০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
ইরানে বেশি ক্ষতির ঝুঁকি থাকলেও কেন সরাসরি হস্তক্ষেপে যাচ্ছে না চীন বিগ থ্রি শেষ, এখন টেনিসের দুনিয়ায় রাজত্ব করছে বিগ টু ফুজিয়ানের নকশাগত সীমাবদ্ধতা ও চীনের পরবর্তী বিমানবাহী রণতরীর চ্যালেঞ্জ চীনের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার নতুন টেনিস জাগরণ, ইলা ও জেনকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আলো চীন–কানাডা সম্পর্কের নতুন মোড়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন চেতনা স্যুটের মৃত্যু নেই, বদলাচ্ছে তার ভাষা স্যাভিল রো থেকে নিজের পথে নিনা পেনলিংটন নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস, ভারতের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয় হার্ভার্ডের পতন, চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্থান বিশ্ব গবেষণায় ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে চীন–উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক উষ্ণ, দুই বছরে প্রথমবার বাণিজ্যে বড় উল্লম্ফন

নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, তা নতুন করে ভাবছে এনসিপি

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে ভাবনায় বসেছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)। নির্বাচন কমিশনের একতরফা সিদ্ধান্ত ও আচরণকে কেন্দ্র করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় থাকা না থাকার প্রশ্নটি পুনর্বিবেচনার কথা জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) আপিল শুনানির শেষ দিনে বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এনসিপিকে তাদের নির্বাচনী অবস্থান নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। তাঁর ভাষায়, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত কি না, সে বিষয়টি দল গভীরভাবে পর্যালোচনা করবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি
আসিফ মাহমুদ জানান, নির্বাচন নিয়ে দলের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তিনি নিজেও এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান। তাঁর মতে, বিষয়টি দলের রাজনৈতিক কাউন্সিল এবং ১০ দলীয় জোটের ভেতরে আলোচনা হবে। এসব আলোচনা শেষে এনসিপি তাদের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।

এনসিপির মুখপাত্র হলেন আসিফ মাহমুদ, করবেন না নির্বাচন

নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাহীনতার অভিযোগ
এনসিপির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন জনআস্থা হারিয়েছে। আসিফ মাহমুদের দাবি, রাজনৈতিক দল ও ভোটারদের আস্থা অর্জনে কমিশন ব্যর্থ হয়েছে, যা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বর্তমান প্রক্রিয়া চলতে থাকলে বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে না।

একতরফা সিদ্ধান্তে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ
নির্বাচন কমিশনের কিছু সিদ্ধান্তকে একতরফা বলে উল্লেখ করেন এনসিপির মুখপাত্র। তাঁর অভিযোগ, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করছে।

২০১৪ থেকে ২০১৮: দলীয় সরকারের অধীনে 'প্রশ্নবিদ্ধ' নির্বাচন | প্রথম আলো

আপিল শুনানির দিনে উত্তেজনার অভিযোগ
আপিল শুনানির শেষ দিনে নির্বাচন কমিশনের বাইরে সৃষ্ট পরিস্থিতিকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেন আসিফ মাহমুদ। তাঁর অভিযোগ, একটি বড় রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন ইচ্ছাকৃতভাবে ভিড় তৈরি করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, বাইরে ভিড় আর ভেতরে কমিশনের সঙ্গে দলীয় নেতাদের বৈঠক—সবই সাজানো ঘটনা।

আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানাল এনসিপি
নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও এনসিপি তাদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে জোটের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচন প্রস্তুতিতে নতুন উপকমিটি
এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে কেন্দ্রীয় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির কাজ জোরদার করতে এনসিপি একটি রাজনৈতিক লিয়াজোঁ উপকমিটি গঠন করেছে। দশ সদস্যের এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে আকরাম হোসেনকে এবং সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফয়সাল মাহমুদ। দলের নির্বাচনী কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানো ও প্রস্তুতি জোরদার করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে বেশি ক্ষতির ঝুঁকি থাকলেও কেন সরাসরি হস্তক্ষেপে যাচ্ছে না চীন

নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, তা নতুন করে ভাবছে এনসিপি

১১:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে ভাবনায় বসেছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)। নির্বাচন কমিশনের একতরফা সিদ্ধান্ত ও আচরণকে কেন্দ্র করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় থাকা না থাকার প্রশ্নটি পুনর্বিবেচনার কথা জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) আপিল শুনানির শেষ দিনে বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এনসিপিকে তাদের নির্বাচনী অবস্থান নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। তাঁর ভাষায়, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত কি না, সে বিষয়টি দল গভীরভাবে পর্যালোচনা করবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি
আসিফ মাহমুদ জানান, নির্বাচন নিয়ে দলের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তিনি নিজেও এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান। তাঁর মতে, বিষয়টি দলের রাজনৈতিক কাউন্সিল এবং ১০ দলীয় জোটের ভেতরে আলোচনা হবে। এসব আলোচনা শেষে এনসিপি তাদের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।

এনসিপির মুখপাত্র হলেন আসিফ মাহমুদ, করবেন না নির্বাচন

নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাহীনতার অভিযোগ
এনসিপির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন জনআস্থা হারিয়েছে। আসিফ মাহমুদের দাবি, রাজনৈতিক দল ও ভোটারদের আস্থা অর্জনে কমিশন ব্যর্থ হয়েছে, যা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বর্তমান প্রক্রিয়া চলতে থাকলে বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে না।

একতরফা সিদ্ধান্তে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ
নির্বাচন কমিশনের কিছু সিদ্ধান্তকে একতরফা বলে উল্লেখ করেন এনসিপির মুখপাত্র। তাঁর অভিযোগ, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করছে।

২০১৪ থেকে ২০১৮: দলীয় সরকারের অধীনে 'প্রশ্নবিদ্ধ' নির্বাচন | প্রথম আলো

আপিল শুনানির দিনে উত্তেজনার অভিযোগ
আপিল শুনানির শেষ দিনে নির্বাচন কমিশনের বাইরে সৃষ্ট পরিস্থিতিকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেন আসিফ মাহমুদ। তাঁর অভিযোগ, একটি বড় রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন ইচ্ছাকৃতভাবে ভিড় তৈরি করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, বাইরে ভিড় আর ভেতরে কমিশনের সঙ্গে দলীয় নেতাদের বৈঠক—সবই সাজানো ঘটনা।

আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানাল এনসিপি
নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও এনসিপি তাদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে জোটের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচন প্রস্তুতিতে নতুন উপকমিটি
এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে কেন্দ্রীয় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির কাজ জোরদার করতে এনসিপি একটি রাজনৈতিক লিয়াজোঁ উপকমিটি গঠন করেছে। দশ সদস্যের এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে আকরাম হোসেনকে এবং সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফয়সাল মাহমুদ। দলের নির্বাচনী কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানো ও প্রস্তুতি জোরদার করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।