০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৯)

জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

আগেই উল্লেখ করেছি তিন বছর ঢাকায় বা পূর্ববঙ্গে থাকার সময় তিনি যথেষ্ট এঁকেছিলেন। এর মধ্যে স্বইচ্ছায় আঁকা ও কমিশন নিয়ে আঁকা ছবি আছে।অন্তর্জালে চিনারির বেশকিছু ড্রইং ও জলরংয়ের প্রতিলিপি পাওয়া গেছে যা সথেবি, ক্রিস্টির নিলামে বিক্রি হয়েছে। চিনারি এগুলি কখন কোথায় এঁকেছেন তা নির্দিষ্টভাবে বলা নেই, উল্লেখ করা হয়েছে ‘বেঙ্গল’ শিরোনামে।

একটি সূত্র থেকে জানতে পারি, এর কিছু হুগলিতে আঁকা। তবে আমার অনুমান দুটি ড্রইং ও চারটি জলরং পূর্ববঙ্গে করা। ড্রইং দুটি কয়লা ও রঙিন খড়ি দিয়ে করা। একটির বিষয় বস্তু আমার মনে হয়েছে কাটরা, খড়ো কুটির ও দু’মহিলা। ভগ্ন ইমারতটির গড়ন কাটরার মতো। পরবর্তীকালেও কাটরার পাশে অন্য শিল্পীর আঁকা কুটির দেখেছি।

আরেকটি ঢাকার উপকণ্ঠে গ্রাম। মগবাজারও হতে পারে। কারণ মগবাজারের মসজিদ নিয়ে একটি ড্রইং আছে তাঁর। এটিতে খড়ির স্ট্রোক লক্ষণীয়, গ্রামের এ কুটিরের একটি জলরং। আলোর সেই ছড়িয়ে পড়া। এক কথায় অপূর্ব। জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

খুব সম্ভব কুমিল্লা, বরিশাল বা ঢাকার বাইরের দৃশ্য। এসব পূর্ববঙ্গের এ অনুমানের কারণ, যেসব মসজিদ, খড়োকুটির বা ইমারতের ড্রইং/জলরং করেছেন তার সঙ্গে মিল আছে আগে উল্লিখিত ড্রইং/জলরংয়ের। ভিক্টোরিয়া অ্যালবাট মিউজিয়ামের সংগ্রহে চিনারির দুটি ড্রইং আছে-একটি চকের মসজিদ ও বড় কাটরার ফটক এবং অন্যটি বুড়িগঙ্গার তীরে একটি মসজিদ। তাঁর ড্রইং বা জলরংয়ের বিশেষত্ব আগে উল্লেখ করেছি এখানে তার পুনরাবৃত্তি করলাম না।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৯)

০৭:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

আগেই উল্লেখ করেছি তিন বছর ঢাকায় বা পূর্ববঙ্গে থাকার সময় তিনি যথেষ্ট এঁকেছিলেন। এর মধ্যে স্বইচ্ছায় আঁকা ও কমিশন নিয়ে আঁকা ছবি আছে।অন্তর্জালে চিনারির বেশকিছু ড্রইং ও জলরংয়ের প্রতিলিপি পাওয়া গেছে যা সথেবি, ক্রিস্টির নিলামে বিক্রি হয়েছে। চিনারি এগুলি কখন কোথায় এঁকেছেন তা নির্দিষ্টভাবে বলা নেই, উল্লেখ করা হয়েছে ‘বেঙ্গল’ শিরোনামে।

একটি সূত্র থেকে জানতে পারি, এর কিছু হুগলিতে আঁকা। তবে আমার অনুমান দুটি ড্রইং ও চারটি জলরং পূর্ববঙ্গে করা। ড্রইং দুটি কয়লা ও রঙিন খড়ি দিয়ে করা। একটির বিষয় বস্তু আমার মনে হয়েছে কাটরা, খড়ো কুটির ও দু’মহিলা। ভগ্ন ইমারতটির গড়ন কাটরার মতো। পরবর্তীকালেও কাটরার পাশে অন্য শিল্পীর আঁকা কুটির দেখেছি।

আরেকটি ঢাকার উপকণ্ঠে গ্রাম। মগবাজারও হতে পারে। কারণ মগবাজারের মসজিদ নিয়ে একটি ড্রইং আছে তাঁর। এটিতে খড়ির স্ট্রোক লক্ষণীয়, গ্রামের এ কুটিরের একটি জলরং। আলোর সেই ছড়িয়ে পড়া। এক কথায় অপূর্ব। জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

খুব সম্ভব কুমিল্লা, বরিশাল বা ঢাকার বাইরের দৃশ্য। এসব পূর্ববঙ্গের এ অনুমানের কারণ, যেসব মসজিদ, খড়োকুটির বা ইমারতের ড্রইং/জলরং করেছেন তার সঙ্গে মিল আছে আগে উল্লিখিত ড্রইং/জলরংয়ের। ভিক্টোরিয়া অ্যালবাট মিউজিয়ামের সংগ্রহে চিনারির দুটি ড্রইং আছে-একটি চকের মসজিদ ও বড় কাটরার ফটক এবং অন্যটি বুড়িগঙ্গার তীরে একটি মসজিদ। তাঁর ড্রইং বা জলরংয়ের বিশেষত্ব আগে উল্লেখ করেছি এখানে তার পুনরাবৃত্তি করলাম না।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)