০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৮)

অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না।

মাহায়ুত প্রেমদাস, ১৮৯০ সালে সংস্কারায়িত (১২৪০ শকাব্দ)। এর চেয়ে প্রাচীন যে ফলকটি ছিল তা সঙ্গতের কূপে পড়ে হারিয়ে গেছে। পরবর্তী মুঘল শাসকদের ধর্মসহিষ্ণুতার কারণে বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে উঠতে থাকে। ১৬৬৬ সালে গুরু তেগাবাহাদুর যখন ঢাকা ভ্রমণ করেন তখন সিলেট, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ এবং লসকর (রায়ের বাজার) ও সঙ্গতটোলায় [ঢাকার সূত্রাপুর। সঙ্গত ছিল।

গুরু নানকের উত্তরাধিকারীদের কেউ পাঞ্জাব ছেড়ে যাননি। অন্যদিকে উত্তর ভারতে শিখরা ছড়িয়ে পড়ছিলেন। তারা গুরুর দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না। বিষয়টি এত নাজুক হয়ে উঠল যে, নবম গুরু তেগ বাহাদুর ঠিক করলেন ভক্তদের দর্শন দেবেন। গদির জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিল অনেক। তাই তাঁর মনে হলো পাঞ্জাব থেকে কিছুদিন বাইরে কাটালে মন্দ হয় না।

১৬৬৫ সালে পাঞ্জাব ছেড়ে বেরুলেন। রাজপুত এক সেনাধ্যক্ষ যিনি খুব সম্ভব তখন পাটনায় ছিলেন, তিনি গুরুকে আমন্ত্রণ জানালেন আকুলভাবে একবার ঘুরে যেতে। সেই সেনাপতিকে নিয়ে গুরু পাটনা থেকে রওয়ানা হলেন ঢাকার পথে। ঢাকায় তিনি বেশিদিন থাকতে পারেননি। কারণ খবর পেলেন তার এক পুত্র জন্মেছেন। এই পুত্র পরবর্তীকালে ইতিহাসখ্যাত গোবিন্দ সিং।

(চলবে)

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৮)

০৭:০০:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না।

মাহায়ুত প্রেমদাস, ১৮৯০ সালে সংস্কারায়িত (১২৪০ শকাব্দ)। এর চেয়ে প্রাচীন যে ফলকটি ছিল তা সঙ্গতের কূপে পড়ে হারিয়ে গেছে। পরবর্তী মুঘল শাসকদের ধর্মসহিষ্ণুতার কারণে বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে উঠতে থাকে। ১৬৬৬ সালে গুরু তেগাবাহাদুর যখন ঢাকা ভ্রমণ করেন তখন সিলেট, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ এবং লসকর (রায়ের বাজার) ও সঙ্গতটোলায় [ঢাকার সূত্রাপুর। সঙ্গত ছিল।

গুরু নানকের উত্তরাধিকারীদের কেউ পাঞ্জাব ছেড়ে যাননি। অন্যদিকে উত্তর ভারতে শিখরা ছড়িয়ে পড়ছিলেন। তারা গুরুর দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না। বিষয়টি এত নাজুক হয়ে উঠল যে, নবম গুরু তেগ বাহাদুর ঠিক করলেন ভক্তদের দর্শন দেবেন। গদির জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিল অনেক। তাই তাঁর মনে হলো পাঞ্জাব থেকে কিছুদিন বাইরে কাটালে মন্দ হয় না।

১৬৬৫ সালে পাঞ্জাব ছেড়ে বেরুলেন। রাজপুত এক সেনাধ্যক্ষ যিনি খুব সম্ভব তখন পাটনায় ছিলেন, তিনি গুরুকে আমন্ত্রণ জানালেন আকুলভাবে একবার ঘুরে যেতে। সেই সেনাপতিকে নিয়ে গুরু পাটনা থেকে রওয়ানা হলেন ঢাকার পথে। ঢাকায় তিনি বেশিদিন থাকতে পারেননি। কারণ খবর পেলেন তার এক পুত্র জন্মেছেন। এই পুত্র পরবর্তীকালে ইতিহাসখ্যাত গোবিন্দ সিং।

(চলবে)