১২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
চীনের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা: সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিউবায় চীনের তিনটি গোয়েন্দা ঘাঁটির দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, নজরে মার্কিন সামরিক তৎপরতা ফাইভ-স্টার অবকাশে বন্ধুত্ব, শোক আর গোপন রহস্যের গল্প, দর্শকদের মন জয় করছে নতুন ধারাবাহিক খুঁতখুঁতে শিশুর খাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে মিলতে পারে সহজ সমাধান জাপানের অর্থনৈতিক জলসীমায় প্রথমবার চীনা যুদ্ধজাহাজের সরাসরি গুলি, বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা সুন্দরবনের জেলে নিখোঁজ: স্বাধীন তদন্তের দাবি, আইন সংস্কার নিয়েও উদ্বেগ গায়ানায় যাত্রীবাহী ফেরি ডুবি: নিহত ২৭, নিখোঁজ ৮৩; উদ্ধার অভিযান অব্যাহত জাপানের অর্থনৈতিক জলসীমায় চীন-রাশিয়ার যৌথ মহড়া, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ বিশ্বকাপ জয়ের পর স্পেনে রাজকীয় সংবর্ধনা, মাদ্রিদে চ্যাম্পিয়নদের বরণে জনসমুদ্র শিরোপা হাতছাড়া হলেও বীরের সম্মান, হাজারো মানুষের ভালোবাসায় দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • 249

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এত কাগজের উৎপাদন হত নানা ধরনের গাছ-এর ছাল বিশেষত নানারকম ডুমুর গাছকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শোধিত করে। কাগজ তৈরির প্রধান পদ্ধতি হল এরকম: প্রথমে কাগজের পাতলা তরল অংশ জলে বা নদীতে শুকিয়ে নেওয়া হয় এবং এর মধ্য থেকে আঁশগুলি আলাদা করে নেওয়া হয়।

এরপর এই তরল কাগজ মোলায়ম মেঝের ওপর রাখা হয় এবং একটু পরেই শক্ত পাথর দিয়ে পেটান হয়। এর ফলে পাতলা কাঁচা স্তরের কাগজ ক্রমশ শুকিয়ে মূল কাগজে পরিণত হয়। আদতে বলা ভাল কাগজের এই পাতলা অংশ হাল্কাভাবে শুকিয়ে নেবার পরেই আঁশ ও অন্যান্য অংশ কাগজ-এর রূপ নেয়।

এই কাগজ হয়ে যাবার পর শিল্পী বা লেখকরা কাগজের উপর হাত বুলিয়ে দেয় এবং কালো রং-এর একটা লাইন দিয়ে মার্জিন করা হয়। এর পর শিল্পী ব্রাশ হাতে নিয়ে তার সহজাত শৈল্পিক দক্ষতা প্রয়োগ করে নানা রং-এ কাগজকে সাজিয়ে দেয়।

তবে এই রং সাধারণত হয় লাল, নীল, হলুদ এবং সবুজ। আজতেকরা অনেক সময় নানারকম চিহ্ন ব্যবহার করে লিখত। এই ধরনের চিহ্ন, প্রতীকী ছবি ব্যবহার আমরা দেখছি চীনা এবং জাপানীভাষায়।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা: সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫২)

০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এত কাগজের উৎপাদন হত নানা ধরনের গাছ-এর ছাল বিশেষত নানারকম ডুমুর গাছকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শোধিত করে। কাগজ তৈরির প্রধান পদ্ধতি হল এরকম: প্রথমে কাগজের পাতলা তরল অংশ জলে বা নদীতে শুকিয়ে নেওয়া হয় এবং এর মধ্য থেকে আঁশগুলি আলাদা করে নেওয়া হয়।

এরপর এই তরল কাগজ মোলায়ম মেঝের ওপর রাখা হয় এবং একটু পরেই শক্ত পাথর দিয়ে পেটান হয়। এর ফলে পাতলা কাঁচা স্তরের কাগজ ক্রমশ শুকিয়ে মূল কাগজে পরিণত হয়। আদতে বলা ভাল কাগজের এই পাতলা অংশ হাল্কাভাবে শুকিয়ে নেবার পরেই আঁশ ও অন্যান্য অংশ কাগজ-এর রূপ নেয়।

এই কাগজ হয়ে যাবার পর শিল্পী বা লেখকরা কাগজের উপর হাত বুলিয়ে দেয় এবং কালো রং-এর একটা লাইন দিয়ে মার্জিন করা হয়। এর পর শিল্পী ব্রাশ হাতে নিয়ে তার সহজাত শৈল্পিক দক্ষতা প্রয়োগ করে নানা রং-এ কাগজকে সাজিয়ে দেয়।

তবে এই রং সাধারণত হয় লাল, নীল, হলুদ এবং সবুজ। আজতেকরা অনেক সময় নানারকম চিহ্ন ব্যবহার করে লিখত। এই ধরনের চিহ্ন, প্রতীকী ছবি ব্যবহার আমরা দেখছি চীনা এবং জাপানীভাষায়।

(চলবে)