০৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
ডিআরএসে সেরা কে, বাঁহাতিরাই কি ভালো ব্যাটার—ক্রিকেটের নানা প্রশ্নের উত্তর ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত, শান্তি-ন্যায় ও মানবতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জিয়া ইউসুফের বিতর্কিত আচরণ: আবেগ নয়, রিফর্ম ইউকের কৌশলগত রাজনীতি? হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫০ ডলি পার্টন: শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিই সত্যি হলো খাবারের রায় কার ওপর ভরসা করবেন—খাদ্যপ্রভাবক নাকি পেশাদার সমালোচক? ডলি পার্টনের মৃত্যু, ৮০ বছরেই থামল কিংবদন্তি সংগীতজীবন এ৬৬ সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত: সংঘবদ্ধ অপরাধের তদন্তে ১২ জন গ্রেপ্তার ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব, অন্টারিও হ্রদের নাম হতে পারে ‘আমেরিকা হ্রদ’ ডেভনে বন্ধ টাংস্টেন খনি ফের চালু করতে ৭১ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ ব্রিটিশ সরকারের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • 242

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চাষের মধ্যে চাল গম প্রচুর, আদা, সর্ষে, তরমুজ, কুমড়ো ইত্যাদি। পিয়াজ রসুন বেশী লোকে খায় না। কেউ খেলে তাকে শহরের বাইরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সাধারণ খাদ্য হচ্ছে দুধ, মাখন, সর, ভুরা চিনি, মিছরি, পিঠা, চিড়া, সর্ষের তেল। মাছ, ভেড়া, ছাগলের মাংস, মুগ মাংস সাধারণত তাজা, কখনো বা মুন দেওয়া, খাওয়া হয়।

ষাঁড়, গাধা, হাতি, ঘোড়া, শূকর, কুকুর, নেকড়ে, সিংহ, বাঁদর আর লোমওয়ালা সব জন্তুর মাংস নিষিদ্ধ। এসব যারা খায় তাদের সকলে ঘৃণা করে; তারা শহরের বাইরে থাকে।

মদ অনেক রকমের। ক্ষত্রিয়রা আঙুর আর আঁখের রসের মদ পান করে, বৈশরা জোরালো মদ পান করে। শ্রমণরা আর ব্রাহ্মণরা আঙুর আর আঁখের এক রকম রস পান করে, কিন্তু এ রস গাঁজিয়ে তোলা (fermented) নয়।

বাসন সব রকমই আছে। বেশির ভাগ মাটির। লাল তামার বাসন কদাচিৎ ব্যবহার হয়। এক থালায় সব খাদ্য মেখে নিয়ে হাত দিয়ে খাওয়া হয়। সাধারণত চামচ বা বাটি ব্যবহার হয় না আর কোনো রকম খাবার কাঠি (chopsticks) নেই। তবে অসুস্থ হলে এরা তামার চামচ ব্যবহার করে।

সোনা, রূপা, কাঁসা, স্ফটিক, মুক্তা এদেশে প্রচুর উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে জহরৎ, জিনিসের বিনিময়ে, সংগ্রহ করা হয়। দেশের মধ্যে বেচাকেনায় সোনা বা রুপার মুদ্রা, কড়ি আর ছোট ছোট মুক্তা ব্যবহার হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিআরএসে সেরা কে, বাঁহাতিরাই কি ভালো ব্যাটার—ক্রিকেটের নানা প্রশ্নের উত্তর

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৪)

০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চাষের মধ্যে চাল গম প্রচুর, আদা, সর্ষে, তরমুজ, কুমড়ো ইত্যাদি। পিয়াজ রসুন বেশী লোকে খায় না। কেউ খেলে তাকে শহরের বাইরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সাধারণ খাদ্য হচ্ছে দুধ, মাখন, সর, ভুরা চিনি, মিছরি, পিঠা, চিড়া, সর্ষের তেল। মাছ, ভেড়া, ছাগলের মাংস, মুগ মাংস সাধারণত তাজা, কখনো বা মুন দেওয়া, খাওয়া হয়।

ষাঁড়, গাধা, হাতি, ঘোড়া, শূকর, কুকুর, নেকড়ে, সিংহ, বাঁদর আর লোমওয়ালা সব জন্তুর মাংস নিষিদ্ধ। এসব যারা খায় তাদের সকলে ঘৃণা করে; তারা শহরের বাইরে থাকে।

মদ অনেক রকমের। ক্ষত্রিয়রা আঙুর আর আঁখের রসের মদ পান করে, বৈশরা জোরালো মদ পান করে। শ্রমণরা আর ব্রাহ্মণরা আঙুর আর আঁখের এক রকম রস পান করে, কিন্তু এ রস গাঁজিয়ে তোলা (fermented) নয়।

বাসন সব রকমই আছে। বেশির ভাগ মাটির। লাল তামার বাসন কদাচিৎ ব্যবহার হয়। এক থালায় সব খাদ্য মেখে নিয়ে হাত দিয়ে খাওয়া হয়। সাধারণত চামচ বা বাটি ব্যবহার হয় না আর কোনো রকম খাবার কাঠি (chopsticks) নেই। তবে অসুস্থ হলে এরা তামার চামচ ব্যবহার করে।

সোনা, রূপা, কাঁসা, স্ফটিক, মুক্তা এদেশে প্রচুর উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে জহরৎ, জিনিসের বিনিময়ে, সংগ্রহ করা হয়। দেশের মধ্যে বেচাকেনায় সোনা বা রুপার মুদ্রা, কড়ি আর ছোট ছোট মুক্তা ব্যবহার হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)