০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বালুচিস্তানে সপ্তাহজুড়ে সংঘর্ষের অবসান, নিহত দুই শতাধিক জঙ্গি দাবি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৩৬টি বসতঘর, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হাদির ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান, ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদে নতুন মাত্রা যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন-রাশিয়ার ঐতিহাসিক বন্দি বিনিময়ে সম্মতি, যুদ্ধ অবসানের পথে নতুন আশা বিদ্যুৎ ক্রয়ে বড় সাশ্রয়, তিন সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ কমালো অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের দিনে বাড়তি মেট্রোরেল চলবে, যাত্রী ভোগান্তি এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা ফেনীতে নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর, ভোটের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা মির্জা আব্বাস, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মেঘনা আলম- ‘ভাইরাল’ ঢাকা ৮ আসনে কী চলছে? পল্লবীতে ঘরের ভেতর চার লাশ, ঋণের চাপে নাকি চরম সিদ্ধান্তে পরিবার চট্টগ্রাম বন্দরে উত্তেজনা, নৌপরিবহন উপদেষ্টার গাড়িবহর ঘেরাও; টানা ধর্মঘটে স্থবির কার্যক্রম

পাকিস্তানের তারবেলা বাঁধে পলিমাটি সংকট: ‘ফ্লাশিং’ পরিকল্পনা আটকে গেল কার স্বার্থে?

দেশের সবচেয়ে বড় জলাধার তারবেলা বাঁধে দীর্ঘদিনের পলিমাটি জমে পানি ধারণক্ষমতা দ্রুত কমছে—এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাবিত ‘ফ্লাশিং’ বা নিয়ন্ত্রিত পানি ছেড়ে তলানির মাটি বের করার পরিকল্পনা প্রাদেশিক আপত্তিতে থমকে গেছে। জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে।

কেন আটকাল পরিকল্পনা

প্রাদেশিক পানি-বণ্টন হিসাব, সেচ মৌসুমের সময়সূচি ও সম্ভাব্য বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আপত্তি তোলে। ফলে ফ্লাশিং-এর খসড়া কর্মসূচি অনুমোদন পায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেরি বাড়লে পলিমাটি আরও শক্ত হয়ে যাবে, পরে ব্যয় ও ঝুঁকি উভয়ই বাড়বে।

কী ঝুঁকি, কী বিকল্প

পানি ধারণক্ষমতা কমলে খরা মৌসুমে সেচ—আর বর্ষায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ—দু’দিকেই বাধা তৈরি হবে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও কমতে পারে। বিকল্প হিসেবে ধাপে ধাপে ফ্লাশিং, শুষ্ক সময়ে ‘ড্রডাউন’ কৌশল ও নিকট-মেয়াদি ড্রেজিংয়ের সমন্বিত রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে কৃষি, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ—তিন দিকের ভারসাম্য রাখা যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বালুচিস্তানে সপ্তাহজুড়ে সংঘর্ষের অবসান, নিহত দুই শতাধিক জঙ্গি দাবি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর

পাকিস্তানের তারবেলা বাঁধে পলিমাটি সংকট: ‘ফ্লাশিং’ পরিকল্পনা আটকে গেল কার স্বার্থে?

০৬:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

দেশের সবচেয়ে বড় জলাধার তারবেলা বাঁধে দীর্ঘদিনের পলিমাটি জমে পানি ধারণক্ষমতা দ্রুত কমছে—এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাবিত ‘ফ্লাশিং’ বা নিয়ন্ত্রিত পানি ছেড়ে তলানির মাটি বের করার পরিকল্পনা প্রাদেশিক আপত্তিতে থমকে গেছে। জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে।

কেন আটকাল পরিকল্পনা

প্রাদেশিক পানি-বণ্টন হিসাব, সেচ মৌসুমের সময়সূচি ও সম্ভাব্য বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আপত্তি তোলে। ফলে ফ্লাশিং-এর খসড়া কর্মসূচি অনুমোদন পায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেরি বাড়লে পলিমাটি আরও শক্ত হয়ে যাবে, পরে ব্যয় ও ঝুঁকি উভয়ই বাড়বে।

কী ঝুঁকি, কী বিকল্প

পানি ধারণক্ষমতা কমলে খরা মৌসুমে সেচ—আর বর্ষায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ—দু’দিকেই বাধা তৈরি হবে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও কমতে পারে। বিকল্প হিসেবে ধাপে ধাপে ফ্লাশিং, শুষ্ক সময়ে ‘ড্রডাউন’ কৌশল ও নিকট-মেয়াদি ড্রেজিংয়ের সমন্বিত রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে কৃষি, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ—তিন দিকের ভারসাম্য রাখা যায়।