০৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পঞ্চম সপ্তাহে তীব্রতা বৃদ্ধি, বৈরুত ও তুরস্কে নতুন উত্তেজনা চিপ পাচার কেলেঙ্কারি: নিষেধাজ্ঞা ভেঙে চীনে পৌঁছাচ্ছে উন্নত প্রযুক্তি, নিয়ন্ত্রণে বড় ফাঁক বাইটড্যান্সের ঝড়ো উত্থান: টিকটক থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—বিশ্ব প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন শক্তির উত্থান ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতারণা: শীর্ষ কর্মকর্তার পরিচয়ে যুবক গ্রেপ্তার, বেরিয়ে এলো চক্রের কৌশল বরিশালে হামের ভয়াবহ বিস্তার, তিন মাসে ৭ শিশুর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গা ও নাটোরে অভিযান, অনিয়মে দুই লাখ টাকা জরিমানা শরিয়াহ মানদণ্ডে ফাঁক, আস্থার সংকট—ইসলামী ব্যাংকিংয়ে সংস্কারের ডাক ঢাকার শহীদ মিনার এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার তিস্তা সীমান্তে জ্বালানি চোরাচালান ঠেকাতে কড়াকড়ি, অভিযানে সক্রিয় বিজিবি সায়েদাবাদে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণীর, ঢাকায় আবারও সড়ক নিরাপত্তা প্রশ্নে
সাহিত্য

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৬)

বুলু ও চড়ুই ‘বুলুপা, বুলুমণি, বুলবুলি-‘ এবার ডাকার ধরনটা একটু অন্য রকমের। বজ্জাতটা সুর পাল্টানোর তুখোড় কারিগর। সেদিনও ঠিক এইভাবে

জাতীয় মঙ্গল’-এর কবি মোজাম্মেল হক: সাহিত্য, রাজনীতি ও জনকল্যাণে এক উজ্জ্বল জীবন

বাংলা সাহিত্যে ‘জাতীয় মঙ্গল’-এর কবি হিসেবে খ্যাত মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন উনিশ ও বিশ শতকের সন্ধিক্ষণে মুসলিম নবজাগরণের অন্যতম কণ্ঠস্বর। তাঁর

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৫)

বুলু ও চড়ুই ভেতর বারান্দায় দাঁড়িয়ে আব্বা যখন নিষ্ফল আক্রোশে সরবে ওকে ঝাড়াই করছিলেন সে সময় আনু ডাল নাড়া দিয়ে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২২০)

দীনেশচন্দ্র তাঁহাকে প্রায় সব সময়েই কোনো কিছু লিখিতে দেখা যাইত। লোকজনের সঙ্গে তিনি কথাবার্তা বলিতেন, আবার সেই সঙ্গে তিনি বই

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৪)

বুলু ও চড়ুই শীতের এক সুন্দর বিকেলে পাশের ঘর থেকে আনু ডাক দেয়, ‘বুলু! আই বুলু, বুলটি- জ-কুঁচকে দরোজার দিকে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৯)

দীনেশচন্দ্র দীনেশবাবু বলিলেন, “সবুর কর। আমি পুস্তকের উপর যে বিস্তৃত সমালোচনা লিখব তা পড়ে অনেকেই এই পুস্তকের আদর করবে।” ইহার

স্মরণে রামেন্দ্র সুন্দর

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ১৯১৪ সালে সাহিত্য পরিষদে রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর সংবর্ধনার অভিনন্দনে লিখেছিলেন, ‘সর্বজ্জনপ্রিয় তুমি, মাধুর্য্যধারায় তোমার বন্ধুগণের চিত্ত-লোক অভিষিক্ত করিয়াছ।

প্রেমিক কখনও বেজন্মা হয় না

তুমি কেন এসে সামনে দাঁড়ালে আমার নিজে হাতে গুছিয়ে দিয়েছিলে আমাকে বনপথের শেষ প্রান্তে খালের পাড়ে এসেছিলে তুলে দিতে নৌকায়।

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৮)

দীনেশচন্দ্র যখন আমি বি, এ, ক্লাসের ছাত্র তখন দীনেশবাবু আমাকে লিখিলেন, “তোমার সেই ‘কবর’ কবিতাটি নকল করে পাঠাও। আমি ‘ম্যাট্রিক

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৭)

দীনেশচন্দ্র আমার কবিতার খাতাখানা তখন আমার সঙ্গেই ছিল। আমি আর স্থির থাকিতে পারিলাম না। কবিতার খাতাখানা দীনেশবাবুর সামনে আগাইয়া ধরিয়া