০৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই বিরামপুর সীমান্তে ১২ থেকে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটল বিএসএফ নতুন ছাঁটে চমকে দিলেন কনর স্টোরি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এমিসে আত্মপ্রকাশ ‘বাজকাট’ লুকে জঙ্গলে মিলল নিখোঁজ যুবকের কঙ্কাল, পোশাক দেখে শনাক্ত করলেন বাবা কৃষিকে বদলে দিতে বিশ্বব্যাংকের ‘এগ্রিকানেক্ট’, লক্ষ্য ৩০ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র, তদন্ত চান রিজভী শরতের ফ্যাশনে জেন বারকিনের পুরোনো ছবিই আজকের নতুন অনুপ্রেরণা শরতের সাজে সুয়েড জ্যাকেট, ৬ দারুণ স্টাইলিং আইডিয়া সিয়ারা মা হচ্ছেন পঞ্চমবার, রাসেল উইলসনের সঙ্গে আসছে নতুন অতিথি ভেনিসে আবারও আলোচনায় ব্রুকলিন-নিকোলা, পুরোনো বিরতির পর ফিরলেন আলোয়

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • 179

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই ১২ জনের মধ্যে ৬ জন ছিলেন কুজকোর আয়লু (Ayllu) থেকে এবং বাকি ৬ জনকে নেওয়া হত হরিন (Hurin) থেকে। এই ১২ জন বিচারককে সাহায্য করার জন্য। থাকত দু’জন সহকারী। এই দুজনের প্রধান দায়িত্ব ছিল আইনের গ্রন্থ বা কিপা (Dusa) সংরক্ষণ করা। এই সহপাঠীর পদটি সাধারণভাবে বংশানুক্রমিক পদ্ধতিতে সযুক্ত হত।

ডেসিমাল ব্যবস্থা অনুযায়ী সামাজিকভাবে উউঁচু শ্রেণিতে বা পদে আসীন কর্মচারীকে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য প্রদেশের দায়িত্ব দেওয়া হত। স্থানীয় স্তরে ছোট ছোট বা কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির উপর নীচের দিকে কম ক্ষমতাসম্পন্ন সরকারি আমলারা সিদ্ধান্ত নিত।

বাজাজরের ফৌজদারী কেসে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা ছিল গভর্নরদের হাতে। গভর্ণরের নীচে আধিকারিকগণ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর অনুমতি ছাড়া মৃত্যু দণ্ডাদেশ দিতে পারেন না। তবে এর থেকে একথা বলা যায় না যে ইনকারা তাদের প্রথা ভিত্তিক আইন পরিবর্তন করার কথা ভাবছে। ইনকাদের জীবনযাত্রা এবং সমাজ জীবন পরস্পর পরস্পরকে প্রভাবিত করেছে।

দৈনন্দিন জীবনের সকাল শুরু হয় বাড়ির গৃহস্থালি কাজ দিয়ে। এই কাজ প্রধানত করে ঘরের বউ এবং মেয়েরা। সকালবেলায় বাড়ির পুরুষ সদস্য এবং গৃহকর্তা চলে যায় বন বা খেত খামারে। এখানে চিরসবুজ (Rainforest) বনে জন্মায় নানা রকমের বন্য গাছ।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৩)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৪)

০৭:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই ১২ জনের মধ্যে ৬ জন ছিলেন কুজকোর আয়লু (Ayllu) থেকে এবং বাকি ৬ জনকে নেওয়া হত হরিন (Hurin) থেকে। এই ১২ জন বিচারককে সাহায্য করার জন্য। থাকত দু’জন সহকারী। এই দুজনের প্রধান দায়িত্ব ছিল আইনের গ্রন্থ বা কিপা (Dusa) সংরক্ষণ করা। এই সহপাঠীর পদটি সাধারণভাবে বংশানুক্রমিক পদ্ধতিতে সযুক্ত হত।

ডেসিমাল ব্যবস্থা অনুযায়ী সামাজিকভাবে উউঁচু শ্রেণিতে বা পদে আসীন কর্মচারীকে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য প্রদেশের দায়িত্ব দেওয়া হত। স্থানীয় স্তরে ছোট ছোট বা কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির উপর নীচের দিকে কম ক্ষমতাসম্পন্ন সরকারি আমলারা সিদ্ধান্ত নিত।

বাজাজরের ফৌজদারী কেসে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা ছিল গভর্নরদের হাতে। গভর্ণরের নীচে আধিকারিকগণ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর অনুমতি ছাড়া মৃত্যু দণ্ডাদেশ দিতে পারেন না। তবে এর থেকে একথা বলা যায় না যে ইনকারা তাদের প্রথা ভিত্তিক আইন পরিবর্তন করার কথা ভাবছে। ইনকাদের জীবনযাত্রা এবং সমাজ জীবন পরস্পর পরস্পরকে প্রভাবিত করেছে।

দৈনন্দিন জীবনের সকাল শুরু হয় বাড়ির গৃহস্থালি কাজ দিয়ে। এই কাজ প্রধানত করে ঘরের বউ এবং মেয়েরা। সকালবেলায় বাড়ির পুরুষ সদস্য এবং গৃহকর্তা চলে যায় বন বা খেত খামারে। এখানে চিরসবুজ (Rainforest) বনে জন্মায় নানা রকমের বন্য গাছ।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৩)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৩)