১১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
  • 126

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতে করা হয়। কিন্তু এর ব্যতিক্রমও দেখা যায় যেমন জিনসেন তাঁর নেমীপুরাণে বলেছেন-

একমষ্টোচ চত্বারি চতুঃষট, সপ্তভিশ্চতুঃ।

চতুঃশূনাংচ সপ্তনিসপ্তশূন্যং নবাপি চ।

পঞ্চপঞ্চৈকং যট, চ তথৈকং পঞ্চ তত্ত্বতঃ।

সমস্তশ্রুতবর্ণানাং প্রমাণং পরিকীত্তিতং।

এখানে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছেঃ ১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৪, তাছাড়াও জিনভদ্রগণি বৃহৎক্ষেত্রসমাসে লিখেছেন-

দুবীষ চোয়াল সুন্নট,ঠ ২২৪৪,০০০০,০০০০ গ্রীষ্টীয় দশম শতাব্দীতে নেমীচন্দ্র গোম্মটসারের জীবকাণ্ডের ১৫৮ তম গাথায় বলেছেন:

তললীনমধুগাবিমলং ধমুসিল। গাবিচোরভয়মেরূ

তটহরিখঝসা হোংতি হ মানুস পঙ্গুত্ত সংখ্যক।।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯, ২২৮, ১৬২, ৫১৪, ২৬৪ ৩৩৭, ৫৯৩,৫৪৩, ৯৫০, ৩৩৬।

লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নাম সংখ্যা প্রণালী, অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ও কটপযাদি প্রণালীতে বামাগতি ও দক্ষিণাগতি উভয় প্রণালীই ব্যবহৃত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)

১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতে করা হয়। কিন্তু এর ব্যতিক্রমও দেখা যায় যেমন জিনসেন তাঁর নেমীপুরাণে বলেছেন-

একমষ্টোচ চত্বারি চতুঃষট, সপ্তভিশ্চতুঃ।

চতুঃশূনাংচ সপ্তনিসপ্তশূন্যং নবাপি চ।

পঞ্চপঞ্চৈকং যট, চ তথৈকং পঞ্চ তত্ত্বতঃ।

সমস্তশ্রুতবর্ণানাং প্রমাণং পরিকীত্তিতং।

এখানে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছেঃ ১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৪, তাছাড়াও জিনভদ্রগণি বৃহৎক্ষেত্রসমাসে লিখেছেন-

দুবীষ চোয়াল সুন্নট,ঠ ২২৪৪,০০০০,০০০০ গ্রীষ্টীয় দশম শতাব্দীতে নেমীচন্দ্র গোম্মটসারের জীবকাণ্ডের ১৫৮ তম গাথায় বলেছেন:

তললীনমধুগাবিমলং ধমুসিল। গাবিচোরভয়মেরূ

তটহরিখঝসা হোংতি হ মানুস পঙ্গুত্ত সংখ্যক।।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯, ২২৮, ১৬২, ৫১৪, ২৬৪ ৩৩৭, ৫৯৩,৫৪৩, ৯৫০, ৩৩৬।

লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নাম সংখ্যা প্রণালী, অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ও কটপযাদি প্রণালীতে বামাগতি ও দক্ষিণাগতি উভয় প্রণালীই ব্যবহৃত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)