১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

‘সিনিয়র-জুনিয়র’ দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে তথাকথিত ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে আহত এক স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম রুমান, বয়স পনেরো বছর। সোমবার ২২ ডিসেম্বর ভোর পাঁচটার দিকে রমনার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য

রুমান শরীয়তপুর জেলার বাসিন্দা জালাল উদ্দীনের ছেলে। পরিবারের সঙ্গে সে কামরাঙ্গীরচরের পূর্ব রসুলপুর এলাকার সাত নম্বর গলিতে বসবাস করত। স্থানীয় একটি স্কুলে সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার ১৯ ডিসেম্বর ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ দ্বন্দ্বের জেরে রুমানের ওপর ছুরিকাঘাত করা হয়। অভিযুক্ত কিশোরের নাম সাইফুল ইসলাম, বয়স ষোলো বছর। গুরুতর আহত অবস্থায় রুমানকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, মৃত্যুর পর রুমানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি

গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তি

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরদিন ২০ ডিসেম্বর গেন্ডারিয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে সাইফুল জানিয়েছে, রুমান তাকে ‘সিনিয়র’ হিসেবে সম্মান না করায় সে ক্ষুব্ধ হয়ে ছুরিকাঘাত করে।

আইনি পদক্ষেপ

এই ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সিনিয়র-জুনিয়র’ দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

০২:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে তথাকথিত ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে আহত এক স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম রুমান, বয়স পনেরো বছর। সোমবার ২২ ডিসেম্বর ভোর পাঁচটার দিকে রমনার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য

রুমান শরীয়তপুর জেলার বাসিন্দা জালাল উদ্দীনের ছেলে। পরিবারের সঙ্গে সে কামরাঙ্গীরচরের পূর্ব রসুলপুর এলাকার সাত নম্বর গলিতে বসবাস করত। স্থানীয় একটি স্কুলে সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার ১৯ ডিসেম্বর ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ দ্বন্দ্বের জেরে রুমানের ওপর ছুরিকাঘাত করা হয়। অভিযুক্ত কিশোরের নাম সাইফুল ইসলাম, বয়স ষোলো বছর। গুরুতর আহত অবস্থায় রুমানকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, মৃত্যুর পর রুমানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে বদলি

গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তি

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরদিন ২০ ডিসেম্বর গেন্ডারিয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে সাইফুল জানিয়েছে, রুমান তাকে ‘সিনিয়র’ হিসেবে সম্মান না করায় সে ক্ষুব্ধ হয়ে ছুরিকাঘাত করে।

আইনি পদক্ষেপ

এই ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।