১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
  • 101

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতে করা হয়। কিন্তু এর ব্যতিক্রমও দেখা যায় যেমন জিনসেন তাঁর নেমীপুরাণে বলেছেন-

একমষ্টোচ চত্বারি চতুঃষট, সপ্তভিশ্চতুঃ।

চতুঃশূনাংচ সপ্তনিসপ্তশূন্যং নবাপি চ।

পঞ্চপঞ্চৈকং যট, চ তথৈকং পঞ্চ তত্ত্বতঃ।

সমস্তশ্রুতবর্ণানাং প্রমাণং পরিকীত্তিতং।

এখানে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছেঃ ১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৪, তাছাড়াও জিনভদ্রগণি বৃহৎক্ষেত্রসমাসে লিখেছেন-

দুবীষ চোয়াল সুন্নট,ঠ ২২৪৪,০০০০,০০০০ গ্রীষ্টীয় দশম শতাব্দীতে নেমীচন্দ্র গোম্মটসারের জীবকাণ্ডের ১৫৮ তম গাথায় বলেছেন:

তললীনমধুগাবিমলং ধমুসিল। গাবিচোরভয়মেরূ

তটহরিখঝসা হোংতি হ মানুস পঙ্গুত্ত সংখ্যক।।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯, ২২৮, ১৬২, ৫১৪, ২৬৪ ৩৩৭, ৫৯৩,৫৪৩, ৯৫০, ৩৩৬।

লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নাম সংখ্যা প্রণালী, অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ও কটপযাদি প্রণালীতে বামাগতি ও দক্ষিণাগতি উভয় প্রণালীই ব্যবহৃত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)

১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতে করা হয়। কিন্তু এর ব্যতিক্রমও দেখা যায় যেমন জিনসেন তাঁর নেমীপুরাণে বলেছেন-

একমষ্টোচ চত্বারি চতুঃষট, সপ্তভিশ্চতুঃ।

চতুঃশূনাংচ সপ্তনিসপ্তশূন্যং নবাপি চ।

পঞ্চপঞ্চৈকং যট, চ তথৈকং পঞ্চ তত্ত্বতঃ।

সমস্তশ্রুতবর্ণানাং প্রমাণং পরিকীত্তিতং।

এখানে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছেঃ ১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৪, তাছাড়াও জিনভদ্রগণি বৃহৎক্ষেত্রসমাসে লিখেছেন-

দুবীষ চোয়াল সুন্নট,ঠ ২২৪৪,০০০০,০০০০ গ্রীষ্টীয় দশম শতাব্দীতে নেমীচন্দ্র গোম্মটসারের জীবকাণ্ডের ১৫৮ তম গাথায় বলেছেন:

তললীনমধুগাবিমলং ধমুসিল। গাবিচোরভয়মেরূ

তটহরিখঝসা হোংতি হ মানুস পঙ্গুত্ত সংখ্যক।।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-৭৯, ২২৮, ১৬২, ৫১৪, ২৬৪ ৩৩৭, ৫৯৩,৫৪৩, ৯৫০, ৩৩৬।

লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নাম সংখ্যা প্রণালী, অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ও কটপযাদি প্রণালীতে বামাগতি ও দক্ষিণাগতি উভয় প্রণালীই ব্যবহৃত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৬)