০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
জন্মের সময় সন্তানের পাশে থাকতে চান ডোকু, বিশ্বকাপ ছাড়ার ইচ্ছা ঘিরে বিতর্ক নর্থ সাগরের তেল-গ্যাস, রাজনৈতিক দ্বিধা এবং এসএনপির ক্রমবর্ধমান সংকট দুধকুমার নদীর ভাঙন রোধে জরুরি পদক্ষেপের দাবি, মানববন্ধনে কুড়িগ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের সতর্কবার্তা: অপতৎপরতা রুখতে আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা, তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার দাবি হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি: সড়ক অবরোধে জ্বালানি-খাদ্য সংকট, বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা ভারতের ডিজিটাল জনগণনা মাঠে: তাপদাহ, নিরাপত্তা শঙ্কা ও প্রযুক্তিগত বাধায় বিপাকে গণনাকারীরা পাঁচ বছর না খেয়েও বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের এই প্রাণী, জানাল নতুন গবেষণা হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে ক্রিকেট পিচের বিজ্ঞান ও শিল্প: কেন একেক উইকেট বদলে দেয় ম্যাচের ভাগ্য

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৯)

জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

আগেই উল্লেখ করেছি তিন বছর ঢাকায় বা পূর্ববঙ্গে থাকার সময় তিনি যথেষ্ট এঁকেছিলেন। এর মধ্যে স্বইচ্ছায় আঁকা ও কমিশন নিয়ে আঁকা ছবি আছে।অন্তর্জালে চিনারির বেশকিছু ড্রইং ও জলরংয়ের প্রতিলিপি পাওয়া গেছে যা সথেবি, ক্রিস্টির নিলামে বিক্রি হয়েছে। চিনারি এগুলি কখন কোথায় এঁকেছেন তা নির্দিষ্টভাবে বলা নেই, উল্লেখ করা হয়েছে ‘বেঙ্গল’ শিরোনামে।

একটি সূত্র থেকে জানতে পারি, এর কিছু হুগলিতে আঁকা। তবে আমার অনুমান দুটি ড্রইং ও চারটি জলরং পূর্ববঙ্গে করা। ড্রইং দুটি কয়লা ও রঙিন খড়ি দিয়ে করা। একটির বিষয় বস্তু আমার মনে হয়েছে কাটরা, খড়ো কুটির ও দু’মহিলা। ভগ্ন ইমারতটির গড়ন কাটরার মতো। পরবর্তীকালেও কাটরার পাশে অন্য শিল্পীর আঁকা কুটির দেখেছি।

আরেকটি ঢাকার উপকণ্ঠে গ্রাম। মগবাজারও হতে পারে। কারণ মগবাজারের মসজিদ নিয়ে একটি ড্রইং আছে তাঁর। এটিতে খড়ির স্ট্রোক লক্ষণীয়, গ্রামের এ কুটিরের একটি জলরং। আলোর সেই ছড়িয়ে পড়া। এক কথায় অপূর্ব। জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

খুব সম্ভব কুমিল্লা, বরিশাল বা ঢাকার বাইরের দৃশ্য। এসব পূর্ববঙ্গের এ অনুমানের কারণ, যেসব মসজিদ, খড়োকুটির বা ইমারতের ড্রইং/জলরং করেছেন তার সঙ্গে মিল আছে আগে উল্লিখিত ড্রইং/জলরংয়ের। ভিক্টোরিয়া অ্যালবাট মিউজিয়ামের সংগ্রহে চিনারির দুটি ড্রইং আছে-একটি চকের মসজিদ ও বড় কাটরার ফটক এবং অন্যটি বুড়িগঙ্গার তীরে একটি মসজিদ। তাঁর ড্রইং বা জলরংয়ের বিশেষত্ব আগে উল্লেখ করেছি এখানে তার পুনরাবৃত্তি করলাম না।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

জন্মের সময় সন্তানের পাশে থাকতে চান ডোকু, বিশ্বকাপ ছাড়ার ইচ্ছা ঘিরে বিতর্ক

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৯)

০৭:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

আগেই উল্লেখ করেছি তিন বছর ঢাকায় বা পূর্ববঙ্গে থাকার সময় তিনি যথেষ্ট এঁকেছিলেন। এর মধ্যে স্বইচ্ছায় আঁকা ও কমিশন নিয়ে আঁকা ছবি আছে।অন্তর্জালে চিনারির বেশকিছু ড্রইং ও জলরংয়ের প্রতিলিপি পাওয়া গেছে যা সথেবি, ক্রিস্টির নিলামে বিক্রি হয়েছে। চিনারি এগুলি কখন কোথায় এঁকেছেন তা নির্দিষ্টভাবে বলা নেই, উল্লেখ করা হয়েছে ‘বেঙ্গল’ শিরোনামে।

একটি সূত্র থেকে জানতে পারি, এর কিছু হুগলিতে আঁকা। তবে আমার অনুমান দুটি ড্রইং ও চারটি জলরং পূর্ববঙ্গে করা। ড্রইং দুটি কয়লা ও রঙিন খড়ি দিয়ে করা। একটির বিষয় বস্তু আমার মনে হয়েছে কাটরা, খড়ো কুটির ও দু’মহিলা। ভগ্ন ইমারতটির গড়ন কাটরার মতো। পরবর্তীকালেও কাটরার পাশে অন্য শিল্পীর আঁকা কুটির দেখেছি।

আরেকটি ঢাকার উপকণ্ঠে গ্রাম। মগবাজারও হতে পারে। কারণ মগবাজারের মসজিদ নিয়ে একটি ড্রইং আছে তাঁর। এটিতে খড়ির স্ট্রোক লক্ষণীয়, গ্রামের এ কুটিরের একটি জলরং। আলোর সেই ছড়িয়ে পড়া। এক কথায় অপূর্ব। জলের গড়িয়ে পড়ার গতিময়তা ব্রাশে যেভাবে এনেছেন তা দেখার মতো। সকাল ও সন্ধ্যা নিসর্গে দুটি মসজিদ ও একটি গ্রাম নিয়ে আছে তিনটি জলরং।

খুব সম্ভব কুমিল্লা, বরিশাল বা ঢাকার বাইরের দৃশ্য। এসব পূর্ববঙ্গের এ অনুমানের কারণ, যেসব মসজিদ, খড়োকুটির বা ইমারতের ড্রইং/জলরং করেছেন তার সঙ্গে মিল আছে আগে উল্লিখিত ড্রইং/জলরংয়ের। ভিক্টোরিয়া অ্যালবাট মিউজিয়ামের সংগ্রহে চিনারির দুটি ড্রইং আছে-একটি চকের মসজিদ ও বড় কাটরার ফটক এবং অন্যটি বুড়িগঙ্গার তীরে একটি মসজিদ। তাঁর ড্রইং বা জলরংয়ের বিশেষত্ব আগে উল্লেখ করেছি এখানে তার পুনরাবৃত্তি করলাম না।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭৮)