১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি? নেপালের মরদেহ শনাক্ত সংকট: এখনো নিখোঁজ ২,৪২৬ জন; ৫১৭ বিদেশি নাগরিক রাজধানীতে গ্যাস সংকট তীব্র, ৪০-৫০ টাকার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা রংপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা, নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধারে অভিযান ঢাকার যানজট কমাতে ৪ মাসের সময়সীমা, করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার যাবে গাবতলীতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই মানুন ৫টি সহজ অভ্যাস নিজ দলের কর্মীর সঙ্গে বিরোধ, মারধরের পর যুবদল নেতার মৃত্যু একই দিনে মনপুরার ৩ শিশু নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, লড়াই হবে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বন্যায় নিখোঁজ বন্ধু, ভেসে গেল গ্ল্যান্সির পরিচিত গ্রাম

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৪)

আজি দেশীয় বিজ্ঞান ও শিল্প অভিধানের শব্দের ন্যায় লোকমুখে উচ্চারিত। আজ ইউরোপীয় বিজ্ঞান ও শিল্প বিদ্যারই স্রোত ভারতবর্ষে প্রবল বেগে প্রবাহিত। আজিকালি ইউরোপ মহাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্পে শ্রেষ্ঠ আসন গ্রহণ করিয়াছে। সুতরাং দয়াবান ব্রিটিশ গবর্ণমেন্ট সেই ইউরোপীয় বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্পবিদ্যা শিক্ষা দিবার জন্য স্থানে স্থানে কলেজ ও স্কুল স্থাপন করিয়া ভারতবাসীদের মহোপকার করিতেছেন। বঙ্গদেশে বিস্তর বি.এ, এম. এ. দাসত্ব শৃঙ্খলে বন্ধ হইবার জন্য লালায়িত হইয়াও দাসত্ব পাইতেছেন না। তথাপি নিজ নামের শেষে শুষ্ক বি.এ, এমএ, উপাধি সংযোজিত করিবার জন্য ধন, প্রাণ, মন সমর্পণ করিতেছেন। বিএ, এমএ, পরীক্ষা দিয়া কৃতবিদ্যা হওয়া নিতান্ত ভাল, কিন্তু জীবনযাত্রা নির্বাহ জন্য, সংসারের সমৃদ্ধি লাভের জন্য এবং জাতীয় উন্নতি জন্য বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্প বিদ্যায় অনুশীলন করা নিতান্ত প্রয়োজনীয়। দাসত্ব করাই বিদ্যা শিক্ষার মূল, তন্ত্রমন্ত্র হওয়া উচিত নহে। এই সম্বন্ধে আমাদের, মহাত্মা বড়লাট লর্ড কার্জন যাহা বলিয়াছেন, তাহার সেই সারগর্ভ উপদেশে ভারতবাসীদের বিশেষত বঙ্গবাসীদের চৈতন্য হওয়া উচিত।
জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি?

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৪)

০৪:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
আজি দেশীয় বিজ্ঞান ও শিল্প অভিধানের শব্দের ন্যায় লোকমুখে উচ্চারিত। আজ ইউরোপীয় বিজ্ঞান ও শিল্প বিদ্যারই স্রোত ভারতবর্ষে প্রবল বেগে প্রবাহিত। আজিকালি ইউরোপ মহাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্পে শ্রেষ্ঠ আসন গ্রহণ করিয়াছে। সুতরাং দয়াবান ব্রিটিশ গবর্ণমেন্ট সেই ইউরোপীয় বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্পবিদ্যা শিক্ষা দিবার জন্য স্থানে স্থানে কলেজ ও স্কুল স্থাপন করিয়া ভারতবাসীদের মহোপকার করিতেছেন। বঙ্গদেশে বিস্তর বি.এ, এম. এ. দাসত্ব শৃঙ্খলে বন্ধ হইবার জন্য লালায়িত হইয়াও দাসত্ব পাইতেছেন না। তথাপি নিজ নামের শেষে শুষ্ক বি.এ, এমএ, উপাধি সংযোজিত করিবার জন্য ধন, প্রাণ, মন সমর্পণ করিতেছেন। বিএ, এমএ, পরীক্ষা দিয়া কৃতবিদ্যা হওয়া নিতান্ত ভাল, কিন্তু জীবনযাত্রা নির্বাহ জন্য, সংসারের সমৃদ্ধি লাভের জন্য এবং জাতীয় উন্নতি জন্য বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্প বিদ্যায় অনুশীলন করা নিতান্ত প্রয়োজনীয়। দাসত্ব করাই বিদ্যা শিক্ষার মূল, তন্ত্রমন্ত্র হওয়া উচিত নহে। এই সম্বন্ধে আমাদের, মহাত্মা বড়লাট লর্ড কার্জন যাহা বলিয়াছেন, তাহার সেই সারগর্ভ উপদেশে ভারতবাসীদের বিশেষত বঙ্গবাসীদের চৈতন্য হওয়া উচিত।