১২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • 126

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

নগরহার থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে একটা গুহা ছিল, যেখানে বুদ্ধ নাগরাজ গোপালকে পরাজয় ক’রে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছিলেন। ধর্মগুরু এটা দেখবার ইচ্ছা করলেন।

এই গুহায় যাওয়া বিপজ্জনক ছিল। পথে নৃশংস দস্থ্যর হাতে প্রাণহানির ভয় ছিল। সঙ্গীরা বৃথাই হিউএনচাঙকে নিরস্ত করতে চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, ‘লক্ষ কল্পেও একবার বুদ্ধের ছায়া দর্শন দুর্লভ। এতদূর এসে এ না দেখে কি আমি থাকতে পারি? আপনারা আস্তে আস্তে অগ্রসর হোন। আমি শীঘ্রই ফিরে আসছি।’

পথে কেবল এক বৃদ্ধ তাঁর পথপ্রদর্শক হতে রাজী হয়। অল্প কিছু দূর যাবার পর পাঁচ জন দন্য খড়গহস্তে পথরোধ করল। ধর্মগুরু মাথার টুপিখুলে তাঁর তীর্থযাত্রীর পরিচ্ছদ দেখালেন। একজন দস্য বললে, ‘গুরুদেব! আপনি কোথায় যাবেন?’

ধর্মগুরু উত্তর দিলেন, ‘আমি বুদ্ধের ছায়া দর্শন আর পূজা করতে যেতে চাই।’ দস্থ্য বলল, ‘শোনেন নি কি যে এদিকে দস্যুভয় আছে?’ সাধু জবাব দিলেন, ‘দস্যরাও তো মানুষই। আমি বুদ্ধের আরাধনা করতে যাচ্ছি। পথে যদি হিংস্র পশুও থাকে, তবু আমি নির্ভয়ে যাব। তোমাদের তো কথাই নেই। তোমাদের মনে তো দয়ার বৃত্তি আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

 

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬১)

০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

নগরহার থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে একটা গুহা ছিল, যেখানে বুদ্ধ নাগরাজ গোপালকে পরাজয় ক’রে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছিলেন। ধর্মগুরু এটা দেখবার ইচ্ছা করলেন।

এই গুহায় যাওয়া বিপজ্জনক ছিল। পথে নৃশংস দস্থ্যর হাতে প্রাণহানির ভয় ছিল। সঙ্গীরা বৃথাই হিউএনচাঙকে নিরস্ত করতে চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, ‘লক্ষ কল্পেও একবার বুদ্ধের ছায়া দর্শন দুর্লভ। এতদূর এসে এ না দেখে কি আমি থাকতে পারি? আপনারা আস্তে আস্তে অগ্রসর হোন। আমি শীঘ্রই ফিরে আসছি।’

পথে কেবল এক বৃদ্ধ তাঁর পথপ্রদর্শক হতে রাজী হয়। অল্প কিছু দূর যাবার পর পাঁচ জন দন্য খড়গহস্তে পথরোধ করল। ধর্মগুরু মাথার টুপিখুলে তাঁর তীর্থযাত্রীর পরিচ্ছদ দেখালেন। একজন দস্য বললে, ‘গুরুদেব! আপনি কোথায় যাবেন?’

ধর্মগুরু উত্তর দিলেন, ‘আমি বুদ্ধের ছায়া দর্শন আর পূজা করতে যেতে চাই।’ দস্থ্য বলল, ‘শোনেন নি কি যে এদিকে দস্যুভয় আছে?’ সাধু জবাব দিলেন, ‘দস্যরাও তো মানুষই। আমি বুদ্ধের আরাধনা করতে যাচ্ছি। পথে যদি হিংস্র পশুও থাকে, তবু আমি নির্ভয়ে যাব। তোমাদের তো কথাই নেই। তোমাদের মনে তো দয়ার বৃত্তি আছে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)