১০:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
মিশেল ফাইফারের অভিনয়ের জাদু: দুটি ভিন্ন শোতেই হৃদয় স্পন্দন অনলাইন শিক্ষায় বাবা-মায়ের নতুন কৌশল: বাড়িতে ইউনিফর্ম, ব্যায়াম ও ফলের খোঁজ চাঁদে ফেরার নতুন ইতিহাস: অর্ধশতাব্দী পর মানুষের মহাকাশযাত্রায় বড় পদক্ষেপ চীনের চিপ শিল্পে নতুন মার্কিন চাপ ইউএই-তে পরিবারকেন্দ্রিক ইস্টার উদযাপন: ডিনার থেকে ডিম খোঁজা, সবকিছুই মিলেমিশে উৎসবের আনন্দ বাড়াচ্ছে দামার হ্যামলিনের জীবন বদলে দেওয়া হৃদরোগ সচেতনতার সংগ্রাম: বাঁচার লড়াই থেকে অন্যদের জীবন বাঁচানো পর্যন্ত আত্মার বন্ধুত্বের রহস্যে হারানো: ইমপারফেক্ট উইমেন-এর শোবিশ্লেষণ চাকরি ও শ্রমিকের সমন্বয়, তবে সন্তুষ্টি নেই কম্বোডিয়ার সাইবার অপরাধ দমন আইন প্যাম বন্ডি চেয়ার করেছিলেন মার্জিত বিদায়, কিন্তু ট্রাম্প চাইলেন তাকে বিদায় দিতে

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, একাধিক ঘর পুড়ে ছাই

টেকনাফে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত বিশ থেকে পঁচিশটির বেশি ঘর পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্টরা।

কখন ও কোথায় আগুন লাগে
রোববার রাত সাড়ে দশটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ও আলীখালী এলাকার চব্বিশ ও পঁচিশ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ
লেদা ডেভেলপমেন্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলম জানান, ক্যাম্পের এক বাসিন্দার ঘরে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের চার্জার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।

ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
ক্যাম্পের বাসিন্দারা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ঘর রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। কারও মতে পঁচিশ থেকে ত্রিশটির বেশি ঝুপড়ি ঘর ইতোমধ্যে পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় শুরুতে স্থানীয়ভাবে তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপরতা
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। একই সঙ্গে ক্যাম্পের বাসিন্দা ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করছেন।

নিরাপত্তা বাহিনীর বক্তব্য
এ বিষয়ে ষোল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আলীখালী ও লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মধ্যবর্তী এলাকার ঘরগুলোতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিশেল ফাইফারের অভিনয়ের জাদু: দুটি ভিন্ন শোতেই হৃদয় স্পন্দন

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, একাধিক ঘর পুড়ে ছাই

১১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

টেকনাফে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত বিশ থেকে পঁচিশটির বেশি ঘর পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্টরা।

কখন ও কোথায় আগুন লাগে
রোববার রাত সাড়ে দশটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ও আলীখালী এলাকার চব্বিশ ও পঁচিশ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ
লেদা ডেভেলপমেন্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলম জানান, ক্যাম্পের এক বাসিন্দার ঘরে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের চার্জার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।

ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
ক্যাম্পের বাসিন্দারা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ঘর রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। কারও মতে পঁচিশ থেকে ত্রিশটির বেশি ঝুপড়ি ঘর ইতোমধ্যে পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় শুরুতে স্থানীয়ভাবে তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপরতা
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। একই সঙ্গে ক্যাম্পের বাসিন্দা ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করছেন।

নিরাপত্তা বাহিনীর বক্তব্য
এ বিষয়ে ষোল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আলীখালী ও লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মধ্যবর্তী এলাকার ঘরগুলোতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।