১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট মুনাফায় ঝড়, যুদ্ধ-অনিশ্চয়তার মাঝেও শক্ত অবস্থান তেলের বাজারে বিপর্যয়ের ঘণ্টা: হরমুজ সংকটে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকির মুখে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক-বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদে রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 70

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পশ্চিম তুরুস্কদের সাম্রাজ্য এই সময়ে চরম বিস্তৃতি লাভ করেছিল। আল্টাই থেকে হিন্দুকুশ পর্বত, ইরান থেকে চাঁর্নের সীমান্ত পর্যন্ত এদের রাজত্ব ছিল। তুরুস্করা তাতারদেরই একটা শাখা।

যদিও এদের যাযাবর অসভ্য জাতিই বলা যায় তবু সভ্যতার সংস্পর্শ যে এদের একেবারে ছিল না তা নয়। হিউএনচাঙ এদের যে বিবরণ দিয়েছেন তার থেকে হুন্ আটিলা বা ভবিষ্যৎ তাতার সম্রাট চেংঘিস্ কানের কথা মনে পড়ে-‘এই অসভ্যদের প্রচুর ঘোড়া।

সম্রাটের পরিধানে সবুজ সাটিনের কোট ছিল। মাথার চুল সবই দেখা যাচ্ছিল, তবে কপাল একটা দশ ফুট লম্বা রেশমের কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। এর চারিপাশে শ দুই যোদ্ধা ছিল। তাদের সবারই বেণী বাঁধা আর পরিধানে ব্রোকেডের কোট।

অন্য সৈন্যরা সকলেই উদ্ভারোহী বা অশ্বারোহী। তাদের পরনে লোমের বা ভালো পশমের পরিচ্ছদ; আর হাতে লম্বা বর্শা, নিশান আর সরল ধনুক। যতদূর দৃষ্টি চলে, সমস্ত জায়গাই সৈন্যদলে ভরা ছিল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট মুনাফায় ঝড়, যুদ্ধ-অনিশ্চয়তার মাঝেও শক্ত অবস্থান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৪)

০৯:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পশ্চিম তুরুস্কদের সাম্রাজ্য এই সময়ে চরম বিস্তৃতি লাভ করেছিল। আল্টাই থেকে হিন্দুকুশ পর্বত, ইরান থেকে চাঁর্নের সীমান্ত পর্যন্ত এদের রাজত্ব ছিল। তুরুস্করা তাতারদেরই একটা শাখা।

যদিও এদের যাযাবর অসভ্য জাতিই বলা যায় তবু সভ্যতার সংস্পর্শ যে এদের একেবারে ছিল না তা নয়। হিউএনচাঙ এদের যে বিবরণ দিয়েছেন তার থেকে হুন্ আটিলা বা ভবিষ্যৎ তাতার সম্রাট চেংঘিস্ কানের কথা মনে পড়ে-‘এই অসভ্যদের প্রচুর ঘোড়া।

সম্রাটের পরিধানে সবুজ সাটিনের কোট ছিল। মাথার চুল সবই দেখা যাচ্ছিল, তবে কপাল একটা দশ ফুট লম্বা রেশমের কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। এর চারিপাশে শ দুই যোদ্ধা ছিল। তাদের সবারই বেণী বাঁধা আর পরিধানে ব্রোকেডের কোট।

অন্য সৈন্যরা সকলেই উদ্ভারোহী বা অশ্বারোহী। তাদের পরনে লোমের বা ভালো পশমের পরিচ্ছদ; আর হাতে লম্বা বর্শা, নিশান আর সরল ধনুক। যতদূর দৃষ্টি চলে, সমস্ত জায়গাই সৈন্যদলে ভরা ছিল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)