক থেকে বাঁ দিকে সংখ্যাপাত করেন না। কিন্তু এ ধারণা ভুল।

আর্যরা বাঁ দিক থেকে ডান দিকে লিখতেন এবং এই পদ্ধতিকে সব্যক্রম বলা হয়। এবং এই পদ্ধতির বিপরীত পদ্ধতিকে অসব্যক্রম বলা হয়। কিন্তু হিন্দু গণিতশাস্ত্রে অংকপাত করার সময় ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হোত।

বাম শব্দের সঙ্গে তস্ প্রত্যয় করে বামতঃ পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। আমরা জানি তৃতীয়া, পঞ্চমী ও সপ্তমীতে তস্ প্রত্যয় হয় কিন্তু পঞ্চমীতে তদ্‌ প্রত্যর হোলে বাম দিক থেকে গতি ধরা হবে কিন্তু তৃতীয়া হেলো বাম দিকে গতি হবে। সুতরাং ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ র অর্থই হচ্ছে অঙ্কের বাম দিকে গতি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৩)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অংকের বামদিকে গতি 

গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যায় কোন কোন জাতি সংখ্যাপাত করতে গিয়ে বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ক্রমানুযায়ী লেখেন। আবার অনেক জাতি ডান দিক থেকে বাঁ দিকে অংকপাত করেন। তাছাড়াও কোন কোন জাতি উর্ধক্রম অনুযায়ীও সংখ্যাপাত করে থাকেন।

বর্তমানে সংখ্যাপাত করা হয়ে থাকে ডান দিক থেকে বাঁ দিকে। অনেকে মনে করে এটি হয়তো কাল্ডীয় বা ইহুদীরা আবিষ্কার করেছেন। কারণ হিন্দুরা সব্যক্রমে লেখেন সেই হেতু তাঁরা ডান দিক থেকে বাঁ দিকে সংখ্যাপাত করেন না। কিন্তু এ ধারণা ভুল।

আর্যরা বাঁ দিক থেকে ডান দিকে লিখতেন এবং এই পদ্ধতিকে সব্যক্রম বলা হয়। এবং এই পদ্ধতির বিপরীত পদ্ধতিকে অসব্যক্রম বলা হয়। কিন্তু হিন্দু গণিতশাস্ত্রে অংকপাত করার সময় ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হোত।

বাম শব্দের সঙ্গে তস্ প্রত্যয় করে বামতঃ পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। আমরা জানি তৃতীয়া, পঞ্চমী ও সপ্তমীতে তস্ প্রত্যয় হয় কিন্তু পঞ্চমীতে তদ্‌ প্রত্যর হোলে বাম দিক থেকে গতি ধরা হবে কিন্তু তৃতীয়া হেলো বাম দিকে গতি হবে। সুতরাং ‘অঙ্কানাং বামতো গতিঃ’ র অর্থই হচ্ছে অঙ্কের বাম দিকে গতি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫২)