০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 147

প্রদীপ কুমার মজুমদার

যাইহোক এ বিতর্ক ঐতিহাসিক পর্যায়ে হলেও আমরা পরবর্তী কালে আর্যভটের গ্রন্থে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করি। তবে এই প্রণালী বিভিন্ন জাতি এক সময় ব্যাপক হারে ব্যবহার করতেন সে বিষয়ে ঐতিহাসিকেরা একমত এবং সমস্ত জাতির মধ্যে ভারতীয় পদ্ধতি, সেমেটিক পদ্ধতি, গিমাত্রিয় পদ্ধতি প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

গ্রীক ভাষায় বর্ণ সংখ্যা ২৪টি। অক্ষর সংখ্যা প্রণালী গঠনোদ্দেশে গ্রীকেরা আরও তিনটি বর্ণ সংগ্রহ করে। এর মধ্যে Q, এবং X ফিনিসীয় জাতির কাছ থেকে লওয়া হয়েছে। মোট ২৭টি বর্ণকে এ’রা তিনভাগে ভাগ করে ১ থেকে ৯৯৯ পর্য্যন্ত যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতেন।

যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতো।

প্রথম নয়টি বর্ণ ১ থেকে পর পর্যন্ত সংখ্যা নির্দেশ করে। পরের নয়টি বর্ণ এদের দশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে এবং এর পরবর্তী নয়টি বর্ণ একশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে। হাজার বা তার বেশী সংখ্যা খ্যাপন করতে গিয়ে গ্রীকেরা ঐ সমস্ত অক্ষরের পশ্চাতে • একটি দাঁড়ি দিতেন। যেমন ধরা যাক /৪-৪০০০, ৭-৮0000

(চলবে) 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)

০৫:৩৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

যাইহোক এ বিতর্ক ঐতিহাসিক পর্যায়ে হলেও আমরা পরবর্তী কালে আর্যভটের গ্রন্থে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করি। তবে এই প্রণালী বিভিন্ন জাতি এক সময় ব্যাপক হারে ব্যবহার করতেন সে বিষয়ে ঐতিহাসিকেরা একমত এবং সমস্ত জাতির মধ্যে ভারতীয় পদ্ধতি, সেমেটিক পদ্ধতি, গিমাত্রিয় পদ্ধতি প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

গ্রীক ভাষায় বর্ণ সংখ্যা ২৪টি। অক্ষর সংখ্যা প্রণালী গঠনোদ্দেশে গ্রীকেরা আরও তিনটি বর্ণ সংগ্রহ করে। এর মধ্যে Q, এবং X ফিনিসীয় জাতির কাছ থেকে লওয়া হয়েছে। মোট ২৭টি বর্ণকে এ’রা তিনভাগে ভাগ করে ১ থেকে ৯৯৯ পর্য্যন্ত যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতেন।

যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতো।

প্রথম নয়টি বর্ণ ১ থেকে পর পর্যন্ত সংখ্যা নির্দেশ করে। পরের নয়টি বর্ণ এদের দশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে এবং এর পরবর্তী নয়টি বর্ণ একশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে। হাজার বা তার বেশী সংখ্যা খ্যাপন করতে গিয়ে গ্রীকেরা ঐ সমস্ত অক্ষরের পশ্চাতে • একটি দাঁড়ি দিতেন। যেমন ধরা যাক /৪-৪০০০, ৭-৮0000

(চলবে) 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)