০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • 158

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

নগরহার থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে একটা গুহা ছিল, যেখানে বুদ্ধ নাগরাজ গোপালকে পরাজয় ক’রে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছিলেন। ধর্মগুরু এটা দেখবার ইচ্ছা করলেন।

এই গুহায় যাওয়া বিপজ্জনক ছিল। পথে নৃশংস দস্থ্যর হাতে প্রাণহানির ভয় ছিল। সঙ্গীরা বৃথাই হিউএনচাঙকে নিরস্ত করতে চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, ‘লক্ষ কল্পেও একবার বুদ্ধের ছায়া দর্শন দুর্লভ। এতদূর এসে এ না দেখে কি আমি থাকতে পারি? আপনারা আস্তে আস্তে অগ্রসর হোন। আমি শীঘ্রই ফিরে আসছি।’

পথে কেবল এক বৃদ্ধ তাঁর পথপ্রদর্শক হতে রাজী হয়। অল্প কিছু দূর যাবার পর পাঁচ জন দন্য খড়গহস্তে পথরোধ করল। ধর্মগুরু মাথার টুপিখুলে তাঁর তীর্থযাত্রীর পরিচ্ছদ দেখালেন। একজন দস্য বললে, ‘গুরুদেব! আপনি কোথায় যাবেন?’

ধর্মগুরু উত্তর দিলেন, ‘আমি বুদ্ধের ছায়া দর্শন আর পূজা করতে যেতে চাই।’ দস্থ্য বলল, ‘শোনেন নি কি যে এদিকে দস্যুভয় আছে?’ সাধু জবাব দিলেন, ‘দস্যরাও তো মানুষই। আমি বুদ্ধের আরাধনা করতে যাচ্ছি। পথে যদি হিংস্র পশুও থাকে, তবু আমি নির্ভয়ে যাব। তোমাদের তো কথাই নেই। তোমাদের মনে তো দয়ার বৃত্তি আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬১)

০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

নগরহার থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে একটা গুহা ছিল, যেখানে বুদ্ধ নাগরাজ গোপালকে পরাজয় ক’রে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছিলেন। ধর্মগুরু এটা দেখবার ইচ্ছা করলেন।

এই গুহায় যাওয়া বিপজ্জনক ছিল। পথে নৃশংস দস্থ্যর হাতে প্রাণহানির ভয় ছিল। সঙ্গীরা বৃথাই হিউএনচাঙকে নিরস্ত করতে চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, ‘লক্ষ কল্পেও একবার বুদ্ধের ছায়া দর্শন দুর্লভ। এতদূর এসে এ না দেখে কি আমি থাকতে পারি? আপনারা আস্তে আস্তে অগ্রসর হোন। আমি শীঘ্রই ফিরে আসছি।’

পথে কেবল এক বৃদ্ধ তাঁর পথপ্রদর্শক হতে রাজী হয়। অল্প কিছু দূর যাবার পর পাঁচ জন দন্য খড়গহস্তে পথরোধ করল। ধর্মগুরু মাথার টুপিখুলে তাঁর তীর্থযাত্রীর পরিচ্ছদ দেখালেন। একজন দস্য বললে, ‘গুরুদেব! আপনি কোথায় যাবেন?’

ধর্মগুরু উত্তর দিলেন, ‘আমি বুদ্ধের ছায়া দর্শন আর পূজা করতে যেতে চাই।’ দস্থ্য বলল, ‘শোনেন নি কি যে এদিকে দস্যুভয় আছে?’ সাধু জবাব দিলেন, ‘দস্যরাও তো মানুষই। আমি বুদ্ধের আরাধনা করতে যাচ্ছি। পথে যদি হিংস্র পশুও থাকে, তবু আমি নির্ভয়ে যাব। তোমাদের তো কথাই নেই। তোমাদের মনে তো দয়ার বৃত্তি আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)