০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাচের নতুন দুনিয়ায় পা রাখলেন কোরিয়ার তারকা নৃত্যপরিচালক হরমুজে জাহাজে হামলার পর নতুন অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে সংশয় অভিযোগের মধ্যেই ৭৫ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের উদ্যোগে ছিলেন জ্যারেড লেটো সার্জিও গরের ভিজিট, চাইনিজ রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ও অবাধ ইনক্লুসিভ নির্বাচন পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিক্ষোভে রক্তপাত, ‘অধিকার চেয়েছিলাম, গুলি পেলাম’ অভিযোগ ট্রাম্পের নতুন শুল্কে আইনি লড়াই, ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নিশানায় তেল জায়ান্টরা, জ্বালানির দাম কমানোর দাবি যমুনার স্রোতে নিখোঁজ দুই কিশোর, পাবনায় চলছে উদ্ধার অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসাপ্রার্থীদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ আনতে বলল মার্কিন দূতাবাস এক দফা দাবির আগে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি আবদুল কাদেরের

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • 253

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এত কাগজের উৎপাদন হত নানা ধরনের গাছ-এর ছাল বিশেষত নানারকম ডুমুর গাছকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শোধিত করে। কাগজ তৈরির প্রধান পদ্ধতি হল এরকম: প্রথমে কাগজের পাতলা তরল অংশ জলে বা নদীতে শুকিয়ে নেওয়া হয় এবং এর মধ্য থেকে আঁশগুলি আলাদা করে নেওয়া হয়।

এরপর এই তরল কাগজ মোলায়ম মেঝের ওপর রাখা হয় এবং একটু পরেই শক্ত পাথর দিয়ে পেটান হয়। এর ফলে পাতলা কাঁচা স্তরের কাগজ ক্রমশ শুকিয়ে মূল কাগজে পরিণত হয়। আদতে বলা ভাল কাগজের এই পাতলা অংশ হাল্কাভাবে শুকিয়ে নেবার পরেই আঁশ ও অন্যান্য অংশ কাগজ-এর রূপ নেয়।

এই কাগজ হয়ে যাবার পর শিল্পী বা লেখকরা কাগজের উপর হাত বুলিয়ে দেয় এবং কালো রং-এর একটা লাইন দিয়ে মার্জিন করা হয়। এর পর শিল্পী ব্রাশ হাতে নিয়ে তার সহজাত শৈল্পিক দক্ষতা প্রয়োগ করে নানা রং-এ কাগজকে সাজিয়ে দেয়।

তবে এই রং সাধারণত হয় লাল, নীল, হলুদ এবং সবুজ। আজতেকরা অনেক সময় নানারকম চিহ্ন ব্যবহার করে লিখত। এই ধরনের চিহ্ন, প্রতীকী ছবি ব্যবহার আমরা দেখছি চীনা এবং জাপানীভাষায়।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাচের নতুন দুনিয়ায় পা রাখলেন কোরিয়ার তারকা নৃত্যপরিচালক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫২)

০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এত কাগজের উৎপাদন হত নানা ধরনের গাছ-এর ছাল বিশেষত নানারকম ডুমুর গাছকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শোধিত করে। কাগজ তৈরির প্রধান পদ্ধতি হল এরকম: প্রথমে কাগজের পাতলা তরল অংশ জলে বা নদীতে শুকিয়ে নেওয়া হয় এবং এর মধ্য থেকে আঁশগুলি আলাদা করে নেওয়া হয়।

এরপর এই তরল কাগজ মোলায়ম মেঝের ওপর রাখা হয় এবং একটু পরেই শক্ত পাথর দিয়ে পেটান হয়। এর ফলে পাতলা কাঁচা স্তরের কাগজ ক্রমশ শুকিয়ে মূল কাগজে পরিণত হয়। আদতে বলা ভাল কাগজের এই পাতলা অংশ হাল্কাভাবে শুকিয়ে নেবার পরেই আঁশ ও অন্যান্য অংশ কাগজ-এর রূপ নেয়।

এই কাগজ হয়ে যাবার পর শিল্পী বা লেখকরা কাগজের উপর হাত বুলিয়ে দেয় এবং কালো রং-এর একটা লাইন দিয়ে মার্জিন করা হয়। এর পর শিল্পী ব্রাশ হাতে নিয়ে তার সহজাত শৈল্পিক দক্ষতা প্রয়োগ করে নানা রং-এ কাগজকে সাজিয়ে দেয়।

তবে এই রং সাধারণত হয় লাল, নীল, হলুদ এবং সবুজ। আজতেকরা অনেক সময় নানারকম চিহ্ন ব্যবহার করে লিখত। এই ধরনের চিহ্ন, প্রতীকী ছবি ব্যবহার আমরা দেখছি চীনা এবং জাপানীভাষায়।

(চলবে)