০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
উড়ে যাওয়া “বিদ্যুৎচালিত” নৌকা: শহুরে পরিবহন বদলে দেবে কি? ওয়াদারিং হাইটস অবলম্বনে বিতর্কিত নতুন সিনেমা, প্রেম নাকি কেবল শরীরের ঝড়? ক্রিপ্টো শীতের তীব্র প্রহার: বিটকয়েন ও ডিজিটাল মুদ্রা বাজারে মরণঘণ্টা বাজছে আজ চোখের মতো বুদ্ধিমত্তা! রোবটদের দৃষ্টি এবার হবে মানুষের চেয়ে চারগুণ দ্রুত আত্মনির্ভরতার তরঙ্গ: আমেরিকায় সংখ্যালঘু উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপ বুম এশিয়ার করপোরেট শাসনে বিপ্লব: জাপানের পথচলা কি বদলে দেবে পুরো অঞ্চলের পুঁজিবাজার? তারেক রহমানের শপথে নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ পাঠানোর পরিকল্পনা বিএনপির ভোটে পরাজিত হলেও সংসদে যেতে পারেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাহুল গান্ধী ভারতের কটন চাষী ও টেক্সটাইল রফতানিকারীদের ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ অভিযোগ আফ্রিকার জাগরণের নতুন পাঠ: উন্নয়নের পথে জনসংখ্যাই কি মোড় ঘোরাবে?

তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাসায় পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

ঐতিহাসিক সফরের সূচনা
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লাসায় পৌঁছেছেন। তিনিই প্রথম চীনা প্রেসিডেন্ট, যিনি এক দশক অন্তর আয়োজিত এ ধরনের বার্ষিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিলেন।

উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলসহ আগমন
বুধবার দুপুরের দিকে শি জিনপিং লাসায় পৌঁছান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও দলের চতুর্থ শীর্ষস্থানীয় নেতা ওয়াং হুনিং, প্রেসিডেন্টের প্রধান সহযোগী কাই চি, ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের প্রধান লি গানজি, উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেং এবং জননিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াং শিয়াওহং। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ও ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ
দুপুরের পর শি জিনপিং তিব্বতের আঞ্চলিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতার সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পানচেন লামা—তিব্বতীয় বৌদ্ধ ধর্মে যিনি দালাই লামার পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।

চারটি মূল অগ্রাধিকার
শি জিনপিং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন: স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সীমান্ত প্রতিরক্ষা।
তিনি বলেন, “তিব্বতকে শাসন ও উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে আগে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জাতিগত ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমাজের সুরেলা সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।” (শিনহুয়ার উদ্ধৃতি অনুযায়ী)

ভাষা ও বিনিময়ের ওপর জোর
শি আরও বলেন, তিব্বতের জনগণের মধ্যে মান্দারিন ভাষার ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনসম্পর্ক বিনিময় জোরদার করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উড়ে যাওয়া “বিদ্যুৎচালিত” নৌকা: শহুরে পরিবহন বদলে দেবে কি?

তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাসায় পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

০২:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

ঐতিহাসিক সফরের সূচনা
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লাসায় পৌঁছেছেন। তিনিই প্রথম চীনা প্রেসিডেন্ট, যিনি এক দশক অন্তর আয়োজিত এ ধরনের বার্ষিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিলেন।

উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলসহ আগমন
বুধবার দুপুরের দিকে শি জিনপিং লাসায় পৌঁছান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও দলের চতুর্থ শীর্ষস্থানীয় নেতা ওয়াং হুনিং, প্রেসিডেন্টের প্রধান সহযোগী কাই চি, ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের প্রধান লি গানজি, উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেং এবং জননিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াং শিয়াওহং। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ও ধর্মীয় নেতাদের সাক্ষাৎ
দুপুরের পর শি জিনপিং তিব্বতের আঞ্চলিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতার সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পানচেন লামা—তিব্বতীয় বৌদ্ধ ধর্মে যিনি দালাই লামার পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।

চারটি মূল অগ্রাধিকার
শি জিনপিং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন: স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সীমান্ত প্রতিরক্ষা।
তিনি বলেন, “তিব্বতকে শাসন ও উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে আগে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জাতিগত ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমাজের সুরেলা সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।” (শিনহুয়ার উদ্ধৃতি অনুযায়ী)

ভাষা ও বিনিময়ের ওপর জোর
শি আরও বলেন, তিব্বতের জনগণের মধ্যে মান্দারিন ভাষার ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনসম্পর্ক বিনিময় জোরদার করতে হবে।