০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা স্থগিত , অনিশ্চয়তায় সমঝোতা ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রামের চরে গৃহহীন ৩০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন ঘিরে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই, বললেন ডিএমপি কমিশনার শ্রমিক শ্রেণির ক্ষোভ, ভাঙা আস্থা এবং ব্রিটিশ রাজনীতির নতুন সন্ধিক্ষণ মার্কিন-ইরান সমঝোতার পরও অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য, লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১৬ হোটেলের চেয়েও ব্যয়বহুল আশ্রয়শিবির! যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন নিয়ে নতুন বিতর্ক জনাথন ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে উড়িয়ে কানাডার ঐতিহাসিক ৬-০ জয় মেক্সিকোর ঐতিহাসিক জয়, সবার আগে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্বাগতিকরা নতুন সমঝোতার পথে ওয়াশিংটন-তেহরান: কেন কূটনীতির ভাষাই হয়ে উঠেছিল সবচেয়ে বড় বাধা

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২২)

জোনাকি

আবুল হোসেন দ্রুত বারান্দায় বেরিয়ে পড়েন, মরিয়মের সঙ্গে অযথা তর্ক-তর্কি করার কোনো স্পৃহাই ছিলো না তাঁর। প্রবল জিদ তাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো। ভাবলেন এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই তিনি বুলুর জন্যে অপেক্ষা করবেন। তিনি দেখতে চান বুলু কখন ফেরে, কিভাবে ফেরে। তারপর নাগার সঙ্গে তাঁর একচোট হবে। এরা সীমার বাইরে চলে গেছে। একটা হেস্তনেস্ত দরকার।

বুলু ফিরলো রাত্রি ন’টার দিকে।

আবুল হোসেন যা আন্দাজ করেছিলেন তাই, কামরানের গাড়ি থেকে নামলো নাগা ও বুলু। সকলের চেহারাই ঝড়েওড়া, বিধ্বস্ত। বুলু ও নাগা দু’জনের হাতেই স্যুটকেস। বারান্দা পর্যন্ত তাদের এগিয়ে দিলো কামরান, তারপর গাড়িতে গিয়ে বসলো। স্টার্ট দিলো গাড়িতে।

প্রথমে চিনতে পারেননি আবুল হোসেন বুলুকে। শাড়িপরা অবস্থায় এই প্রথম দেখলেন। রাজহংসীর দীর্ঘ গ্রীবা তুলে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো বুলু কামরানের দিকে। দিগ্বিজয়ীর বিপুল গতিতে গাড়িটি দৃষ্টির আড়ালে চলে যাবার পরও অভিভূতের মতো সে দাঁড়িয়ে রইলো।

অন্ধকার বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো সবকিছু দেখলেন আবুল হোসেন। কেউই তাঁকে লক্ষ্য করেনি।

‘শোনো নাগা, তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে-‘ ভেতরে পা বাড়িয়েছিলো নাগা, সে থমকে দাঁড়ালো।

আবুল হোসেন বললেন, ‘কোন্ চুলোয় গিয়েছিলে?’

নাগা ঘড়ঘড়ে গলায় বললে, ‘বাইরে গিয়েছিলাম-‘

‘বাইরে কোথায়?’

‘কক্সবাজার!’

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২২)

১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

জোনাকি

আবুল হোসেন দ্রুত বারান্দায় বেরিয়ে পড়েন, মরিয়মের সঙ্গে অযথা তর্ক-তর্কি করার কোনো স্পৃহাই ছিলো না তাঁর। প্রবল জিদ তাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো। ভাবলেন এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই তিনি বুলুর জন্যে অপেক্ষা করবেন। তিনি দেখতে চান বুলু কখন ফেরে, কিভাবে ফেরে। তারপর নাগার সঙ্গে তাঁর একচোট হবে। এরা সীমার বাইরে চলে গেছে। একটা হেস্তনেস্ত দরকার।

বুলু ফিরলো রাত্রি ন’টার দিকে।

আবুল হোসেন যা আন্দাজ করেছিলেন তাই, কামরানের গাড়ি থেকে নামলো নাগা ও বুলু। সকলের চেহারাই ঝড়েওড়া, বিধ্বস্ত। বুলু ও নাগা দু’জনের হাতেই স্যুটকেস। বারান্দা পর্যন্ত তাদের এগিয়ে দিলো কামরান, তারপর গাড়িতে গিয়ে বসলো। স্টার্ট দিলো গাড়িতে।

প্রথমে চিনতে পারেননি আবুল হোসেন বুলুকে। শাড়িপরা অবস্থায় এই প্রথম দেখলেন। রাজহংসীর দীর্ঘ গ্রীবা তুলে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো বুলু কামরানের দিকে। দিগ্বিজয়ীর বিপুল গতিতে গাড়িটি দৃষ্টির আড়ালে চলে যাবার পরও অভিভূতের মতো সে দাঁড়িয়ে রইলো।

অন্ধকার বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো সবকিছু দেখলেন আবুল হোসেন। কেউই তাঁকে লক্ষ্য করেনি।

‘শোনো নাগা, তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে-‘ ভেতরে পা বাড়িয়েছিলো নাগা, সে থমকে দাঁড়ালো।

আবুল হোসেন বললেন, ‘কোন্ চুলোয় গিয়েছিলে?’

নাগা ঘড়ঘড়ে গলায় বললে, ‘বাইরে গিয়েছিলাম-‘

‘বাইরে কোথায়?’

‘কক্সবাজার!’