০৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬
ঘন কুয়াশার পর পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধীরগতি, ২০২৫ সালে বাড়ছে সমালোচনা ভারতের পেনশন খাতে বড় মোড়, ব্যাংক পাবে তহবিল ব্যবস্থাপনার অনুমতি এশীয় রান্নাঘরের আট অপরিহার্য সস, স্বাদের গভীরে ইতিহাসের ছোঁয়া উচ্চ অ্যাপার্টমেন্টের গল্প ভবিষ্যতের হাঁটু সুরক্ষায় আজই প্রস্তুতি নিন, ছোট অভ্যাসেই বড় স্বস্তির পথ বীজের তেল নিয়ে ভয় কতটা সত্য, কতটা ভুল: বিজ্ঞান কী বলছে ডিজনির ইতিহাসে নতুন মাইলফলক অ্যানিমেশন দুনিয়ায় রেকর্ড গড়ল জুটোপিয়া টু চীনের কারখানায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, আট মাসের মন্দা ভেঙে ডিসেম্বরে উৎপাদন বাড়ল তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের বার্তা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • 117

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন অর্থাৎ ৬২৮৩২/২০০০, ভাস্করাচার্য সেই মান এখানে ধরেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য গোলকের আয়তন বের করতে গিয়ে আর্যভটের গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটির সাহায্য নিয়েছেন। গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটি হচ্ছে:

“সমপরিণাহস্যার্থং বিদ্ধস্তাধহতমেব বৃত্তফলম্।

তন্মিজমূলেন হতং ঘন গোল ফলং নিরবশেষম্ ॥

অর্থাৎ পরিধির অর্ধকে ব্যাসার্ধ দিয়ে গুণ করলে বৃত্তের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায় এবং তাকে এর বর্গমূল দিয়ে গুণ করলে গোলকের আয়তন পাওয়া যায়। ক্যে’র ধারণা ছিল আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন সেটি অন্ততপক্ষে দ্বাদশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত কেউ ব্যবহার করেন নাই।

কিন্তু আমরা পূর্বেই দেখেছি দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য প্রথম আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়াও বরাহমিহির, লল্প প্রমুখ ভারতীয়রা আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। যেহেতু ‘এর মান গণিতপাদে দেওয়া আছে, অতএব আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি গণিতপাদ আর্যভটীয়ের একটি অংশ। সুতরাং স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে ক্যে’র সিদ্ধান্ত ভ্রমাত্মক।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘন কুয়াশার পর পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৮)

০৩:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন অর্থাৎ ৬২৮৩২/২০০০, ভাস্করাচার্য সেই মান এখানে ধরেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য গোলকের আয়তন বের করতে গিয়ে আর্যভটের গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটির সাহায্য নিয়েছেন। গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটি হচ্ছে:

“সমপরিণাহস্যার্থং বিদ্ধস্তাধহতমেব বৃত্তফলম্।

তন্মিজমূলেন হতং ঘন গোল ফলং নিরবশেষম্ ॥

অর্থাৎ পরিধির অর্ধকে ব্যাসার্ধ দিয়ে গুণ করলে বৃত্তের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায় এবং তাকে এর বর্গমূল দিয়ে গুণ করলে গোলকের আয়তন পাওয়া যায়। ক্যে’র ধারণা ছিল আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন সেটি অন্ততপক্ষে দ্বাদশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত কেউ ব্যবহার করেন নাই।

কিন্তু আমরা পূর্বেই দেখেছি দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য প্রথম আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়াও বরাহমিহির, লল্প প্রমুখ ভারতীয়রা আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। যেহেতু ‘এর মান গণিতপাদে দেওয়া আছে, অতএব আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি গণিতপাদ আর্যভটীয়ের একটি অংশ। সুতরাং স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে ক্যে’র সিদ্ধান্ত ভ্রমাত্মক।

(চলবে)