০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
অ্যাস্টন মার্টিনের দুঃস্বপ্নের শুরু, কম্পনে বিপর্যস্ত গাড়ি, চালকদের শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে শেভ্রোলেটের দখলে উজবেকিস্তান, চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির চাপে বদলাচ্ছে ‘শেভ্রোলেটস্তান’ এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা: পরিবর্তনের চাপে নীতি ও বাজারের লড়াই ভরপুর বাজার, তবু সংকটে চীনের খামার শিল্প ব্রাজিলের বায়োফুয়েল শক্তি: জ্বালানি সংকটে এক গোপন ঢাল হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ৮ জেলায় তেল সংকট: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে জ্বালানি সরবরাহ থমকে গেছে জনসংখ্যা বদল থামাতে বিজেপিই শেষ ভরসা, তৃণমূলকে ঘিরে শাহের বিস্ফোরক চার্জশিট

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪
  • 134

 

পাণ্ডারা যে এখনো মাংসাশী প্রাণীদের স্বভাব বজায় রেখেছে তার আরেকটি লক্ষণ থেকে বোঝা যায়। মাংসভোজী প্রাণীরা সাধারণতঃ একাকী বিচরণ করতে ভালবাসে। অন্যদিকে নিরামিষভোজী প্রাণীরা পছন্দ করে দলবদ্ধভাবে থাকতে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে বাঁশকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলেও পাণ্ডারা তাদের বংশপরম্পরাগত অভ্যাস ছাড়তে পারেনি। তাই এখনো পাণ্ডারা একাকীই চলাফেরা করতে পছন্দ করে।

 

 

আরেকটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করা গেছে যে, সময়ে সময়ে পাণ্ডারা লোহাও খেয়ে ফেলে। তাহলে বুঝতে পারছো লোহা চিবোতে হলে কি রকম মজবুত দাঁত আর হজমী-শক্তির দরকার? এ সম্পর্কে প্রাচীন পুঁথিপত্রে কয়েকটি বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রীষ্ট জন্মের এক শতাব্দী আগে, তোং ফাংশু নামে জনৈক ব্যক্তি পাণ্ডাদের “লৌহ-চর্বণকারী” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাং যেই নামে এক খ্যাতনামা সাহিত্যিক তাঁর রচনায় পাণ্ডাদের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন: “লৌহবস্ত দেখলে পাণ্ডাদের মুখ দিয়ে লালা ঝরে, আর যখন তারা লোহা চিবুতে থাকে তখন মনে হয় যেন ছানা খাচ্ছে।” এই দুজনের বর্ণনা অসম্ভব এবং অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাস্টন মার্টিনের দুঃস্বপ্নের শুরু, কম্পনে বিপর্যস্ত গাড়ি, চালকদের শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২১)

০৪:০০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪

 

পাণ্ডারা যে এখনো মাংসাশী প্রাণীদের স্বভাব বজায় রেখেছে তার আরেকটি লক্ষণ থেকে বোঝা যায়। মাংসভোজী প্রাণীরা সাধারণতঃ একাকী বিচরণ করতে ভালবাসে। অন্যদিকে নিরামিষভোজী প্রাণীরা পছন্দ করে দলবদ্ধভাবে থাকতে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে বাঁশকে প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলেও পাণ্ডারা তাদের বংশপরম্পরাগত অভ্যাস ছাড়তে পারেনি। তাই এখনো পাণ্ডারা একাকীই চলাফেরা করতে পছন্দ করে।

 

 

আরেকটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করা গেছে যে, সময়ে সময়ে পাণ্ডারা লোহাও খেয়ে ফেলে। তাহলে বুঝতে পারছো লোহা চিবোতে হলে কি রকম মজবুত দাঁত আর হজমী-শক্তির দরকার? এ সম্পর্কে প্রাচীন পুঁথিপত্রে কয়েকটি বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রীষ্ট জন্মের এক শতাব্দী আগে, তোং ফাংশু নামে জনৈক ব্যক্তি পাণ্ডাদের “লৌহ-চর্বণকারী” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাং যেই নামে এক খ্যাতনামা সাহিত্যিক তাঁর রচনায় পাণ্ডাদের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন: “লৌহবস্ত দেখলে পাণ্ডাদের মুখ দিয়ে লালা ঝরে, আর যখন তারা লোহা চিবুতে থাকে তখন মনে হয় যেন ছানা খাচ্ছে।” এই দুজনের বর্ণনা অসম্ভব এবং অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়।

 

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)

পাণ্ডা-এক জীবন্ত ফসিল(পর্ব-২০)