১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট মুনাফায় ঝড়, যুদ্ধ-অনিশ্চয়তার মাঝেও শক্ত অবস্থান তেলের বাজারে বিপর্যয়ের ঘণ্টা: হরমুজ সংকটে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকির মুখে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক-বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদে রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 124

প্রদীপ কুমার মজুমদার

যাইহোক এ বিতর্ক ঐতিহাসিক পর্যায়ে হলেও আমরা পরবর্তী কালে আর্যভটের গ্রন্থে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করি। তবে এই প্রণালী বিভিন্ন জাতি এক সময় ব্যাপক হারে ব্যবহার করতেন সে বিষয়ে ঐতিহাসিকেরা একমত এবং সমস্ত জাতির মধ্যে ভারতীয় পদ্ধতি, সেমেটিক পদ্ধতি, গিমাত্রিয় পদ্ধতি প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

গ্রীক ভাষায় বর্ণ সংখ্যা ২৪টি। অক্ষর সংখ্যা প্রণালী গঠনোদ্দেশে গ্রীকেরা আরও তিনটি বর্ণ সংগ্রহ করে। এর মধ্যে Q, এবং X ফিনিসীয় জাতির কাছ থেকে লওয়া হয়েছে। মোট ২৭টি বর্ণকে এ’রা তিনভাগে ভাগ করে ১ থেকে ৯৯৯ পর্য্যন্ত যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতেন।

যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতো।

প্রথম নয়টি বর্ণ ১ থেকে পর পর্যন্ত সংখ্যা নির্দেশ করে। পরের নয়টি বর্ণ এদের দশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে এবং এর পরবর্তী নয়টি বর্ণ একশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে। হাজার বা তার বেশী সংখ্যা খ্যাপন করতে গিয়ে গ্রীকেরা ঐ সমস্ত অক্ষরের পশ্চাতে • একটি দাঁড়ি দিতেন। যেমন ধরা যাক /৪-৪০০০, ৭-৮0000

(চলবে) 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)

যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট মুনাফায় ঝড়, যুদ্ধ-অনিশ্চয়তার মাঝেও শক্ত অবস্থান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)

০৫:৩৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

যাইহোক এ বিতর্ক ঐতিহাসিক পর্যায়ে হলেও আমরা পরবর্তী কালে আর্যভটের গ্রন্থে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করি। তবে এই প্রণালী বিভিন্ন জাতি এক সময় ব্যাপক হারে ব্যবহার করতেন সে বিষয়ে ঐতিহাসিকেরা একমত এবং সমস্ত জাতির মধ্যে ভারতীয় পদ্ধতি, সেমেটিক পদ্ধতি, গিমাত্রিয় পদ্ধতি প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

গ্রীক ভাষায় বর্ণ সংখ্যা ২৪টি। অক্ষর সংখ্যা প্রণালী গঠনোদ্দেশে গ্রীকেরা আরও তিনটি বর্ণ সংগ্রহ করে। এর মধ্যে Q, এবং X ফিনিসীয় জাতির কাছ থেকে লওয়া হয়েছে। মোট ২৭টি বর্ণকে এ’রা তিনভাগে ভাগ করে ১ থেকে ৯৯৯ পর্য্যন্ত যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতেন।

যে কোন সংখ্যা খ্যাপন করতো।

প্রথম নয়টি বর্ণ ১ থেকে পর পর্যন্ত সংখ্যা নির্দেশ করে। পরের নয়টি বর্ণ এদের দশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে এবং এর পরবর্তী নয়টি বর্ণ একশগুণ সংখ্যা নির্দেশ করে। হাজার বা তার বেশী সংখ্যা খ্যাপন করতে গিয়ে গ্রীকেরা ঐ সমস্ত অক্ষরের পশ্চাতে • একটি দাঁড়ি দিতেন। যেমন ধরা যাক /৪-৪০০০, ৭-৮0000

(চলবে) 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৩)