১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
চিনাম্যাক্সিং ট্রেন্ডে চীনের পর্যটনে জোয়ার, বিদেশি আগ্রহে বাড়ছে অর্থনৈতিক গতি যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট মুনাফায় ঝড়, যুদ্ধ-অনিশ্চয়তার মাঝেও শক্ত অবস্থান তেলের বাজারে বিপর্যয়ের ঘণ্টা: হরমুজ সংকটে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকির মুখে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক-বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদে রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 116

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চামড়ার লাইনিং দেওয়া পোশাক, জুতা সত্ত্বেও শীতে কাঁপতে হয়। খাওয়া বা ঘুমানোর জন্যে শুনো জায়গা পাওয়া যায় না। কোনও জিনিসের সাহায্যে কড়াইটা উঁচু করে ধরে রান্না করতে হয় আর তুষারের উপরেই মাদুর বিছানো ছাড়া উপায় নেই।

এই পর্বত অতিক্রম করতে সাত দিন লেগেছিল আর হিউএনচাঙের সঙ্গীদের মধ্যে তেরো-চৌদ্দ জন মানুষ আর বহু গোরুঘোড়া এখানে মারা যায়। তিএন্‌শানের উত্তর পাশ দিয়ে নেমে হিউএনচাঙ ‘ঈশিক্ কুল’ বা গরম হ্রদের দক্ষিণ তীরে এলেন। এর জল কখনো জমে না, সেইজন্যে একে গরম হ্রদ বলা হয়।

‘এই হ্রদের পরিধি আন্দাজ ১০০০ লি। এটা পূব পশ্চিমে লম্বা। এর চারিদিকেই পর্বত। জলের রঙ সবুজ কালো, আর স্বাদ নোনতা তেতো। অনেক সময়েই এতে প্রকাণ্ড ঢেউ হয়।’

পশ্চিম তুরুস্ক সম্রাট ইয়ারগু তুঙ এ সময়ে এখানে শিকারে এসেছিলেন। হ্রদের উত্তর-পশ্চিম কূলে আধুনিক টোকক্কাক শহরের কাছে হিউএনচাঙের সঙ্গে এর সাক্ষাৎ হয়। তখন ৬৩০ খৃস্টাব্দের প্রথম।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩২)

চিনাম্যাক্সিং ট্রেন্ডে চীনের পর্যটনে জোয়ার, বিদেশি আগ্রহে বাড়ছে অর্থনৈতিক গতি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

০৯:০০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চামড়ার লাইনিং দেওয়া পোশাক, জুতা সত্ত্বেও শীতে কাঁপতে হয়। খাওয়া বা ঘুমানোর জন্যে শুনো জায়গা পাওয়া যায় না। কোনও জিনিসের সাহায্যে কড়াইটা উঁচু করে ধরে রান্না করতে হয় আর তুষারের উপরেই মাদুর বিছানো ছাড়া উপায় নেই।

এই পর্বত অতিক্রম করতে সাত দিন লেগেছিল আর হিউএনচাঙের সঙ্গীদের মধ্যে তেরো-চৌদ্দ জন মানুষ আর বহু গোরুঘোড়া এখানে মারা যায়। তিএন্‌শানের উত্তর পাশ দিয়ে নেমে হিউএনচাঙ ‘ঈশিক্ কুল’ বা গরম হ্রদের দক্ষিণ তীরে এলেন। এর জল কখনো জমে না, সেইজন্যে একে গরম হ্রদ বলা হয়।

‘এই হ্রদের পরিধি আন্দাজ ১০০০ লি। এটা পূব পশ্চিমে লম্বা। এর চারিদিকেই পর্বত। জলের রঙ সবুজ কালো, আর স্বাদ নোনতা তেতো। অনেক সময়েই এতে প্রকাণ্ড ঢেউ হয়।’

পশ্চিম তুরুস্ক সম্রাট ইয়ারগু তুঙ এ সময়ে এখানে শিকারে এসেছিলেন। হ্রদের উত্তর-পশ্চিম কূলে আধুনিক টোকক্কাক শহরের কাছে হিউএনচাঙের সঙ্গে এর সাক্ষাৎ হয়। তখন ৬৩০ খৃস্টাব্দের প্রথম।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩২)