১০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মিত্র ও নীতিমালা ছেড়ে দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা ‘ভুট্টার মেয়ে’ রিওর রাস্তায় থামতেই চায় না ‘বই তলো’ উন্মাদনা, ক্লান্ত শরীরেও উৎসবের জোয়ার নিজের শর্তে টিভিতে নোবেলজয়ী ওরহান পামুক, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে মুক্তি পেল ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ সিরিজ জাপানের মুনাফা প্রতিষ্ঠানগুলোও চাকরি কাটছে, যুবশক্তি পুনর্বিন্যাসে উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সতর্ক করল দুবাই স্কুল, সামাজিক মিডিয়ায় পোস্টে হতে পারে বড় প্রভাব রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হাজারো বন্দির মুক্তি অভিবাসনই অর্থনীতির ভরসা? স্পেনের সাহসী সিদ্ধান্তে নতুন বিতর্ক রমজানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জীবনযাত্রার বদল সংস্কৃতির মিলন মেলার আমন্ত্রণে আবুধাবি: ‘এমিরাতি ভ্যালুজ ইফতার’ শুরু

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৪)

আজি দেশীয় বিজ্ঞান ও শিল্প অভিধানের শব্দের ন্যায় লোকমুখে উচ্চারিত। আজ ইউরোপীয় বিজ্ঞান ও শিল্প বিদ্যারই স্রোত ভারতবর্ষে প্রবল বেগে প্রবাহিত। আজিকালি ইউরোপ মহাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্পে শ্রেষ্ঠ আসন গ্রহণ করিয়াছে। সুতরাং দয়াবান ব্রিটিশ গবর্ণমেন্ট সেই ইউরোপীয় বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্পবিদ্যা শিক্ষা দিবার জন্য স্থানে স্থানে কলেজ ও স্কুল স্থাপন করিয়া ভারতবাসীদের মহোপকার করিতেছেন। বঙ্গদেশে বিস্তর বি.এ, এম. এ. দাসত্ব শৃঙ্খলে বন্ধ হইবার জন্য লালায়িত হইয়াও দাসত্ব পাইতেছেন না। তথাপি নিজ নামের শেষে শুষ্ক বি.এ, এমএ, উপাধি সংযোজিত করিবার জন্য ধন, প্রাণ, মন সমর্পণ করিতেছেন। বিএ, এমএ, পরীক্ষা দিয়া কৃতবিদ্যা হওয়া নিতান্ত ভাল, কিন্তু জীবনযাত্রা নির্বাহ জন্য, সংসারের সমৃদ্ধি লাভের জন্য এবং জাতীয় উন্নতি জন্য বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্প বিদ্যায় অনুশীলন করা নিতান্ত প্রয়োজনীয়। দাসত্ব করাই বিদ্যা শিক্ষার মূল, তন্ত্রমন্ত্র হওয়া উচিত নহে। এই সম্বন্ধে আমাদের, মহাত্মা বড়লাট লর্ড কার্জন যাহা বলিয়াছেন, তাহার সেই সারগর্ভ উপদেশে ভারতবাসীদের বিশেষত বঙ্গবাসীদের চৈতন্য হওয়া উচিত।

মিত্র ও নীতিমালা ছেড়ে দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৪)

০৪:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
আজি দেশীয় বিজ্ঞান ও শিল্প অভিধানের শব্দের ন্যায় লোকমুখে উচ্চারিত। আজ ইউরোপীয় বিজ্ঞান ও শিল্প বিদ্যারই স্রোত ভারতবর্ষে প্রবল বেগে প্রবাহিত। আজিকালি ইউরোপ মহাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্পে শ্রেষ্ঠ আসন গ্রহণ করিয়াছে। সুতরাং দয়াবান ব্রিটিশ গবর্ণমেন্ট সেই ইউরোপীয় বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্পবিদ্যা শিক্ষা দিবার জন্য স্থানে স্থানে কলেজ ও স্কুল স্থাপন করিয়া ভারতবাসীদের মহোপকার করিতেছেন। বঙ্গদেশে বিস্তর বি.এ, এম. এ. দাসত্ব শৃঙ্খলে বন্ধ হইবার জন্য লালায়িত হইয়াও দাসত্ব পাইতেছেন না। তথাপি নিজ নামের শেষে শুষ্ক বি.এ, এমএ, উপাধি সংযোজিত করিবার জন্য ধন, প্রাণ, মন সমর্পণ করিতেছেন। বিএ, এমএ, পরীক্ষা দিয়া কৃতবিদ্যা হওয়া নিতান্ত ভাল, কিন্তু জীবনযাত্রা নির্বাহ জন্য, সংসারের সমৃদ্ধি লাভের জন্য এবং জাতীয় উন্নতি জন্য বিজ্ঞান শাস্ত্র ও শিল্প বিদ্যায় অনুশীলন করা নিতান্ত প্রয়োজনীয়। দাসত্ব করাই বিদ্যা শিক্ষার মূল, তন্ত্রমন্ত্র হওয়া উচিত নহে। এই সম্বন্ধে আমাদের, মহাত্মা বড়লাট লর্ড কার্জন যাহা বলিয়াছেন, তাহার সেই সারগর্ভ উপদেশে ভারতবাসীদের বিশেষত বঙ্গবাসীদের চৈতন্য হওয়া উচিত।