০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
 রয়টার্সের প্রতিবেদনঃ  শেখ হাসিনার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সেনা মোতায়েন, নিরাপত্তা জোরদার বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের রাজপথে ক্ষুদ্র উপস্থিতির বিরুদ্ধে সরকারের বিপুল আয়োজন থাইল্যান্ডে বাঁধের জলাধার থেকে উঠল ডেথ রেলওয়ের নিথে স্টেশন: ৪০ বছরের পর দেখা মিলল যুদ্ধকালীন ধ্বংসাবশেষের কিয়ার স্টারমারের বিদায়: দলীয় বিদ্রোহেই প্রধানমন্ত্রীর পতন, নতুন নেতৃত্বের পথে ব্রিটিশ লেবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সুইজারল্যান্ড আলোচনায় অগ্রগতি: ৬০ দিনের রোডম্যাপ, লেবানন যুদ্ধবিরতি ও হরমুজ প্রশ্নে নতুন কাঠামো কাতারের রাস লাফানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: বার্জান গ্যাস স্থাপনায় ৫৪ আহত, ১৮ নিখোঁজ ‘ককটেল ২’ ঘিরে রশ্মিকা মন্দান্নার আবেগ: ডিয়া রেড্ডি চরিত্রকে বিদায়, বক্স অফিসে শক্ত শুরু কলম্বিয়ায় ডানপন্থী মোড়: ট্রাম্প-সমর্থিত দে লা এস্প্রিয়েলার অল্প ব্যবধানে জয়, ফল চ্যালেঞ্জে বাম শিবির সামরিক বিরতির আগে সেভেন্টিনের আবেগঘন ‘ক্যারেট ল্যান্ড’: তিন বছরের মধ্যে ১৩ জনের ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিলজিৎ দোসাঞ্জের সান ফ্রান্সিসকো কনসার্টে মঞ্চে অনুপ্রবেশ, খালিস্তান পতাকা হাতে বিক্ষোভকারী আটক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • 243

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এত কাগজের উৎপাদন হত নানা ধরনের গাছ-এর ছাল বিশেষত নানারকম ডুমুর গাছকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শোধিত করে। কাগজ তৈরির প্রধান পদ্ধতি হল এরকম: প্রথমে কাগজের পাতলা তরল অংশ জলে বা নদীতে শুকিয়ে নেওয়া হয় এবং এর মধ্য থেকে আঁশগুলি আলাদা করে নেওয়া হয়।

এরপর এই তরল কাগজ মোলায়ম মেঝের ওপর রাখা হয় এবং একটু পরেই শক্ত পাথর দিয়ে পেটান হয়। এর ফলে পাতলা কাঁচা স্তরের কাগজ ক্রমশ শুকিয়ে মূল কাগজে পরিণত হয়। আদতে বলা ভাল কাগজের এই পাতলা অংশ হাল্কাভাবে শুকিয়ে নেবার পরেই আঁশ ও অন্যান্য অংশ কাগজ-এর রূপ নেয়।

এই কাগজ হয়ে যাবার পর শিল্পী বা লেখকরা কাগজের উপর হাত বুলিয়ে দেয় এবং কালো রং-এর একটা লাইন দিয়ে মার্জিন করা হয়। এর পর শিল্পী ব্রাশ হাতে নিয়ে তার সহজাত শৈল্পিক দক্ষতা প্রয়োগ করে নানা রং-এ কাগজকে সাজিয়ে দেয়।

তবে এই রং সাধারণত হয় লাল, নীল, হলুদ এবং সবুজ। আজতেকরা অনেক সময় নানারকম চিহ্ন ব্যবহার করে লিখত। এই ধরনের চিহ্ন, প্রতীকী ছবি ব্যবহার আমরা দেখছি চীনা এবং জাপানীভাষায়।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

 রয়টার্সের প্রতিবেদনঃ  শেখ হাসিনার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সেনা মোতায়েন, নিরাপত্তা জোরদার বাংলাদেশে

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫২)

০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এত কাগজের উৎপাদন হত নানা ধরনের গাছ-এর ছাল বিশেষত নানারকম ডুমুর গাছকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শোধিত করে। কাগজ তৈরির প্রধান পদ্ধতি হল এরকম: প্রথমে কাগজের পাতলা তরল অংশ জলে বা নদীতে শুকিয়ে নেওয়া হয় এবং এর মধ্য থেকে আঁশগুলি আলাদা করে নেওয়া হয়।

এরপর এই তরল কাগজ মোলায়ম মেঝের ওপর রাখা হয় এবং একটু পরেই শক্ত পাথর দিয়ে পেটান হয়। এর ফলে পাতলা কাঁচা স্তরের কাগজ ক্রমশ শুকিয়ে মূল কাগজে পরিণত হয়। আদতে বলা ভাল কাগজের এই পাতলা অংশ হাল্কাভাবে শুকিয়ে নেবার পরেই আঁশ ও অন্যান্য অংশ কাগজ-এর রূপ নেয়।

এই কাগজ হয়ে যাবার পর শিল্পী বা লেখকরা কাগজের উপর হাত বুলিয়ে দেয় এবং কালো রং-এর একটা লাইন দিয়ে মার্জিন করা হয়। এর পর শিল্পী ব্রাশ হাতে নিয়ে তার সহজাত শৈল্পিক দক্ষতা প্রয়োগ করে নানা রং-এ কাগজকে সাজিয়ে দেয়।

তবে এই রং সাধারণত হয় লাল, নীল, হলুদ এবং সবুজ। আজতেকরা অনেক সময় নানারকম চিহ্ন ব্যবহার করে লিখত। এই ধরনের চিহ্ন, প্রতীকী ছবি ব্যবহার আমরা দেখছি চীনা এবং জাপানীভাষায়।

(চলবে)