১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
ফিলিস্তিন, যুদ্ধ এবং নীরবতার রাজনীতি: যৌন সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে বৈশ্বিক বিবেকের সংকট রুপির পতন ভারতের প্রবৃদ্ধির অস্বস্তিকর বাস্তবতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা দাবি, দুই ভাই গ্রেপ্তার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাকি কাঁটাতার দ্রুত শেষ করতে ৪৫ দিনের আল্টিমেটাম পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক বিজিবি, বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দেওয়ার আহ্বান চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সংঘাতের নতুন অধ্যায়, ট্রাম্প-বৈঠকের আগে ‘প্রস্তুত’ বেইজিং বিদেশ ভিসা প্রক্রিয়ায় বড় স্বস্তি, ভিসা বন্ড পাঠানোর অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না: সীমান্ত ইস্যুতে কড়া বার্তা হুমায়ুন কবিরের রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র-পদ্মা সেতু-কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের ঋণের বোঝা এখন ২০ কোটি মানুষের কাঁধে: প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তেকে অভিশংসনের পক্ষে বিপুল ভোট, ২০২৮ নির্বাচনে বড় প্রভাবের আশঙ্কা

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর সিবিএসের ‘ফেস দ্য নেশন’ অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • 126

সারাক্ষণ ডেস্ক

সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান যে, লোহিত সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট। গত ১৮ মাসে হুথিরা ১৭৪ বার মার্কিন নৌবাহিনীকে এবং ১৪৫ বার বাণিজ্যিক জাহাজকে আক্রমণ করেছে। তিনি বলেন, “আমরা একদল জলদস্যুর হাতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ন্ত্রণ করতে দিতে পারি না।”

হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কতদিন চলবে?

রুবিও বলেন, “এই অভিযান চলবে যতক্ষণ না তারা এই ধরনের হামলা চালানোর সক্ষমতা হারায়।” তিনি বলেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন কেবল প্রতিশোধমূলক হামলা চালাত, কিন্তু এবার মার্কিন অভিযান হচ্ছে হুথিদের শক্তি ধ্বংস করার জন্য।

ইরান ও রাশিয়ার ভূমিকা

রুবিও জানান, হুথিদের পেছনে ইরানের সমর্থন রয়েছে। ইরান তাদের অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য এবং নির্দেশনা দিচ্ছে। রুবিও বলেন, “আমরা ইরানকে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছি—আপনারা যদি হুথিদের সহায়তা করা অব্যাহত রাখেন, তাহলে আপনাদেরও এই হামলার জন্য দায়ী করা হবে।”

আমেরিকার নতুন বাণিজ্যনীতি

রুবিও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্যনীতির মূল লক্ষ্য হলো ন্যায্যতা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “গত ৩০-৪০ বছর ধরে বৈশ্বিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বিপর্যস্ত হয়েছে। আমরা অন্য দেশগুলোকে আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায্য সুবিধা নিতে দিয়েছি।”

তিনি জানান, কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিল্প যেমন অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল, সেমিকন্ডাক্টর, এবং অটোমোবাইল উৎপাদন মার্কিন মাটিতে পুনঃস্থাপন করা হবে। ট্রাম্প প্রশাসন শুল্কনীতি পুনর্বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থরক্ষার পরিকল্পনা করছে।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

একজন বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিলের বিষয়ে রুবিও বলেন, “যে কেউ আমেরিকায় এসে সন্ত্রাসী সংগঠনের সমর্থনে কার্যক্রম চালাবে, তাকে বের করে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “আমরা মার্কিন স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য কোনো বহিরাগতকে প্রশ্রয় দেব না।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে, যা আমেরিকার নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিস্তিন, যুদ্ধ এবং নীরবতার রাজনীতি: যৌন সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে বৈশ্বিক বিবেকের সংকট

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর সিবিএসের ‘ফেস দ্য নেশন’ অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার

১০:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

সারাক্ষণ ডেস্ক

সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান যে, লোহিত সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট। গত ১৮ মাসে হুথিরা ১৭৪ বার মার্কিন নৌবাহিনীকে এবং ১৪৫ বার বাণিজ্যিক জাহাজকে আক্রমণ করেছে। তিনি বলেন, “আমরা একদল জলদস্যুর হাতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ন্ত্রণ করতে দিতে পারি না।”

হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কতদিন চলবে?

রুবিও বলেন, “এই অভিযান চলবে যতক্ষণ না তারা এই ধরনের হামলা চালানোর সক্ষমতা হারায়।” তিনি বলেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন কেবল প্রতিশোধমূলক হামলা চালাত, কিন্তু এবার মার্কিন অভিযান হচ্ছে হুথিদের শক্তি ধ্বংস করার জন্য।

ইরান ও রাশিয়ার ভূমিকা

রুবিও জানান, হুথিদের পেছনে ইরানের সমর্থন রয়েছে। ইরান তাদের অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য এবং নির্দেশনা দিচ্ছে। রুবিও বলেন, “আমরা ইরানকে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছি—আপনারা যদি হুথিদের সহায়তা করা অব্যাহত রাখেন, তাহলে আপনাদেরও এই হামলার জন্য দায়ী করা হবে।”

আমেরিকার নতুন বাণিজ্যনীতি

রুবিও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্যনীতির মূল লক্ষ্য হলো ন্যায্যতা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “গত ৩০-৪০ বছর ধরে বৈশ্বিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বিপর্যস্ত হয়েছে। আমরা অন্য দেশগুলোকে আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায্য সুবিধা নিতে দিয়েছি।”

তিনি জানান, কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিল্প যেমন অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল, সেমিকন্ডাক্টর, এবং অটোমোবাইল উৎপাদন মার্কিন মাটিতে পুনঃস্থাপন করা হবে। ট্রাম্প প্রশাসন শুল্কনীতি পুনর্বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থরক্ষার পরিকল্পনা করছে।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

একজন বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিলের বিষয়ে রুবিও বলেন, “যে কেউ আমেরিকায় এসে সন্ত্রাসী সংগঠনের সমর্থনে কার্যক্রম চালাবে, তাকে বের করে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “আমরা মার্কিন স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য কোনো বহিরাগতকে প্রশ্রয় দেব না।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে, যা আমেরিকার নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক হবে।