০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • 120

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এ পর্যন্ত হিউএনচাঙ হীনযানীদের দেশের ভিতর দিয়ে আসছিলেন। এখানে মহাযানীদের সাহচর্য পেয়ে আনন্দ বোধ করলেন। স্বয়ং রাজা ছিলেন উৎসাহী মহাযানী। এই সময়ে তিনি নানা মতের পণ্ডিতদের এক বিচারসভা আহ্বান করেছিলেন।

সে সভা পাঁচ দিন চলেছিল। হিউএনচাঙ আর প্রজ্ঞাকারকে রাজা এ সভায় যোগ দিতে অনুরোধ করেছিলেন। সভাভঙ্গের পর রাজা সকলকেই দক্ষিণা দিয়েছিলেন।

প্রজ্ঞাকার এখান থেকে ফিরে গেলেন। হিউএনচাঙ গ্রীষ্মকালটা ঐ সঙ্ঘারামে কাটিয়ে আবার পুব দিকে চললেন। কাবুল নদীর দক্ষিণ তীর ধ’রে নগরহারে (জালালাবাদ) এলেন। এদেশ সম্বন্ধে তিনি বলেন, এখানে প্রচুর শস্য, ফুলফল হয়। আবহাওয়া আর্দ্র, গরম। লোকগুলি সং, সরল, সাহসী, বিদ্যার আদর করে, ধনের আদর করে না। বহু সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু ভিক্ষুর সংখ্যা কম।

স্তূপগুলির ভগ্নাবস্থা। পাঁচটি দেবমন্দির আর আন্দাজ এক শত বিধর্মী (অ-বৌদ্ধ) আছে। নগরের চারিদিকেই তৃণদের দ্বারা ধ্বংস করা বহু সঙ্ঘারাম দেখা গেল। অশোকনির্মিত একটি প্রকাণ্ড স্তূপ ছিল। এইখানেই বুদ্ধ এক পূর্বজন্মে সে সময়কার বুদ্ধ দীপঙ্করের সাক্ষাৎ ও আশীর্বাদ লাভ করেন। নগরহাবের কাছে হিড ডা নগরে বুদ্ধের মাথার খুলি একটি স্তূপে রাখা ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

 

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এ পর্যন্ত হিউএনচাঙ হীনযানীদের দেশের ভিতর দিয়ে আসছিলেন। এখানে মহাযানীদের সাহচর্য পেয়ে আনন্দ বোধ করলেন। স্বয়ং রাজা ছিলেন উৎসাহী মহাযানী। এই সময়ে তিনি নানা মতের পণ্ডিতদের এক বিচারসভা আহ্বান করেছিলেন।

সে সভা পাঁচ দিন চলেছিল। হিউএনচাঙ আর প্রজ্ঞাকারকে রাজা এ সভায় যোগ দিতে অনুরোধ করেছিলেন। সভাভঙ্গের পর রাজা সকলকেই দক্ষিণা দিয়েছিলেন।

প্রজ্ঞাকার এখান থেকে ফিরে গেলেন। হিউএনচাঙ গ্রীষ্মকালটা ঐ সঙ্ঘারামে কাটিয়ে আবার পুব দিকে চললেন। কাবুল নদীর দক্ষিণ তীর ধ’রে নগরহারে (জালালাবাদ) এলেন। এদেশ সম্বন্ধে তিনি বলেন, এখানে প্রচুর শস্য, ফুলফল হয়। আবহাওয়া আর্দ্র, গরম। লোকগুলি সং, সরল, সাহসী, বিদ্যার আদর করে, ধনের আদর করে না। বহু সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু ভিক্ষুর সংখ্যা কম।

স্তূপগুলির ভগ্নাবস্থা। পাঁচটি দেবমন্দির আর আন্দাজ এক শত বিধর্মী (অ-বৌদ্ধ) আছে। নগরের চারিদিকেই তৃণদের দ্বারা ধ্বংস করা বহু সঙ্ঘারাম দেখা গেল। অশোকনির্মিত একটি প্রকাণ্ড স্তূপ ছিল। এইখানেই বুদ্ধ এক পূর্বজন্মে সে সময়কার বুদ্ধ দীপঙ্করের সাক্ষাৎ ও আশীর্বাদ লাভ করেন। নগরহাবের কাছে হিড ডা নগরে বুদ্ধের মাথার খুলি একটি স্তূপে রাখা ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)