০৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে ক্রিকেট পিচের বিজ্ঞান ও শিল্প: কেন একেক উইকেট বদলে দেয় ম্যাচের ভাগ্য রবিন হুডের অন্ধকার অধ্যায়: কিংবদন্তিকে নতুনভাবে দেখাল ‘দ্য ডেথ অব রবিন হুড’ প্লেভের সাফল্যে উজ্জীবিত দক্ষিণ কোরিয়ার ভার্চুয়াল আইডল বাজার, একের পর এক নতুন গ্রুপের আত্মপ্রকাশ গাজীপুরের টঙ্গীতে মবিল রিসাইক্লিং কারখানায় আগুন, দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে সাইবার হামলা কি যুদ্ধের সমান? আন্তর্জাতিক আইনের নতুন সীমারেখা শাহ মাহমুদ কোরেশি খালাস, ৯ মে মামলায় ইয়াসমিন রশিদসহ চার পিটিআই নেতা ১০ বছরের কারাদণ্ড এআই দুনিয়ায় নতুন শক্তি হতে চায় জেন স্ট্রিট, গোপনীয়তা ভেঙে বিনিয়োগে বড় পদক্ষেপ জাপানে ভিসা ফি পাঁচ গুণ, ৪৮ বছর পর বড় পরিবর্তন কার্যকর জুলাই থেকে ব্যাংকে বন্ধক রাখা সোনা উধাও! আতঙ্কে হাজারো গ্রাহক, বাড়ছে ক্ষোভ

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৮)

থানা চৌগ্রামের অন্তর্গত তাজপুর গ্রামে একটি প্রসিদ্ধ চতুষ্পাঠী ছিল। উহার অধ্যাপক শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কার ছিলেন। এই চতুষ্পাঠী রক্ষা জন্য মহারাণী ভবানী বার্ষিক ৯০ টাকা দান করিতেন। শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কারের মৃত্যুর পর, তাহার পুত্র চন্দ্রশেখর তর্কবাগীশ ঐ দান ভোগ করেন। আবার চন্দ্রশেখরের পরলোক গমনের পর, তাহার তিন পুত্র কাশীশ্বর বাচস্পতি, গোবিন্দরাম সিদ্ধান্ত এবং হররাম ভট্টাচার্য ঐ বৃত্তির উত্তরাধিকারী হন। ইহাদের বৃত্তি রহিত হইলে রেবিনিউ বোর্ডের অনুরোধ ক্রমে ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে বৃত্তি দিবার জন্য গবর্ণমেন্ট আদেশ করেন। কিন্তু এক্ষণে বৃত্তি রহিত হইয়া আছে।

প্রায় তিনশত বৎসর পূর্বে রাজসাহী জেলার অন্তর্গত আগদিঘার ভট্টাচার্য মহাশয়দের বংশে পণ্ডিতপ্রবর গদাধর ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়ার নিকট কোন একটি গ্রামে গদাধরের জন্ম হয়। ইনি রাজসাহী ত্যাগ করিয়া নবদ্বীপে বাস করেন। নবদ্বীপের বিখ্যাত পণ্ডিতপ্রবর ভুবনবিদ্যারত্ব গদাধরের বংশসম্ভূত। গদাধর ন্যায়শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তিবাদ ও শক্তিবাদ গ্রন্থ রচনা করেন। এই সকল গ্রন্থ বঙ্গদেশের ন্যায়শাস্ত্রের চতুষ্পাঠীতে আদরের সহিত প্রচলিত আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৮)

০৪:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

থানা চৌগ্রামের অন্তর্গত তাজপুর গ্রামে একটি প্রসিদ্ধ চতুষ্পাঠী ছিল। উহার অধ্যাপক শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কার ছিলেন। এই চতুষ্পাঠী রক্ষা জন্য মহারাণী ভবানী বার্ষিক ৯০ টাকা দান করিতেন। শ্রীপতি বিদ্যালঙ্কারের মৃত্যুর পর, তাহার পুত্র চন্দ্রশেখর তর্কবাগীশ ঐ দান ভোগ করেন। আবার চন্দ্রশেখরের পরলোক গমনের পর, তাহার তিন পুত্র কাশীশ্বর বাচস্পতি, গোবিন্দরাম সিদ্ধান্ত এবং হররাম ভট্টাচার্য ঐ বৃত্তির উত্তরাধিকারী হন। ইহাদের বৃত্তি রহিত হইলে রেবিনিউ বোর্ডের অনুরোধ ক্রমে ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে বৃত্তি দিবার জন্য গবর্ণমেন্ট আদেশ করেন। কিন্তু এক্ষণে বৃত্তি রহিত হইয়া আছে।

প্রায় তিনশত বৎসর পূর্বে রাজসাহী জেলার অন্তর্গত আগদিঘার ভট্টাচার্য মহাশয়দের বংশে পণ্ডিতপ্রবর গদাধর ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়ার নিকট কোন একটি গ্রামে গদাধরের জন্ম হয়। ইনি রাজসাহী ত্যাগ করিয়া নবদ্বীপে বাস করেন। নবদ্বীপের বিখ্যাত পণ্ডিতপ্রবর ভুবনবিদ্যারত্ব গদাধরের বংশসম্ভূত। গদাধর ন্যায়শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তিবাদ ও শক্তিবাদ গ্রন্থ রচনা করেন। এই সকল গ্রন্থ বঙ্গদেশের ন্যায়শাস্ত্রের চতুষ্পাঠীতে আদরের সহিত প্রচলিত আছে।