০২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
কঙ্গো-উগান্ডায় নতুন ইবোলা আতঙ্ক, জরুরি সতর্কতা জারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চীনে বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্নে ভাটা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় বাড়ছে ভাড়া বাসা ঝোঁক পাকিস্তানকে হুমকির জবাবে কড়া বার্তা, ভারতের সেনাপ্রধানের মন্তব্যে বাড়ছে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় ধাক্কা, ধস নামল ভারতের শেয়ারবাজারে পাকিস্তানের গ্যাস ঋণ নিয়ে আইএমএফের কড়া প্রশ্ন, বাড়তে পারে জ্বালানির দাম ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় নতুন মোড়, ড্রোন হামলায় কাঁপছে আমিরাত-সৌদি অঞ্চল পাকিস্তানের কড়া বার্তা, ভারতকে যুদ্ধ নয় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান ভারতে উপাসনালয় বিতর্কে নতুন মোড়, সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ভণ্ড বাবার আশ্রমে পূজার পর জোড়া খুন, মহারাষ্ট্রে চাঞ্চল্য অনুরাগ দোভালের ১০ কোটি টাকার বাইক সাম্রাজ্যে ধস, আর্থিক সংকটে বিক্রি করলেন স্বপ্নের সংগ্রহ

পেন্টাগনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন দ্বিগুণের পরিকল্পনা

চীনের সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ভান্ডার অপর্যাপ্ত হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে তারা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারীদের উৎপাদন দ্বিগুণ, এমনকি চারগুণ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

জরুরি তৎপরতা ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

এই পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে জুন মাসে পেন্টাগনে শীর্ষ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেকে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, মার্কিন সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কীন, এবং লকহিড মার্টিন, রেথিয়ন, অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীরা। এ ছাড়া জ্বালানি ও ব্যাটারি প্রস্তুতকারকদের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ সরবরাহকারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

ডেপুটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ নিজেই সরাসরি এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এই কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে “মিউনিশনস অ্যাক্সেলারেশন কাউন্সিল”।

বাস্তবতা নিয়ে উদ্বেগ

সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেকে মনে করছেন এই লক্ষ্য বাস্তবসম্মত নয়। একটি ক্ষেপণাস্ত্র সম্পূর্ণ তৈরি হতে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগে। নতুন সরবরাহকারীদের পণ্য ব্যবহারযোগ্য প্রমাণ করতে কয়েক মাস থেকে কয়েকশো মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত খরচ হয়।

ট্রাম্প প্রশাসন জুলাই মাসে স্বাক্ষরিত নীতিমালায় পাঁচ বছরের জন্য অতিরিক্ত ২৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পেন্টাগনের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আরও কয়েক দশক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

কোম্পানিগুলোর প্রতিক্রিয়া

লকহিড মার্টিন ও রেথিয়ন ইতিমধ্যে কর্মী বাড়ানো, কারখানার জায়গা সম্প্রসারণ এবং অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ মজুদে কাজ শুরু করেছে। তবে কিছু সরবরাহকারী এখনও আশঙ্কিত—সরকার প্রকৃত অর্থায়ন না করলে তারা বড় বিনিয়োগ করতে চায় না।

রেথিয়নের মূল প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স-এর প্রধান ক্রিস্টোফার ক্যালিও জুলাই মাসে পেন্টাগনকে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করেন যে, তারা উৎপাদন বাড়াতে প্রস্তুত, তবে এর জন্য অতিরিক্ত অর্থ ও দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার প্রয়োজন।

ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা

রাশিয়ার ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। বাইডেন প্রশাসন ২০২৩ সালে উৎপাদন হার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইউক্রেনে প্রতিরক্ষা দিতে ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার এত বেশি বেড়ে যায় যে নতুন অর্ডার তা পূরণে ব্যর্থ হয়।

এদিকে, ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বের ১২ দিনের সংঘাতে শত শত উচ্চমানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ আরও কমে যায়। ফলে ট্রাম্প প্রশাসন জুনে আরও আক্রমণাত্মক উৎপাদন লক্ষ্য নির্ধারণ করে।

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অস্ত্রের তালিকা

পেন্টাগন ১২ ধরনের অস্ত্রকে অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে, যা সম্ভাব্য চীন সংঘাতের জন্য মজুদ রাখতে চায়। এর মধ্যে রয়েছে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর, লং রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, স্ট্যান্ডার্ড মিসাইল-৬, প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং জয়েন্ট এয়ার সারফেস স্ট্যান্ডঅফ মিসাইল। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ লকহিড মার্টিন বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে।

আর্মি ইতিমধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৬ অর্থবছরে ২,০০০ পিএসি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য লকহিডকে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি দিয়েছে। কিন্তু পেন্টাগন চাইছে বছরে এতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হোক।

সরবরাহ চেইন ও নতুন উদ্যোগ

সরবরাহ চেইনের বাধাগুলো দূর করতে দ্বিতীয় উৎস খুঁজছে পেন্টাগন। বিশেষ করে বোয়িং-এর তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সিকার অংশটি উৎপাদনে বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বোয়িং সম্প্রতি তাদের কারখানা ৩৫,০০০ বর্গফুট সম্প্রসারণ করেছে এবং মাসিক সরবরাহের নতুন রেকর্ড গড়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

সারসংক্ষেপ

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ মূলত ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি হিসেবেই নেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উৎপাদন দ্বিগুণ বা চারগুণ করা অর্থায়ন, সময় এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সহজ হবে না। তবুও, পেন্টাগন অস্ত্র প্রস্তুতকারীদের চাপ দিচ্ছে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কঙ্গো-উগান্ডায় নতুন ইবোলা আতঙ্ক, জরুরি সতর্কতা জারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

পেন্টাগনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন দ্বিগুণের পরিকল্পনা

০১:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

চীনের সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ভান্ডার অপর্যাপ্ত হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে তারা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারীদের উৎপাদন দ্বিগুণ, এমনকি চারগুণ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

জরুরি তৎপরতা ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

এই পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে জুন মাসে পেন্টাগনে শীর্ষ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেকে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, মার্কিন সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কীন, এবং লকহিড মার্টিন, রেথিয়ন, অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীরা। এ ছাড়া জ্বালানি ও ব্যাটারি প্রস্তুতকারকদের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ সরবরাহকারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

ডেপুটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ নিজেই সরাসরি এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এই কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে “মিউনিশনস অ্যাক্সেলারেশন কাউন্সিল”।

বাস্তবতা নিয়ে উদ্বেগ

সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেকে মনে করছেন এই লক্ষ্য বাস্তবসম্মত নয়। একটি ক্ষেপণাস্ত্র সম্পূর্ণ তৈরি হতে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগে। নতুন সরবরাহকারীদের পণ্য ব্যবহারযোগ্য প্রমাণ করতে কয়েক মাস থেকে কয়েকশো মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত খরচ হয়।

ট্রাম্প প্রশাসন জুলাই মাসে স্বাক্ষরিত নীতিমালায় পাঁচ বছরের জন্য অতিরিক্ত ২৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পেন্টাগনের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আরও কয়েক দশক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

কোম্পানিগুলোর প্রতিক্রিয়া

লকহিড মার্টিন ও রেথিয়ন ইতিমধ্যে কর্মী বাড়ানো, কারখানার জায়গা সম্প্রসারণ এবং অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ মজুদে কাজ শুরু করেছে। তবে কিছু সরবরাহকারী এখনও আশঙ্কিত—সরকার প্রকৃত অর্থায়ন না করলে তারা বড় বিনিয়োগ করতে চায় না।

রেথিয়নের মূল প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স-এর প্রধান ক্রিস্টোফার ক্যালিও জুলাই মাসে পেন্টাগনকে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করেন যে, তারা উৎপাদন বাড়াতে প্রস্তুত, তবে এর জন্য অতিরিক্ত অর্থ ও দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার প্রয়োজন।

ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা

রাশিয়ার ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। বাইডেন প্রশাসন ২০২৩ সালে উৎপাদন হার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইউক্রেনে প্রতিরক্ষা দিতে ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার এত বেশি বেড়ে যায় যে নতুন অর্ডার তা পূরণে ব্যর্থ হয়।

এদিকে, ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বের ১২ দিনের সংঘাতে শত শত উচ্চমানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ আরও কমে যায়। ফলে ট্রাম্প প্রশাসন জুনে আরও আক্রমণাত্মক উৎপাদন লক্ষ্য নির্ধারণ করে।

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অস্ত্রের তালিকা

পেন্টাগন ১২ ধরনের অস্ত্রকে অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে, যা সম্ভাব্য চীন সংঘাতের জন্য মজুদ রাখতে চায়। এর মধ্যে রয়েছে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর, লং রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, স্ট্যান্ডার্ড মিসাইল-৬, প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং জয়েন্ট এয়ার সারফেস স্ট্যান্ডঅফ মিসাইল। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ লকহিড মার্টিন বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে।

আর্মি ইতিমধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৬ অর্থবছরে ২,০০০ পিএসি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য লকহিডকে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি দিয়েছে। কিন্তু পেন্টাগন চাইছে বছরে এতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হোক।

সরবরাহ চেইন ও নতুন উদ্যোগ

সরবরাহ চেইনের বাধাগুলো দূর করতে দ্বিতীয় উৎস খুঁজছে পেন্টাগন। বিশেষ করে বোয়িং-এর তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সিকার অংশটি উৎপাদনে বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বোয়িং সম্প্রতি তাদের কারখানা ৩৫,০০০ বর্গফুট সম্প্রসারণ করেছে এবং মাসিক সরবরাহের নতুন রেকর্ড গড়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

সারসংক্ষেপ

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ মূলত ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি হিসেবেই নেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উৎপাদন দ্বিগুণ বা চারগুণ করা অর্থায়ন, সময় এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সহজ হবে না। তবুও, পেন্টাগন অস্ত্র প্রস্তুতকারীদের চাপ দিচ্ছে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে।