১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
ইউরোপের প্রতিরোধ: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারি পরিকল্পনায় বাধা যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধ দুই থেকে তিন সপ্তাহে শেষ হতে পারে — ট্রাম্পের দাবি উইলি ওয়ালশকে ইন্ডিগোর নতুন সিইও: আন্তর্জাতিক প্রসারে নতুন দিগন্ত হোন্ডার নতুন প্রযুক্তি রাস্তাঘাটে রূপান্তর করবে মরুভূমির বালি ভারতীয় জ্বালানি সহায়তায় দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী সহযোগিতা বাড়ছে মালয়েশিয়ার অর্থনীতি যুদ্ধ মোকাবিলায় শক্তিশালী অবস্থানে নাজিবের ১.৩ বিলিয়ন ডলার ফেরতের আদেশ: মালয়েশিয়ার আদালতের কঠোর রায় ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রিমোট ওয়ার্ক ও বায়োডিজেলের বিশাল পদক্ষেপ ফ্রান্সে ব্যাটারি শিল্পে নতুন দিগন্ত, তাইওয়ানের বিনিয়োগ আকর্ষণে মনোযোগ খাগড়াছড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামীকে ঘিরে পরিবারের অভিযোগ

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৩১)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • 162

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

ও’দের কথাবার্তা কিছু, কিছু কানে আসছিল আমার:

‘এগিয়ে গিয়ে খাদটা এটু পরখ করি দেখা দরকার।’

‘ঘোড়সওয়ার লিয়ে?’

‘না-না, তাইলে নজর কাড়বে বড় বেশি। সুখারেভ-ভাই, তিনজন স্কাউট পাঠিয়ে দাও বরং।’

‘কাজটার ভার তোমার ওপর দেলাম কিন্তু, চুবুক,’ আধা-প্রশ্নের ঢঙে কম্যান্ডার কথাগুলো বললেন। ‘শাকভরে সঙ্গে নেও আর নির্ভর করতে পার এমন আর কাউকে নেও।’

‘চুবুক, আমায় নিন,’ আমি চুপিচুপি বললুম, ‘আমার ওপর যথেষ্ট নির্ভর করতে পারবেন।’

এদিকে সুখারেভ পরামর্শ দিলেন, ‘সিম্ঙ্কা গর্ঙ্কভরে নেও বরং।’

‘আমায়, আমায়, চুবুক,’ আবার আমি ফিসফিসিয়ে বললুম। ‘আমায় সঙ্গে নিন। আমার চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য কেউ হবে না।’

‘হাহা,’ ঘাড় নেড়ে চুবুক বললেন।

লাফিয়ে উঠলুম। প্রায় চে’চিয়েই ফেলতুম আর একটু হলে। এমন একটা গরেতের কাজে ওঁরা আমায় সঙ্গে নেবেন এ আমার ধারণারও বাইকে ছিল। কাতুজের থলিটা বেধে নিয়ে আমি রাইফেলটা কাঁধে ঝুলিয়ে ফেললুম। কিন্তু সুখারেভের সন্দেহ-ভরা চোখের দিকে তাকিয়ে আমায় থামতে হল।

চুবুককে উনি বললেন, ‘ওরে আবার সঙ্গে লিচ্চ কেন? ওরে দিয়ে কি কাজ চলবে? কাজ পণ্ড করি দেবে অখন। তার চেয়ে সিম কারে নেও।’

অন্যমনস্কভাবে দেশালাই জেলে সিগারেট ধরাতে-ধরাতে চুবুকে শুধোলেন, ‘সিমকারে?’

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের প্রতিরোধ: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারি পরিকল্পনায় বাধা

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৩১)

০৮:০০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

ও’দের কথাবার্তা কিছু, কিছু কানে আসছিল আমার:

‘এগিয়ে গিয়ে খাদটা এটু পরখ করি দেখা দরকার।’

‘ঘোড়সওয়ার লিয়ে?’

‘না-না, তাইলে নজর কাড়বে বড় বেশি। সুখারেভ-ভাই, তিনজন স্কাউট পাঠিয়ে দাও বরং।’

‘কাজটার ভার তোমার ওপর দেলাম কিন্তু, চুবুক,’ আধা-প্রশ্নের ঢঙে কম্যান্ডার কথাগুলো বললেন। ‘শাকভরে সঙ্গে নেও আর নির্ভর করতে পার এমন আর কাউকে নেও।’

‘চুবুক, আমায় নিন,’ আমি চুপিচুপি বললুম, ‘আমার ওপর যথেষ্ট নির্ভর করতে পারবেন।’

এদিকে সুখারেভ পরামর্শ দিলেন, ‘সিম্ঙ্কা গর্ঙ্কভরে নেও বরং।’

‘আমায়, আমায়, চুবুক,’ আবার আমি ফিসফিসিয়ে বললুম। ‘আমায় সঙ্গে নিন। আমার চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য কেউ হবে না।’

‘হাহা,’ ঘাড় নেড়ে চুবুক বললেন।

লাফিয়ে উঠলুম। প্রায় চে’চিয়েই ফেলতুম আর একটু হলে। এমন একটা গরেতের কাজে ওঁরা আমায় সঙ্গে নেবেন এ আমার ধারণারও বাইকে ছিল। কাতুজের থলিটা বেধে নিয়ে আমি রাইফেলটা কাঁধে ঝুলিয়ে ফেললুম। কিন্তু সুখারেভের সন্দেহ-ভরা চোখের দিকে তাকিয়ে আমায় থামতে হল।

চুবুককে উনি বললেন, ‘ওরে আবার সঙ্গে লিচ্চ কেন? ওরে দিয়ে কি কাজ চলবে? কাজ পণ্ড করি দেবে অখন। তার চেয়ে সিম কারে নেও।’

অন্যমনস্কভাবে দেশালাই জেলে সিগারেট ধরাতে-ধরাতে চুবুকে শুধোলেন, ‘সিমকারে?’