০৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে? ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত? জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৪)

সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

চিনারি ভালোবাসতেন মিনিয়েচার। কিন্তু চোখের অসুবিধা থাকায় মিনিয়েচার আর পরে করেননি। তৈলচিত্রে প্রতিকৃতি এঁকেছেন। চিনারির প্রভাব এত বেশি ছিল যে ভারতবর্ষে ইউরোপীয় অনেক পেশাদার ও অপেশাদার শিল্পী তার ড্রইং নকল করতেন।

অনেক নকল এমন নিখুঁত যে, শিল্পরসিকরা আসল ও নকল গুলিয়ে ফেলেন।চিনারি ঢাকায় থাকার সময় কিছু এঁকেছেন যার কিছু সংগৃহীত হয়েছে। আমার পূর্বোল্লিখিত দুটি বইয়ে তাঁর কিছু ছবি আলোচিত হয়েছে। এখানে অনালোচিত ছবিগুলি আলোচিত হবে।

প্রথমেই জোফফানিও ও হোমের ছবি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

লালবাগ দুর্গ নিয়ে সবচেয়ে পুরনো যে দু’টি ছবির সন্ধান পাওয়া যায় সে দুটি তেলরং। দুটি ছবিই আঁকা হয়েছে ১৭৮৭ সালে। এটি খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার যে, দুশো বছর আগে তেল রঙের দু’চিত্র এঁকেছিলেন দুই শিল্পী। এই দুটি ছবি নিয়ে লিখেছেন শামীম আমিনুর রহমান ও ওয়াকার খান। তাঁরা যে দুটি ছবি ছেপেছেন এবং সে বিষয়ে লিখেছেন তা অনেকটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

লালবাগ ফটকের দুর্দান্ত তৈলচিত্রটি, শামীম লিখেছেন হোমের। সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

অন্যদিকে ওয়াকার খান ২০১৪ সালে ১২টি পুরনো চিত্রের প্রতিলিপি দিয়ে এ্যাসুরেন্স ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিকে একটি টেবিল ক্যালেন্ডার করে দিয়েছেন। বিভ্রান্তির শুরুটা এখান থেকেই।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৪)

০৭:০০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

চিনারি ভালোবাসতেন মিনিয়েচার। কিন্তু চোখের অসুবিধা থাকায় মিনিয়েচার আর পরে করেননি। তৈলচিত্রে প্রতিকৃতি এঁকেছেন। চিনারির প্রভাব এত বেশি ছিল যে ভারতবর্ষে ইউরোপীয় অনেক পেশাদার ও অপেশাদার শিল্পী তার ড্রইং নকল করতেন।

অনেক নকল এমন নিখুঁত যে, শিল্পরসিকরা আসল ও নকল গুলিয়ে ফেলেন।চিনারি ঢাকায় থাকার সময় কিছু এঁকেছেন যার কিছু সংগৃহীত হয়েছে। আমার পূর্বোল্লিখিত দুটি বইয়ে তাঁর কিছু ছবি আলোচিত হয়েছে। এখানে অনালোচিত ছবিগুলি আলোচিত হবে।

প্রথমেই জোফফানিও ও হোমের ছবি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

লালবাগ দুর্গ নিয়ে সবচেয়ে পুরনো যে দু’টি ছবির সন্ধান পাওয়া যায় সে দুটি তেলরং। দুটি ছবিই আঁকা হয়েছে ১৭৮৭ সালে। এটি খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার যে, দুশো বছর আগে তেল রঙের দু’চিত্র এঁকেছিলেন দুই শিল্পী। এই দুটি ছবি নিয়ে লিখেছেন শামীম আমিনুর রহমান ও ওয়াকার খান। তাঁরা যে দুটি ছবি ছেপেছেন এবং সে বিষয়ে লিখেছেন তা অনেকটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

লালবাগ ফটকের দুর্দান্ত তৈলচিত্রটি, শামীম লিখেছেন হোমের। সোথেবির ক্যাটালগে ছবিটা ছাপা হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিলেন সেটি হয়তো হোমের আঁকা। ছবিতে নাম স্বাক্ষরিত হয়নি।

অন্যদিকে ওয়াকার খান ২০১৪ সালে ১২টি পুরনো চিত্রের প্রতিলিপি দিয়ে এ্যাসুরেন্স ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিকে একটি টেবিল ক্যালেন্ডার করে দিয়েছেন। বিভ্রান্তির শুরুটা এখান থেকেই।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৩)