০৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
বাংলাদেশের অচলাবস্থা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা: এনডিটিভি প্রতিবেদন বিক্ষোভের চাপে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি চলমান শীতল ঢেউ: উত্তরের জনপদে কুয়াশা, কাঁপুনি আর টিকে থাকার গল্প অ্যাশেজ ধাক্কার পরও হাল ছাড়ছেন না স্টোকস, ভুল শুধরানোর অঙ্গীকার চীনের রপ্তানি হুমকিতে নরম সুর, জাপানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত বেইজিংয়ের গ্রিনল্যান্ড সংকটে ডেনমার্ক: যে ভূখণ্ড নিজেই দূরে সরে যাচ্ছে, তাকে রক্ষার লড়াই সংঘর্ষের অবসান, আলেপ্পো ছাড়ল শেষ কুর্দি যোদ্ধারা কিউবার অর্থনীতি ভেঙে পড়লেও সরকারের পতন অনিশ্চিত আমেরিকার তেলের স্বপ্ন ও ভেনেজুয়েলার বাস্তবতা: ক্ষমতা দখলের পর পেট্রোলিয়াম সাম্রাজ্যের হিসাব ঋণের জালে ভেনেজুয়েলা: মাদুরো পতনের পর আরও জটিল অর্থনৈতিক সমীকরণ

বিদেশি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ নাকচ করল ভারতের জলবায়ু সংগঠন

নয় জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ

ভারতের একটি পরিচিত জলবায়ু আন্দোলনভিত্তিক সংস্থা বিদেশি অর্থ অপব্যবহার করে নীতিনির্ধারণে প্রভাব ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। সংস্থাটির দাবি, তারা সব ধরনের তদন্তে সহযোগিতা করেছে এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন।

বুধবার গভীর রাতে দেওয়া বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, দেশের শীর্ষ আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। সোমবার সংস্থার কার্যালয় এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা জলবায়ু কর্মী হরজিৎ সিং ও তাঁর স্ত্রী জ্যোতি আওয়াস্থির বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়।

তদন্ত সংস্থা কী বলছে

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হরজিৎ সিংকে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের আবগারি বিভাগ অনুমোদিত সীমার বেশি মদ উদ্ধারের ঘটনায় আটক করেছিল। পরে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানালেও অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত সংস্থার অভিযোগ, দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার পঁচিশ সালের মধ্যে পরামর্শ ফি দেখিয়ে বিদেশ থেকে প্রায় ছয় লাখ ছেষট্টি হাজার ডলার এসেছে।

তদন্ত সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অর্থ আসলে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রচারে ব্যয় করা হয়েছে, যার লক্ষ্য জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদন ধাপে ধাপে বন্ধ করা। সংস্থাটি বলেছে, এটিকে জলবায়ু উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এর বাস্তবায়ন ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের মতো মঞ্চে আইনি চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংস্থার অবস্থান

সংস্থাটি পাল্টা বক্তব্যে বলেছে, তারা কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেনি। জলবায়ু সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে সচেতনতা তৈরিই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। বিদেশি অনুদান গ্রহণ ও ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ আইন অনুযায়ী হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের অচলাবস্থা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা: এনডিটিভি প্রতিবেদন

বিদেশি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ নাকচ করল ভারতের জলবায়ু সংগঠন

১২:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

নয় জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ

ভারতের একটি পরিচিত জলবায়ু আন্দোলনভিত্তিক সংস্থা বিদেশি অর্থ অপব্যবহার করে নীতিনির্ধারণে প্রভাব ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। সংস্থাটির দাবি, তারা সব ধরনের তদন্তে সহযোগিতা করেছে এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন।

বুধবার গভীর রাতে দেওয়া বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, দেশের শীর্ষ আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। সোমবার সংস্থার কার্যালয় এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা জলবায়ু কর্মী হরজিৎ সিং ও তাঁর স্ত্রী জ্যোতি আওয়াস্থির বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়।

তদন্ত সংস্থা কী বলছে

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হরজিৎ সিংকে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের আবগারি বিভাগ অনুমোদিত সীমার বেশি মদ উদ্ধারের ঘটনায় আটক করেছিল। পরে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানালেও অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত সংস্থার অভিযোগ, দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার পঁচিশ সালের মধ্যে পরামর্শ ফি দেখিয়ে বিদেশ থেকে প্রায় ছয় লাখ ছেষট্টি হাজার ডলার এসেছে।

তদন্ত সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অর্থ আসলে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রচারে ব্যয় করা হয়েছে, যার লক্ষ্য জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদন ধাপে ধাপে বন্ধ করা। সংস্থাটি বলেছে, এটিকে জলবায়ু উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এর বাস্তবায়ন ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের মতো মঞ্চে আইনি চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংস্থার অবস্থান

সংস্থাটি পাল্টা বক্তব্যে বলেছে, তারা কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেনি। জলবায়ু সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে সচেতনতা তৈরিই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। বিদেশি অনুদান গ্রহণ ও ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ আইন অনুযায়ী হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস।