০২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে সতর্কতা, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অব্যাহত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদীর ভাঙন: এক দশকে ঘরহারা ৫০০ পরিবার, স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় ৪৮.৬৪ কোটি টাকার প্রকল্প সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, বিভাগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৬ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক ঐক্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি: চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে হামের চিকিৎসা ব্যয়ে ঋণগ্রস্ত ৮৯% পরিবার, গড় খরচ ১৬ হাজার টাকা: বিডিআরসিএস-আইএফআরসি রাশিয়াজুড়ে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত অন্তত আট; লক্ষ্যবস্তু বড় গুদাম ও সামরিক স্থাপনা ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের শতাধিক ব্যাংক হিসাব বন্ধে মানি লন্ডারিং পর্যালোচনার দাবি ক্যাপিটাল ওয়ানের গ্রিসে দাবানল নেভাতে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে নিহত ২, ইউরোপজুড়ে তাপদাহে বাড়ছে দুর্যোগ ভারত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর বাজারের বিকল্প নিরাপদ গন্তব্য হয়ে উঠছে? অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুতে সামুদ্রিক পাখির গণমৃত্যু, সতর্কতা জারি

বিদেশি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ নাকচ করল ভারতের জলবায়ু সংগঠন

নয় জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ

ভারতের একটি পরিচিত জলবায়ু আন্দোলনভিত্তিক সংস্থা বিদেশি অর্থ অপব্যবহার করে নীতিনির্ধারণে প্রভাব ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। সংস্থাটির দাবি, তারা সব ধরনের তদন্তে সহযোগিতা করেছে এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন।

বুধবার গভীর রাতে দেওয়া বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, দেশের শীর্ষ আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। সোমবার সংস্থার কার্যালয় এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা জলবায়ু কর্মী হরজিৎ সিং ও তাঁর স্ত্রী জ্যোতি আওয়াস্থির বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়।

তদন্ত সংস্থা কী বলছে

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হরজিৎ সিংকে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের আবগারি বিভাগ অনুমোদিত সীমার বেশি মদ উদ্ধারের ঘটনায় আটক করেছিল। পরে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানালেও অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত সংস্থার অভিযোগ, দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার পঁচিশ সালের মধ্যে পরামর্শ ফি দেখিয়ে বিদেশ থেকে প্রায় ছয় লাখ ছেষট্টি হাজার ডলার এসেছে।

তদন্ত সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অর্থ আসলে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রচারে ব্যয় করা হয়েছে, যার লক্ষ্য জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদন ধাপে ধাপে বন্ধ করা। সংস্থাটি বলেছে, এটিকে জলবায়ু উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এর বাস্তবায়ন ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের মতো মঞ্চে আইনি চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংস্থার অবস্থান

সংস্থাটি পাল্টা বক্তব্যে বলেছে, তারা কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেনি। জলবায়ু সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে সচেতনতা তৈরিই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। বিদেশি অনুদান গ্রহণ ও ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ আইন অনুযায়ী হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে সতর্কতা, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অব্যাহত

বিদেশি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ নাকচ করল ভারতের জলবায়ু সংগঠন

১২:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

নয় জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ

ভারতের একটি পরিচিত জলবায়ু আন্দোলনভিত্তিক সংস্থা বিদেশি অর্থ অপব্যবহার করে নীতিনির্ধারণে প্রভাব ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। সংস্থাটির দাবি, তারা সব ধরনের তদন্তে সহযোগিতা করেছে এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন।

বুধবার গভীর রাতে দেওয়া বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, দেশের শীর্ষ আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। সোমবার সংস্থার কার্যালয় এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা জলবায়ু কর্মী হরজিৎ সিং ও তাঁর স্ত্রী জ্যোতি আওয়াস্থির বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়।

তদন্ত সংস্থা কী বলছে

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হরজিৎ সিংকে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের আবগারি বিভাগ অনুমোদিত সীমার বেশি মদ উদ্ধারের ঘটনায় আটক করেছিল। পরে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানালেও অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত সংস্থার অভিযোগ, দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার পঁচিশ সালের মধ্যে পরামর্শ ফি দেখিয়ে বিদেশ থেকে প্রায় ছয় লাখ ছেষট্টি হাজার ডলার এসেছে।

তদন্ত সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অর্থ আসলে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রচারে ব্যয় করা হয়েছে, যার লক্ষ্য জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদন ধাপে ধাপে বন্ধ করা। সংস্থাটি বলেছে, এটিকে জলবায়ু উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এর বাস্তবায়ন ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের মতো মঞ্চে আইনি চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংস্থার অবস্থান

সংস্থাটি পাল্টা বক্তব্যে বলেছে, তারা কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেনি। জলবায়ু সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে সচেতনতা তৈরিই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। বিদেশি অনুদান গ্রহণ ও ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ আইন অনুযায়ী হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস।