০১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে: আসিফ মাহমুদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী-ছাত্রদের হেলমেট পরিধান, ছাদ ভেঙে পড়ার আতঙ্ক লক্ষ্মীপুরে স্কুলের ছাদ ধসে তিন শিক্ষার্থী আহত চীনের দূরদর্শী শক্তি নীতি হঠাৎ তেলের দাম বৃদ্ধির মধ্যেও অটল, বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছে রেকর্ড লাভ দিল্লিতে রেঁস্তোরাস্দাম বাড়ানোর চিন্তা রাশিয়ার উরালস ক্রুডের দাম $১২৩.৪৫-এ পৌঁছালো, ব্রেন্ট $১০৯ ইরানে মার্কিন হামলা কি যুদ্ধাপরাধ? শতাধিক আইন বিশেষজ্ঞের তীব্র অভিযোগে নতুন বিতর্ক হরমুজ প্রণালী ঘিরে বিশ্বজুড়ে উৎকণ্ঠা, ট্রাম্প-ইরান হুমকিতে তেলের দামে ঝাঁকুনি মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত, মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝেই নাটকীয় সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের ঝটকা সিদ্ধান্তে অ্যাটর্নি জেনারেল পদচ্যুত পাম বন্ডি, বিতর্কের কেন্দ্রে এপস্টিন ফাইল

পাকিস্তানের তারবেলা বাঁধে পলিমাটি সংকট: ‘ফ্লাশিং’ পরিকল্পনা আটকে গেল কার স্বার্থে?

দেশের সবচেয়ে বড় জলাধার তারবেলা বাঁধে দীর্ঘদিনের পলিমাটি জমে পানি ধারণক্ষমতা দ্রুত কমছে—এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাবিত ‘ফ্লাশিং’ বা নিয়ন্ত্রিত পানি ছেড়ে তলানির মাটি বের করার পরিকল্পনা প্রাদেশিক আপত্তিতে থমকে গেছে। জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে।

কেন আটকাল পরিকল্পনা

প্রাদেশিক পানি-বণ্টন হিসাব, সেচ মৌসুমের সময়সূচি ও সম্ভাব্য বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আপত্তি তোলে। ফলে ফ্লাশিং-এর খসড়া কর্মসূচি অনুমোদন পায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেরি বাড়লে পলিমাটি আরও শক্ত হয়ে যাবে, পরে ব্যয় ও ঝুঁকি উভয়ই বাড়বে।

কী ঝুঁকি, কী বিকল্প

পানি ধারণক্ষমতা কমলে খরা মৌসুমে সেচ—আর বর্ষায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ—দু’দিকেই বাধা তৈরি হবে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও কমতে পারে। বিকল্প হিসেবে ধাপে ধাপে ফ্লাশিং, শুষ্ক সময়ে ‘ড্রডাউন’ কৌশল ও নিকট-মেয়াদি ড্রেজিংয়ের সমন্বিত রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে কৃষি, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ—তিন দিকের ভারসাম্য রাখা যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে: আসিফ মাহমুদ

পাকিস্তানের তারবেলা বাঁধে পলিমাটি সংকট: ‘ফ্লাশিং’ পরিকল্পনা আটকে গেল কার স্বার্থে?

০৬:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

দেশের সবচেয়ে বড় জলাধার তারবেলা বাঁধে দীর্ঘদিনের পলিমাটি জমে পানি ধারণক্ষমতা দ্রুত কমছে—এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাবিত ‘ফ্লাশিং’ বা নিয়ন্ত্রিত পানি ছেড়ে তলানির মাটি বের করার পরিকল্পনা প্রাদেশিক আপত্তিতে থমকে গেছে। জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে।

কেন আটকাল পরিকল্পনা

প্রাদেশিক পানি-বণ্টন হিসাব, সেচ মৌসুমের সময়সূচি ও সম্ভাব্য বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আপত্তি তোলে। ফলে ফ্লাশিং-এর খসড়া কর্মসূচি অনুমোদন পায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেরি বাড়লে পলিমাটি আরও শক্ত হয়ে যাবে, পরে ব্যয় ও ঝুঁকি উভয়ই বাড়বে।

কী ঝুঁকি, কী বিকল্প

পানি ধারণক্ষমতা কমলে খরা মৌসুমে সেচ—আর বর্ষায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ—দু’দিকেই বাধা তৈরি হবে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও কমতে পারে। বিকল্প হিসেবে ধাপে ধাপে ফ্লাশিং, শুষ্ক সময়ে ‘ড্রডাউন’ কৌশল ও নিকট-মেয়াদি ড্রেজিংয়ের সমন্বিত রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে কৃষি, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ—তিন দিকের ভারসাম্য রাখা যায়।