০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আন্ড্রু মাউন্টব্যাটেন‑উইন্ডসর গ্রেফতার ও কিং চার্লসের সংক্ষিপ্ত বিবৃতি আসামে ভোটের আগে ‘জনতার চার্জশিট’ প্রকাশ প্রিয়াঙ্কার, রাজ্য সরকারকে তীব্র দুর্নীতির অভিযোগ আইপ্যাক অভিযানে ‘ক্ষমতার চরম অপব্যবহার’: মমতার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ইডির বিস্ফোরক অভিযোগ ২২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকা বিশেষ সংশোধন এপ্রিল থেকে চলতি মাসেই যমুনা ছাড়বেন ড. ইউনূস, উঠবেন তারেক রহমান পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা এবার ধানমন্ডি অফিসে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখে স্লোগান দিয়েছে যুব মহিলা লীগ র‌্যামাদানে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বললেন কোচ সালাউদ্দিন রোজায় লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৪)

সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

চিনারি ভালোবাসতেন মিনিয়েচার। কিন্তু চোখের অসুবিধা থাকায় মিনিয়েচার আর পরে করেননি। তৈলচিত্রে প্রতিকৃতি এঁকেছেন। চিনারির প্রভাব এত বেশি ছিল যে ভারতবর্ষে ইউরোপীয় অনেক পেশাদার ও অপেশাদার শিল্পী তার ড্রইং নকল করতেন।

অনেক নকল এমন নিখুঁত যে, শিল্পরসিকরা আসল ও নকল গুলিয়ে ফেলেন।চিনারি ঢাকায় থাকার সময় কিছু এঁকেছেন যার কিছু সংগৃহীত হয়েছে। আমার পূর্বোল্লিখিত দুটি বইয়ে তাঁর কিছু ছবি আলোচিত হয়েছে। এখানে অনালোচিত ছবিগুলি আলোচিত হবে।

প্রথমেই জোফফানিও ও হোমের ছবি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

লালবাগ দুর্গ নিয়ে সবচেয়ে পুরনো যে দু’টি ছবির সন্ধান পাওয়া যায় সে দুটি তেলরং। দুটি ছবিই আঁকা হয়েছে ১৭৮৭ সালে। এটি খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার যে, দুশো বছর আগে তেল রঙের দু’চিত্র এঁকেছিলেন দুই শিল্পী। এই দুটি ছবি নিয়ে লিখেছেন শামীম আমিনুর রহমান ও ওয়াকার খান। তাঁরা যে দুটি ছবি ছেপেছেন এবং সে বিষয়ে লিখেছেন তা অনেকটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

লালবাগ ফটকের দুর্দান্ত তৈলচিত্রটি, শামীম লিখেছেন হোমের। সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

অন্যদিকে ওয়াকার খান ২০১৪ সালে ১২টি পুরনো চিত্রের প্রতিলিপি দিয়ে এ্যাসুরেন্স ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিকে একটি টেবিল ক্যালেন্ডার করে দিয়েছেন। বিভ্রান্তির শুরুটা এখান থেকেই।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)

 

আন্ড্রু মাউন্টব্যাটেন‑উইন্ডসর গ্রেফতার ও কিং চার্লসের সংক্ষিপ্ত বিবৃতি

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৪)

০৭:০০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

চিনারি ভালোবাসতেন মিনিয়েচার। কিন্তু চোখের অসুবিধা থাকায় মিনিয়েচার আর পরে করেননি। তৈলচিত্রে প্রতিকৃতি এঁকেছেন। চিনারির প্রভাব এত বেশি ছিল যে ভারতবর্ষে ইউরোপীয় অনেক পেশাদার ও অপেশাদার শিল্পী তার ড্রইং নকল করতেন।

অনেক নকল এমন নিখুঁত যে, শিল্পরসিকরা আসল ও নকল গুলিয়ে ফেলেন।চিনারি ঢাকায় থাকার সময় কিছু এঁকেছেন যার কিছু সংগৃহীত হয়েছে। আমার পূর্বোল্লিখিত দুটি বইয়ে তাঁর কিছু ছবি আলোচিত হয়েছে। এখানে অনালোচিত ছবিগুলি আলোচিত হবে।

প্রথমেই জোফফানিও ও হোমের ছবি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

লালবাগ দুর্গ নিয়ে সবচেয়ে পুরনো যে দু’টি ছবির সন্ধান পাওয়া যায় সে দুটি তেলরং। দুটি ছবিই আঁকা হয়েছে ১৭৮৭ সালে। এটি খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার যে, দুশো বছর আগে তেল রঙের দু’চিত্র এঁকেছিলেন দুই শিল্পী। এই দুটি ছবি নিয়ে লিখেছেন শামীম আমিনুর রহমান ও ওয়াকার খান। তাঁরা যে দুটি ছবি ছেপেছেন এবং সে বিষয়ে লিখেছেন তা অনেকটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

লালবাগ ফটকের দুর্দান্ত তৈলচিত্রটি, শামীম লিখেছেন হোমের। সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

অন্যদিকে ওয়াকার খান ২০১৪ সালে ১২টি পুরনো চিত্রের প্রতিলিপি দিয়ে এ্যাসুরেন্স ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিকে একটি টেবিল ক্যালেন্ডার করে দিয়েছেন। বিভ্রান্তির শুরুটা এখান থেকেই।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)