০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
উপকূলের পানিতে লবণাক্ততা, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি যুদ্ধের ছয় মাসে যুদ্ধকবলিত দেশ থেকেই আসছে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক তেল দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনার মধ্যে ড্রোন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ফিলিপাইন জেমি ডিমন ও স্ত্রীর ১২ মিলিয়ন ডলারের অনুদান, অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে ১২ কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় মোজাম্বিকে সাগরে নিখোঁজ চার জেলে, জঙ্গিদের অপহরণের আশঙ্কা ইরান যুদ্ধ জিতেও কৌশলগতভাবে কি হেরে গেলেন নেতানিয়াহু? সেউতায় অভিবাসীদের ঢল, ৭২ জনের মৃত্যু; দ্রুত ফেরত পাঠানোর অভিযোগ প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা অন্তর্বর্তী উপবাসের উপকারিতা কি অতিরঞ্জিত? রাশিয়া-যুক্তরাজ্য কি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে? কূটনীতি সরে গেলে যে বিপদ বাড়ে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • 155

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এ পর্যন্ত হিউএনচাঙ হীনযানীদের দেশের ভিতর দিয়ে আসছিলেন। এখানে মহাযানীদের সাহচর্য পেয়ে আনন্দ বোধ করলেন। স্বয়ং রাজা ছিলেন উৎসাহী মহাযানী। এই সময়ে তিনি নানা মতের পণ্ডিতদের এক বিচারসভা আহ্বান করেছিলেন।

সে সভা পাঁচ দিন চলেছিল। হিউএনচাঙ আর প্রজ্ঞাকারকে রাজা এ সভায় যোগ দিতে অনুরোধ করেছিলেন। সভাভঙ্গের পর রাজা সকলকেই দক্ষিণা দিয়েছিলেন।

প্রজ্ঞাকার এখান থেকে ফিরে গেলেন। হিউএনচাঙ গ্রীষ্মকালটা ঐ সঙ্ঘারামে কাটিয়ে আবার পুব দিকে চললেন। কাবুল নদীর দক্ষিণ তীর ধ’রে নগরহারে (জালালাবাদ) এলেন। এদেশ সম্বন্ধে তিনি বলেন, এখানে প্রচুর শস্য, ফুলফল হয়। আবহাওয়া আর্দ্র, গরম। লোকগুলি সং, সরল, সাহসী, বিদ্যার আদর করে, ধনের আদর করে না। বহু সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু ভিক্ষুর সংখ্যা কম।

স্তূপগুলির ভগ্নাবস্থা। পাঁচটি দেবমন্দির আর আন্দাজ এক শত বিধর্মী (অ-বৌদ্ধ) আছে। নগরের চারিদিকেই তৃণদের দ্বারা ধ্বংস করা বহু সঙ্ঘারাম দেখা গেল। অশোকনির্মিত একটি প্রকাণ্ড স্তূপ ছিল। এইখানেই বুদ্ধ এক পূর্বজন্মে সে সময়কার বুদ্ধ দীপঙ্করের সাক্ষাৎ ও আশীর্বাদ লাভ করেন। নগরহাবের কাছে হিড ডা নগরে বুদ্ধের মাথার খুলি একটি স্তূপে রাখা ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

উপকূলের পানিতে লবণাক্ততা, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬০)

০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এ পর্যন্ত হিউএনচাঙ হীনযানীদের দেশের ভিতর দিয়ে আসছিলেন। এখানে মহাযানীদের সাহচর্য পেয়ে আনন্দ বোধ করলেন। স্বয়ং রাজা ছিলেন উৎসাহী মহাযানী। এই সময়ে তিনি নানা মতের পণ্ডিতদের এক বিচারসভা আহ্বান করেছিলেন।

সে সভা পাঁচ দিন চলেছিল। হিউএনচাঙ আর প্রজ্ঞাকারকে রাজা এ সভায় যোগ দিতে অনুরোধ করেছিলেন। সভাভঙ্গের পর রাজা সকলকেই দক্ষিণা দিয়েছিলেন।

প্রজ্ঞাকার এখান থেকে ফিরে গেলেন। হিউএনচাঙ গ্রীষ্মকালটা ঐ সঙ্ঘারামে কাটিয়ে আবার পুব দিকে চললেন। কাবুল নদীর দক্ষিণ তীর ধ’রে নগরহারে (জালালাবাদ) এলেন। এদেশ সম্বন্ধে তিনি বলেন, এখানে প্রচুর শস্য, ফুলফল হয়। আবহাওয়া আর্দ্র, গরম। লোকগুলি সং, সরল, সাহসী, বিদ্যার আদর করে, ধনের আদর করে না। বহু সঙ্ঘারাম আছে, কিন্তু ভিক্ষুর সংখ্যা কম।

স্তূপগুলির ভগ্নাবস্থা। পাঁচটি দেবমন্দির আর আন্দাজ এক শত বিধর্মী (অ-বৌদ্ধ) আছে। নগরের চারিদিকেই তৃণদের দ্বারা ধ্বংস করা বহু সঙ্ঘারাম দেখা গেল। অশোকনির্মিত একটি প্রকাণ্ড স্তূপ ছিল। এইখানেই বুদ্ধ এক পূর্বজন্মে সে সময়কার বুদ্ধ দীপঙ্করের সাক্ষাৎ ও আশীর্বাদ লাভ করেন। নগরহাবের কাছে হিড ডা নগরে বুদ্ধের মাথার খুলি একটি স্তূপে রাখা ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)