০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের সতর্কবার্তা: অপতৎপরতা রুখতে আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা, তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার দাবি হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি: সড়ক অবরোধে জ্বালানি-খাদ্য সংকট, বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা ভারতের ডিজিটাল জনগণনা মাঠে: তাপদাহ, নিরাপত্তা শঙ্কা ও প্রযুক্তিগত বাধায় বিপাকে গণনাকারীরা পাঁচ বছর না খেয়েও বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের এই প্রাণী, জানাল নতুন গবেষণা হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে ক্রিকেট পিচের বিজ্ঞান ও শিল্প: কেন একেক উইকেট বদলে দেয় ম্যাচের ভাগ্য রবিন হুডের অন্ধকার অধ্যায়: কিংবদন্তিকে নতুনভাবে দেখাল ‘দ্য ডেথ অব রবিন হুড’ প্লেভের সাফল্যে উজ্জীবিত দক্ষিণ কোরিয়ার ভার্চুয়াল আইডল বাজার, একের পর এক নতুন গ্রুপের আত্মপ্রকাশ গাজীপুরের টঙ্গীতে মবিল রিসাইক্লিং কারখানায় আগুন, দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাসায় পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

ঐতিহাসিক সফরের সূচনা
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লাসায় পৌঁছেছেন। তিনিই প্রথম চীনা প্রেসিডেন্ট, যিনি এক দশক অন্তর আয়োজিত এ ধরনের বার্ষিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিলেন।

উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলসহ আগমন
বুধবার দুপুরের দিকে শি জিনপিং লাসায় পৌঁছান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও দলের চতুর্থ শীর্ষস্থানীয় নেতা ওয়াং হুনিং, প্রেসিডেন্টের প্রধান সহযোগী কাই চি, ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের প্রধান লি গানজি, উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেং এবং জননিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াং শিয়াওহং। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ও ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ
দুপুরের পর শি জিনপিং তিব্বতের আঞ্চলিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতার সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পানচেন লামা—তিব্বতীয় বৌদ্ধ ধর্মে যিনি দালাই লামার পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।

চারটি মূল অগ্রাধিকার
শি জিনপিং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন: স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সীমান্ত প্রতিরক্ষা।
তিনি বলেন, “তিব্বতকে শাসন ও উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে আগে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জাতিগত ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমাজের সুরেলা সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।” (শিনহুয়ার উদ্ধৃতি অনুযায়ী)

ভাষা ও বিনিময়ের ওপর জোর
শি আরও বলেন, তিব্বতের জনগণের মধ্যে মান্দারিন ভাষার ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনসম্পর্ক বিনিময় জোরদার করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী ব্যাংকের সতর্কবার্তা: অপতৎপরতা রুখতে আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা, তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার দাবি

তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাসায় পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

০২:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

ঐতিহাসিক সফরের সূচনা
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লাসায় পৌঁছেছেন। তিনিই প্রথম চীনা প্রেসিডেন্ট, যিনি এক দশক অন্তর আয়োজিত এ ধরনের বার্ষিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিলেন।

উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলসহ আগমন
বুধবার দুপুরের দিকে শি জিনপিং লাসায় পৌঁছান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও দলের চতুর্থ শীর্ষস্থানীয় নেতা ওয়াং হুনিং, প্রেসিডেন্টের প্রধান সহযোগী কাই চি, ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের প্রধান লি গানজি, উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেং এবং জননিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াং শিয়াওহং। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ও ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ
দুপুরের পর শি জিনপিং তিব্বতের আঞ্চলিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতার সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পানচেন লামা—তিব্বতীয় বৌদ্ধ ধর্মে যিনি দালাই লামার পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।

চারটি মূল অগ্রাধিকার
শি জিনপিং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন: স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সীমান্ত প্রতিরক্ষা।
তিনি বলেন, “তিব্বতকে শাসন ও উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে আগে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জাতিগত ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমাজের সুরেলা সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।” (শিনহুয়ার উদ্ধৃতি অনুযায়ী)

ভাষা ও বিনিময়ের ওপর জোর
শি আরও বলেন, তিব্বতের জনগণের মধ্যে মান্দারিন ভাষার ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনসম্পর্ক বিনিময় জোরদার করতে হবে।