১১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বিজ্ঞান বাজেটে কংগ্রেসের প্রতিরোধ, ট্রাম্পের কাটছাঁট পরিকল্পনায় ধাক্কা কলম্বিয়ার সাবেক সেনাদের বিদেশযুদ্ধে টান, ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অস্থির ভবিষ্যৎ চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য ‘শেনলং’ মহাকাশযানের চতুর্থ মিশন কক্ষপথে মাগুরায় ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ সদস্য নিহত ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জানিয়েছে সেনাবাহিনী তারেক রহমানকে ‘কাগুজে বাঘ’ বললেন নাসিরউদ্দিন, ছাত্রদল–যুবদলকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা কৃষিভিত্তিক শিল্পই বদলাতে পারে কৃষকের জীবন: তারেক রহমান পতনের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে নেদারল্যান্ডসকে হারাল পাকিস্তান ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর যাত্রাশিল্পের পথিকৃৎ মিলন কান্তি দে আর নেই

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪
  • 111

 

পাণ্ডারা যে এখনো মাংসাশী প্রাণীদের স্বভাব বজায় রেখেছে তার আরেকটি লক্ষণ থেকে বোঝা যায়। মাংসভোজী প্রাণীরা সাধারণতঃ একাকী বিচরণ করতে ভালবাসে। অন্যদিকে নিরামিষভোজী প্রাণীরা পছন্দ করে দলবদ্ধভাবে থাকতে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে বাঁশকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলেও পাণ্ডারা তাদের বংশপরম্পরাগত অভ্যাস ছাড়তে পারেনি। তাই এখনো পাণ্ডারা একাকীই চলাফেরা করতে পছন্দ করে।

 

 

আরেকটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করা গেছে যে, সময়ে সময়ে পাণ্ডারা লোহাও খেয়ে ফেলে। তাহলে বুঝতে পারছো লোহা চিবোতে হলে কি রকম মজবুত দাঁত আর হজমী-শক্তির দরকার? এ সম্পর্কে প্রাচীন পুঁথিপত্রে কয়েকটি বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রীষ্ট জন্মের এক শতাব্দী আগে, তোং ফাংশু নামে জনৈক ব্যক্তি পাণ্ডাদের “লৌহ-চর্বণকারী” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাং যেই নামে এক খ্যাতনামা সাহিত্যিক তাঁর রচনায় পাণ্ডাদের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন: “লৌহবস্ত দেখলে পাণ্ডাদের মুখ দিয়ে লালা ঝরে, আর যখন তারা লোহা চিবুতে থাকে তখন মনে হয় যেন ছানা খাচ্ছে।” এই দুজনের বর্ণনা অসম্ভব এবং অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজ্ঞান বাজেটে কংগ্রেসের প্রতিরোধ, ট্রাম্পের কাটছাঁট পরিকল্পনায় ধাক্কা

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২১)

০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪

 

পাণ্ডারা যে এখনো মাংসাশী প্রাণীদের স্বভাব বজায় রেখেছে তার আরেকটি লক্ষণ থেকে বোঝা যায়। মাংসভোজী প্রাণীরা সাধারণতঃ একাকী বিচরণ করতে ভালবাসে। অন্যদিকে নিরামিষভোজী প্রাণীরা পছন্দ করে দলবদ্ধভাবে থাকতে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে বাঁশকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলেও পাণ্ডারা তাদের বংশপরম্পরাগত অভ্যাস ছাড়তে পারেনি। তাই এখনো পাণ্ডারা একাকীই চলাফেরা করতে পছন্দ করে।

 

 

আরেকটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করা গেছে যে, সময়ে সময়ে পাণ্ডারা লোহাও খেয়ে ফেলে। তাহলে বুঝতে পারছো লোহা চিবোতে হলে কি রকম মজবুত দাঁত আর হজমী-শক্তির দরকার? এ সম্পর্কে প্রাচীন পুঁথিপত্রে কয়েকটি বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রীষ্ট জন্মের এক শতাব্দী আগে, তোং ফাংশু নামে জনৈক ব্যক্তি পাণ্ডাদের “লৌহ-চর্বণকারী” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাং যেই নামে এক খ্যাতনামা সাহিত্যিক তাঁর রচনায় পাণ্ডাদের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন: “লৌহবস্ত দেখলে পাণ্ডাদের মুখ দিয়ে লালা ঝরে, আর যখন তারা লোহা চিবুতে থাকে তখন মনে হয় যেন ছানা খাচ্ছে।” এই দুজনের বর্ণনা অসম্ভব এবং অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)