১০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • 144

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

নগরহার থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে একটা গুহা ছিল, যেখানে বুদ্ধ নাগরাজ গোপালকে পরাজয় ক’রে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছিলেন। ধর্মগুরু এটা দেখবার ইচ্ছা করলেন।

এই গুহায় যাওয়া বিপজ্জনক ছিল। পথে নৃশংস দস্থ্যর হাতে প্রাণহানির ভয় ছিল। সঙ্গীরা বৃথাই হিউএনচাঙকে নিরস্ত করতে চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, ‘লক্ষ কল্পেও একবার বুদ্ধের ছায়া দর্শন দুর্লভ। এতদূর এসে এ না দেখে কি আমি থাকতে পারি? আপনারা আস্তে আস্তে অগ্রসর হোন। আমি শীঘ্রই ফিরে আসছি।’

পথে কেবল এক বৃদ্ধ তাঁর পথপ্রদর্শক হতে রাজী হয়। অল্প কিছু দূর যাবার পর পাঁচ জন দন্য খড়গহস্তে পথরোধ করল। ধর্মগুরু মাথার টুপিখুলে তাঁর তীর্থযাত্রীর পরিচ্ছদ দেখালেন। একজন দস্য বললে, ‘গুরুদেব! আপনি কোথায় যাবেন?’

ধর্মগুরু উত্তর দিলেন, ‘আমি বুদ্ধের ছায়া দর্শন আর পূজা করতে যেতে চাই।’ দস্থ্য বলল, ‘শোনেন নি কি যে এদিকে দস্যুভয় আছে?’ সাধু জবাব দিলেন, ‘দস্যরাও তো মানুষই। আমি বুদ্ধের আরাধনা করতে যাচ্ছি। পথে যদি হিংস্র পশুও থাকে, তবু আমি নির্ভয়ে যাব। তোমাদের তো কথাই নেই। তোমাদের মনে তো দয়ার বৃত্তি আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬১)

০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

নগরহার থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে একটা গুহা ছিল, যেখানে বুদ্ধ নাগরাজ গোপালকে পরাজয় ক’রে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছিলেন। ধর্মগুরু এটা দেখবার ইচ্ছা করলেন।

এই গুহায় যাওয়া বিপজ্জনক ছিল। পথে নৃশংস দস্থ্যর হাতে প্রাণহানির ভয় ছিল। সঙ্গীরা বৃথাই হিউএনচাঙকে নিরস্ত করতে চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, ‘লক্ষ কল্পেও একবার বুদ্ধের ছায়া দর্শন দুর্লভ। এতদূর এসে এ না দেখে কি আমি থাকতে পারি? আপনারা আস্তে আস্তে অগ্রসর হোন। আমি শীঘ্রই ফিরে আসছি।’

পথে কেবল এক বৃদ্ধ তাঁর পথপ্রদর্শক হতে রাজী হয়। অল্প কিছু দূর যাবার পর পাঁচ জন দন্য খড়গহস্তে পথরোধ করল। ধর্মগুরু মাথার টুপিখুলে তাঁর তীর্থযাত্রীর পরিচ্ছদ দেখালেন। একজন দস্য বললে, ‘গুরুদেব! আপনি কোথায় যাবেন?’

ধর্মগুরু উত্তর দিলেন, ‘আমি বুদ্ধের ছায়া দর্শন আর পূজা করতে যেতে চাই।’ দস্থ্য বলল, ‘শোনেন নি কি যে এদিকে দস্যুভয় আছে?’ সাধু জবাব দিলেন, ‘দস্যরাও তো মানুষই। আমি বুদ্ধের আরাধনা করতে যাচ্ছি। পথে যদি হিংস্র পশুও থাকে, তবু আমি নির্ভয়ে যাব। তোমাদের তো কথাই নেই। তোমাদের মনে তো দয়ার বৃত্তি আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)