০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে বাংলাদেশের খরচ

ডিজনি রিমেক ক্লান্ত? পুরোপুরি না—‘অ্যাটলান্টিস’ এখনো প্রাধান্যে

প্রিন্সেস ফর্মুলা ছাড়িয়ে স্কোয়াড অ্যাডভেঞ্চার
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানাচ্ছে, ডিজনি অনেক পরিচিত অ্যানিমেশনকে লাইভ-অ্যাকশনে আনার গতি কমালেও ‘অ্যাটলান্টিস: দ্য লস্ট এমপায়ার’ নামে ২০০০ দশকের শুরুর অ্যাডভেঞ্চার গল্পটি এখনও স্টুডিওর অ্যাকটিভ ডেভেলপমেন্ট তালিকায় আছে। কেন? কারণ এটি রাজকন্যা-কেন্দ্রিক মিউজিক্যাল নয়, বরং একদল এক্সপ্লোরারের এক্সপেডিশন থ্রিল। স্টুডিওর ভাষায়, টার্গেট হলো সেই টিনএজার ও টোয়েন্টিজ অডিয়েন্স যারা নস্টালজিক VHS প্রজন্ম না, বরং স্ট্রিমিং প্রজন্ম—যারা চায় টিম ডায়নামিক, গ্যাজেট, ভাঙাচোরা মানচিত্র আর সেমি-স্টিমপাঙ্ক ভিজ্যুয়াল।

ডিজনির জন্য ঝুঁকি ও সুযোগ
ডিজনি এখন বিনিয়োগকারীদের কাছে বোঝাতে চাইছে যে তারা কেবল পুরোনো ফর্মুলা চিবোচ্ছে না। একইসঙ্গে তারা বক্স অফিস ও মার্চেন্ডাইজের নিরাপদ পথও ছাড়তে পারছে না, কারণ স্ট্রিমিং লস নিয়ে শেয়ারহোল্ডারদের চাপ তীব্র। ‘অ্যাটলান্টিস’ এই দুই দিক একসাথে মেটায়। এখানে মূল বিক্রি হলো দলের কেমিস্ট্রি ও ওয়ার্ল্ড-বিল্ডিং, প্রেমের একক রূপকথা নয়। এতে কাস্টিং আরও নমনীয়: স্টুডিও বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের অভিনেতা দিয়ে দল বানাতে পারে এবং সেই দলকেই অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার ফ্র্যাঞ্চাইজ বানাতে পারে। যদি এই মডেল কাজ করে, তাহলে ডিজনি তার ভল্ট থেকে আরও কম চর্চিত, গ্যাজেট-সমৃদ্ধ, টিম-ড্রিভেন টাইটেলগুলো বের করবে—যেগুলো খেলনা, পোশাক, কালেক্টিবলস হিসেবে দ্রুত বিক্রি করা যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে

ডিজনি রিমেক ক্লান্ত? পুরোপুরি না—‘অ্যাটলান্টিস’ এখনো প্রাধান্যে

০৬:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

প্রিন্সেস ফর্মুলা ছাড়িয়ে স্কোয়াড অ্যাডভেঞ্চার
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানাচ্ছে, ডিজনি অনেক পরিচিত অ্যানিমেশনকে লাইভ-অ্যাকশনে আনার গতি কমালেও ‘অ্যাটলান্টিস: দ্য লস্ট এমপায়ার’ নামে ২০০০ দশকের শুরুর অ্যাডভেঞ্চার গল্পটি এখনও স্টুডিওর অ্যাকটিভ ডেভেলপমেন্ট তালিকায় আছে। কেন? কারণ এটি রাজকন্যা-কেন্দ্রিক মিউজিক্যাল নয়, বরং একদল এক্সপ্লোরারের এক্সপেডিশন থ্রিল। স্টুডিওর ভাষায়, টার্গেট হলো সেই টিনএজার ও টোয়েন্টিজ অডিয়েন্স যারা নস্টালজিক VHS প্রজন্ম না, বরং স্ট্রিমিং প্রজন্ম—যারা চায় টিম ডায়নামিক, গ্যাজেট, ভাঙাচোরা মানচিত্র আর সেমি-স্টিমপাঙ্ক ভিজ্যুয়াল।

ডিজনির জন্য ঝুঁকি ও সুযোগ
ডিজনি এখন বিনিয়োগকারীদের কাছে বোঝাতে চাইছে যে তারা কেবল পুরোনো ফর্মুলা চিবোচ্ছে না। একইসঙ্গে তারা বক্স অফিস ও মার্চেন্ডাইজের নিরাপদ পথও ছাড়তে পারছে না, কারণ স্ট্রিমিং লস নিয়ে শেয়ারহোল্ডারদের চাপ তীব্র। ‘অ্যাটলান্টিস’ এই দুই দিক একসাথে মেটায়। এখানে মূল বিক্রি হলো দলের কেমিস্ট্রি ও ওয়ার্ল্ড-বিল্ডিং, প্রেমের একক রূপকথা নয়। এতে কাস্টিং আরও নমনীয়: স্টুডিও বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের অভিনেতা দিয়ে দল বানাতে পারে এবং সেই দলকেই অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার ফ্র্যাঞ্চাইজ বানাতে পারে। যদি এই মডেল কাজ করে, তাহলে ডিজনি তার ভল্ট থেকে আরও কম চর্চিত, গ্যাজেট-সমৃদ্ধ, টিম-ড্রিভেন টাইটেলগুলো বের করবে—যেগুলো খেলনা, পোশাক, কালেক্টিবলস হিসেবে দ্রুত বিক্রি করা যায়।