০২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
ইরানের মহাকাব্য ‘শাহনামা’: যে কাব্য বাঁচিয়ে রেখেছে পারস্যের আত্মা গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ চীনের মহাকাশে ইতিহাস, প্রথমবারের মতো হংকংয়ের নারী নভোচারীর যাত্রা আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন এখন বিয়ের খাঁচায় বন্দি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০: স্বপ্নের মেগা প্রকল্পে ধাক্কা, বাস্তবতার মুখে নতুন হিসাব ৪৫০ টাকার বিরোধে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে তরুণ নিহত, রাজশাহীতে চাঞ্চল্য আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন থামিয়ে দিচ্ছে বাল্যবিয়ে, বন্ধ স্কুলে বাড়ছে হতাশা খরার জমিতে কাস্টার্ড আপেলের জয়, কৃষকদের আয়ে খুলছে নতুন সম্ভাবনা আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষাবন্দি জীবন, বিয়েই এখন অনেকের একমাত্র ভবিষ্যৎ দিল্লির ঐতিহ্যবাহী জিমখানা ক্লাব বন্ধের শঙ্কা, উত্তাল বিতর্কে ক্ষমতা-ঐতিহ্য-অভিজাত সংস্কৃতি

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪
  • 159

 

পাণ্ডারা যে এখনো মাংসাশী প্রাণীদের স্বভাব বজায় রেখেছে তার আরেকটি লক্ষণ থেকে বোঝা যায়। মাংসভোজী প্রাণীরা সাধারণতঃ একাকী বিচরণ করতে ভালবাসে। অন্যদিকে নিরামিষভোজী প্রাণীরা পছন্দ করে দলবদ্ধভাবে থাকতে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে বাঁশকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলেও পাণ্ডারা তাদের বংশপরম্পরাগত অভ্যাস ছাড়তে পারেনি। তাই এখনো পাণ্ডারা একাকীই চলাফেরা করতে পছন্দ করে।

 

 

আরেকটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করা গেছে যে, সময়ে সময়ে পাণ্ডারা লোহাও খেয়ে ফেলে। তাহলে বুঝতে পারছো লোহা চিবোতে হলে কি রকম মজবুত দাঁত আর হজমী-শক্তির দরকার? এ সম্পর্কে প্রাচীন পুঁথিপত্রে কয়েকটি বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রীষ্ট জন্মের এক শতাব্দী আগে, তোং ফাংশু নামে জনৈক ব্যক্তি পাণ্ডাদের “লৌহ-চর্বণকারী” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাং যেই নামে এক খ্যাতনামা সাহিত্যিক তাঁর রচনায় পাণ্ডাদের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন: “লৌহবস্ত দেখলে পাণ্ডাদের মুখ দিয়ে লালা ঝরে, আর যখন তারা লোহা চিবুতে থাকে তখন মনে হয় যেন ছানা খাচ্ছে।” এই দুজনের বর্ণনা অসম্ভব এবং অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের মহাকাব্য ‘শাহনামা’: যে কাব্য বাঁচিয়ে রেখেছে পারস্যের আত্মা

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২১)

০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪

 

পাণ্ডারা যে এখনো মাংসাশী প্রাণীদের স্বভাব বজায় রেখেছে তার আরেকটি লক্ষণ থেকে বোঝা যায়। মাংসভোজী প্রাণীরা সাধারণতঃ একাকী বিচরণ করতে ভালবাসে। অন্যদিকে নিরামিষভোজী প্রাণীরা পছন্দ করে দলবদ্ধভাবে থাকতে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে বাঁশকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলেও পাণ্ডারা তাদের বংশপরম্পরাগত অভ্যাস ছাড়তে পারেনি। তাই এখনো পাণ্ডারা একাকীই চলাফেরা করতে পছন্দ করে।

 

 

আরেকটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করা গেছে যে, সময়ে সময়ে পাণ্ডারা লোহাও খেয়ে ফেলে। তাহলে বুঝতে পারছো লোহা চিবোতে হলে কি রকম মজবুত দাঁত আর হজমী-শক্তির দরকার? এ সম্পর্কে প্রাচীন পুঁথিপত্রে কয়েকটি বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রীষ্ট জন্মের এক শতাব্দী আগে, তোং ফাংশু নামে জনৈক ব্যক্তি পাণ্ডাদের “লৌহ-চর্বণকারী” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাং যেই নামে এক খ্যাতনামা সাহিত্যিক তাঁর রচনায় পাণ্ডাদের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন: “লৌহবস্ত দেখলে পাণ্ডাদের মুখ দিয়ে লালা ঝরে, আর যখন তারা লোহা চিবুতে থাকে তখন মনে হয় যেন ছানা খাচ্ছে।” এই দুজনের বর্ণনা অসম্ভব এবং অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)