০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায় বাংলাদেশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর সীমান্তে সতর্ক বিজিবি, ‘পুশ-ইন’ ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি বক্স অফিসের নায়ক থেকে তামিল রাজনীতির বিস্ময়, কীভাবে ‘থালাপতি’ বিজয় বদলে দিলেন তামিলনাড়ুর সমীকরণ ক্রেনশর পথ ও “আন্তঃসংযোগ”-এর জন্ম চীনা কোম্পানির বৈশ্বিক আয় রেকর্ডে, শীর্ষে ফক্সকন ও বিওয়াইডি ভারসাম্যের কূটনীতিতে ভারত-ভিয়েতনাম ঘনিষ্ঠতা, সুপারপাওয়ার নির্ভরতা কমানোর বার্তা চিপ জুয়ার ধস: এআই বুমের মাঝেই শেনজেনের ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি ইউয়ান গায়েব মধ্যবিত্ত পৃথিবীর শেষ আশ্রয়: বারো বছরের কিশোরীরা কেন এখনও ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে চীনের ক্ষোভ, ৮০ বছর পর বিদেশে ‘অফেনসিভ’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল জাপান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • 211

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চাষের মধ্যে চাল গম প্রচুর, আদা, সর্ষে, তরমুজ, কুমড়ো ইত্যাদি। পিয়াজ রসুন বেশী লোকে খায় না। কেউ খেলে তাকে শহরের বাইরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সাধারণ খাদ্য হচ্ছে দুধ, মাখন, সর, ভুরা চিনি, মিছরি, পিঠা, চিড়া, সর্ষের তেল। মাছ, ভেড়া, ছাগলের মাংস, মুগ মাংস সাধারণত তাজা, কখনো বা মুন দেওয়া, খাওয়া হয়।

ষাঁড়, গাধা, হাতি, ঘোড়া, শূকর, কুকুর, নেকড়ে, সিংহ, বাঁদর আর লোমওয়ালা সব জন্তুর মাংস নিষিদ্ধ। এসব যারা খায় তাদের সকলে ঘৃণা করে; তারা শহরের বাইরে থাকে।

মদ অনেক রকমের। ক্ষত্রিয়রা আঙুর আর আঁখের রসের মদ পান করে, বৈশরা জোরালো মদ পান করে। শ্রমণরা আর ব্রাহ্মণরা আঙুর আর আঁখের এক রকম রস পান করে, কিন্তু এ রস গাঁজিয়ে তোলা (fermented) নয়।

বাসন সব রকমই আছে। বেশির ভাগ মাটির। লাল তামার বাসন কদাচিৎ ব্যবহার হয়। এক থালায় সব খাদ্য মেখে নিয়ে হাত দিয়ে খাওয়া হয়। সাধারণত চামচ বা বাটি ব্যবহার হয় না আর কোনো রকম খাবার কাঠি (chopsticks) নেই। তবে অসুস্থ হলে এরা তামার চামচ ব্যবহার করে।

সোনা, রূপা, কাঁসা, স্ফটিক, মুক্তা এদেশে প্রচুর উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে জহরৎ, জিনিসের বিনিময়ে, সংগ্রহ করা হয়। দেশের মধ্যে বেচাকেনায় সোনা বা রুপার মুদ্রা, কড়ি আর ছোট ছোট মুক্তা ব্যবহার হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায়

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৪)

০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

চাষের মধ্যে চাল গম প্রচুর, আদা, সর্ষে, তরমুজ, কুমড়ো ইত্যাদি। পিয়াজ রসুন বেশী লোকে খায় না। কেউ খেলে তাকে শহরের বাইরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সাধারণ খাদ্য হচ্ছে দুধ, মাখন, সর, ভুরা চিনি, মিছরি, পিঠা, চিড়া, সর্ষের তেল। মাছ, ভেড়া, ছাগলের মাংস, মুগ মাংস সাধারণত তাজা, কখনো বা মুন দেওয়া, খাওয়া হয়।

ষাঁড়, গাধা, হাতি, ঘোড়া, শূকর, কুকুর, নেকড়ে, সিংহ, বাঁদর আর লোমওয়ালা সব জন্তুর মাংস নিষিদ্ধ। এসব যারা খায় তাদের সকলে ঘৃণা করে; তারা শহরের বাইরে থাকে।

মদ অনেক রকমের। ক্ষত্রিয়রা আঙুর আর আঁখের রসের মদ পান করে, বৈশরা জোরালো মদ পান করে। শ্রমণরা আর ব্রাহ্মণরা আঙুর আর আঁখের এক রকম রস পান করে, কিন্তু এ রস গাঁজিয়ে তোলা (fermented) নয়।

বাসন সব রকমই আছে। বেশির ভাগ মাটির। লাল তামার বাসন কদাচিৎ ব্যবহার হয়। এক থালায় সব খাদ্য মেখে নিয়ে হাত দিয়ে খাওয়া হয়। সাধারণত চামচ বা বাটি ব্যবহার হয় না আর কোনো রকম খাবার কাঠি (chopsticks) নেই। তবে অসুস্থ হলে এরা তামার চামচ ব্যবহার করে।

সোনা, রূপা, কাঁসা, স্ফটিক, মুক্তা এদেশে প্রচুর উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে জহরৎ, জিনিসের বিনিময়ে, সংগ্রহ করা হয়। দেশের মধ্যে বেচাকেনায় সোনা বা রুপার মুদ্রা, কড়ি আর ছোট ছোট মুক্তা ব্যবহার হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৩)