১১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
২০২৭ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার, কমছে বাজেট ঘাটতিও চীনে ভক্সওয়াগেনের ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় নতুন শঙ্কা, কমছে বিক্রি ডানপন্থী উত্থানে এশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাইল্যান্ডে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের নতুন উদ্যোগ, তবু বড় প্রশ্নে অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা রেকিয়াভিকে ‘যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’: পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপের স্বপ্নে রিগ্যান-গর্বাচেভ গ্যাস সংকটে হবিগঞ্জে ১৭১ কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লক্ষাধিক শ্রমিক কুষ্টিয়ায় বালুবাহী যান পদ্মায়, নিখোঁজ ৮ বছরের শিশু ১৫ আগস্ট ঘিরে ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তা, মাঠে ডিএমপির বিশেষ ইউনিট নেপালের নতুন রাজনৈতিক তারকার আলো কেন ম্লান হয়ে আসছে সেন্ট্রাল পার্কে শেক্সপিয়রের ‘শীতের কাহিনি’, পুরোনো আবহে নতুন মুগ্ধতা

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২২)

জোনাকি

আবুল হোসেন দ্রুত বারান্দায় বেরিয়ে পড়েন, মরিয়মের সঙ্গে অযথা তর্ক-তর্কি করার কোনো স্পৃহাই ছিলো না তাঁর। প্রবল জিদ তাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো। ভাবলেন এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই তিনি বুলুর জন্যে অপেক্ষা করবেন। তিনি দেখতে চান বুলু কখন ফেরে, কিভাবে ফেরে। তারপর নাগার সঙ্গে তাঁর একচোট হবে। এরা সীমার বাইরে চলে গেছে। একটা হেস্তনেস্ত দরকার।

বুলু ফিরলো রাত্রি ন’টার দিকে।

আবুল হোসেন যা আন্দাজ করেছিলেন তাই, কামরানের গাড়ি থেকে নামলো নাগা ও বুলু। সকলের চেহারাই ঝড়েওড়া, বিধ্বস্ত। বুলু ও নাগা দু’জনের হাতেই স্যুটকেস। বারান্দা পর্যন্ত তাদের এগিয়ে দিলো কামরান, তারপর গাড়িতে গিয়ে বসলো। স্টার্ট দিলো গাড়িতে।

প্রথমে চিনতে পারেননি আবুল হোসেন বুলুকে। শাড়িপরা অবস্থায় এই প্রথম দেখলেন। রাজহংসীর দীর্ঘ গ্রীবা তুলে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো বুলু কামরানের দিকে। দিগ্বিজয়ীর বিপুল গতিতে গাড়িটি দৃষ্টির আড়ালে চলে যাবার পরও অভিভূতের মতো সে দাঁড়িয়ে রইলো।

অন্ধকার বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো সবকিছু দেখলেন আবুল হোসেন। কেউই তাঁকে লক্ষ্য করেনি।

‘শোনো নাগা, তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে-‘ ভেতরে পা বাড়িয়েছিলো নাগা, সে থমকে দাঁড়ালো।

আবুল হোসেন বললেন, ‘কোন্ চুলোয় গিয়েছিলে?’

নাগা ঘড়ঘড়ে গলায় বললে, ‘বাইরে গিয়েছিলাম-‘

‘বাইরে কোথায়?’

‘কক্সবাজার!’

 

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার, কমছে বাজেট ঘাটতিও

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২২)

১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

জোনাকি

আবুল হোসেন দ্রুত বারান্দায় বেরিয়ে পড়েন, মরিয়মের সঙ্গে অযথা তর্ক-তর্কি করার কোনো স্পৃহাই ছিলো না তাঁর। প্রবল জিদ তাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো। ভাবলেন এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই তিনি বুলুর জন্যে অপেক্ষা করবেন। তিনি দেখতে চান বুলু কখন ফেরে, কিভাবে ফেরে। তারপর নাগার সঙ্গে তাঁর একচোট হবে। এরা সীমার বাইরে চলে গেছে। একটা হেস্তনেস্ত দরকার।

বুলু ফিরলো রাত্রি ন’টার দিকে।

আবুল হোসেন যা আন্দাজ করেছিলেন তাই, কামরানের গাড়ি থেকে নামলো নাগা ও বুলু। সকলের চেহারাই ঝড়েওড়া, বিধ্বস্ত। বুলু ও নাগা দু’জনের হাতেই স্যুটকেস। বারান্দা পর্যন্ত তাদের এগিয়ে দিলো কামরান, তারপর গাড়িতে গিয়ে বসলো। স্টার্ট দিলো গাড়িতে।

প্রথমে চিনতে পারেননি আবুল হোসেন বুলুকে। শাড়িপরা অবস্থায় এই প্রথম দেখলেন। রাজহংসীর দীর্ঘ গ্রীবা তুলে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো বুলু কামরানের দিকে। দিগ্বিজয়ীর বিপুল গতিতে গাড়িটি দৃষ্টির আড়ালে চলে যাবার পরও অভিভূতের মতো সে দাঁড়িয়ে রইলো।

অন্ধকার বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো সবকিছু দেখলেন আবুল হোসেন। কেউই তাঁকে লক্ষ্য করেনি।

‘শোনো নাগা, তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে-‘ ভেতরে পা বাড়িয়েছিলো নাগা, সে থমকে দাঁড়ালো।

আবুল হোসেন বললেন, ‘কোন্ চুলোয় গিয়েছিলে?’

নাগা ঘড়ঘড়ে গলায় বললে, ‘বাইরে গিয়েছিলাম-‘

‘বাইরে কোথায়?’

‘কক্সবাজার!’