০৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রণয় ভার্মা ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত, ঢাকা ছাড়ার প্রস্তুতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল প্রধান: হরমুজ প্রণালী খোলা হয়নি, নিয়ন্ত্রিত ও শর্তসাপেক্ষ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ধাক্কা: নিরাপত্তার ভাঙন, নতুন বাস্তবতায় উপসাগরীয় দেশগুলো বাগদাদ বিমানবন্দরে ইরানপন্থী মিলিশিয়ার হামলা, যুদ্ধবিরতির মধ্যেই উত্তেজনা ইসলামাবাদ বৈঠকের আগে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অনিশ্চয়তার ছায়া ইরান হরমুজ প্রণালীতে মাইন ম্যাপ প্রকাশ করেছে, স্বাভাবিক শিপিং রুটকে বিপদ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত পাকিস্তানের কূটনৈতিক দৌড়: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ জর্জিয়ায় মার্জোরি টেলর গ্রিনের আসনে রিপাবলিকানের জয় কিন্তু ব্যবধান উদ্বেগজনকভাবে কমেছে সৌদির তেল অবকাঠামোয় হামলা, উৎপাদন কমে বিশ্ববাজারে নতুন চাপ ফিফা ইসরায়েলকে জরিমানা করেছে কিন্তু ফিলিস্তিনের সাসপেনশন দাবি প্রত্যাখ্যান

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৪)

আজি দেশীয় বিজ্ঞান ও শিল্প অভিধানের শব্দের ন্যায় লোকমুখে উচ্চারিত। আজ ইউরোপীয় বিজ্ঞান ও শিল্প বিদ্যারই স্রোত ভারতবর্ষে প্রবল বেগে প্রবাহিত। আজিকালি ইউরোপ মহাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্পে শ্রেষ্ঠ আসন গ্রহণ করিয়াছে। সুতরাং দয়াবান ব্রিটিশ গবর্ণমেন্ট সেই ইউরোপীয় বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্পবিদ্যা শিক্ষা দিবার জন্য স্থানে স্থানে কলেজ ও স্কুল স্থাপন করিয়া ভারতবাসীদের মহোপকার করিতেছেন। বঙ্গদেশে বিস্তর বি.এ, এম. এ. দাসত্ব শৃঙ্খলে বন্ধ হইবার জন্য লালায়িত হইয়াও দাসত্ব পাইতেছেন না। তথাপি নিজ নামের শেষে শুষ্ক বি.এ, এমএ, উপাধি সংযোজিত করিবার জন্য ধন, প্রাণ, মন সমর্পণ করিতেছেন। বিএ, এমএ, পরীক্ষা দিয়া কৃতবিদ্যা হওয়া নিতান্ত ভাল, কিন্তু জীবনযাত্রা নির্বাহ জন্য, সংসারের সমৃদ্ধি লাভের জন্য এবং জাতীয় উন্নতি জন্য বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্প বিদ্যায় অনুশীলন করা নিতান্ত প্রয়োজনীয়। দাসত্ব করাই বিদ্যা শিক্ষার মূল, তন্ত্রমন্ত্র হওয়া উচিত নহে। এই সম্বন্ধে আমাদের, মহাত্মা বড়লাট লর্ড কার্জন যাহা বলিয়াছেন, তাহার সেই সারগর্ভ উপদেশে ভারতবাসীদের বিশেষত বঙ্গবাসীদের চৈতন্য হওয়া উচিত।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রণয় ভার্মা ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত, ঢাকা ছাড়ার প্রস্তুতি

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৪)

০৪:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
আজি দেশীয় বিজ্ঞান ও শিল্প অভিধানের শব্দের ন্যায় লোকমুখে উচ্চারিত। আজ ইউরোপীয় বিজ্ঞান ও শিল্প বিদ্যারই স্রোত ভারতবর্ষে প্রবল বেগে প্রবাহিত। আজিকালি ইউরোপ মহাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্পে শ্রেষ্ঠ আসন গ্রহণ করিয়াছে। সুতরাং দয়াবান ব্রিটিশ গবর্ণমেন্ট সেই ইউরোপীয় বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্পবিদ্যা শিক্ষা দিবার জন্য স্থানে স্থানে কলেজ ও স্কুল স্থাপন করিয়া ভারতবাসীদের মহোপকার করিতেছেন। বঙ্গদেশে বিস্তর বি.এ, এম. এ. দাসত্ব শৃঙ্খলে বন্ধ হইবার জন্য লালায়িত হইয়াও দাসত্ব পাইতেছেন না। তথাপি নিজ নামের শেষে শুষ্ক বি.এ, এমএ, উপাধি সংযোজিত করিবার জন্য ধন, প্রাণ, মন সমর্পণ করিতেছেন। বিএ, এমএ, পরীক্ষা দিয়া কৃতবিদ্যা হওয়া নিতান্ত ভাল, কিন্তু জীবনযাত্রা নির্বাহ জন্য, সংসারের সমৃদ্ধি লাভের জন্য এবং জাতীয় উন্নতি জন্য বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্প বিদ্যায় অনুশীলন করা নিতান্ত প্রয়োজনীয়। দাসত্ব করাই বিদ্যা শিক্ষার মূল, তন্ত্রমন্ত্র হওয়া উচিত নহে। এই সম্বন্ধে আমাদের, মহাত্মা বড়লাট লর্ড কার্জন যাহা বলিয়াছেন, তাহার সেই সারগর্ভ উপদেশে ভারতবাসীদের বিশেষত বঙ্গবাসীদের চৈতন্য হওয়া উচিত।