০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
ইরানে বেশি ক্ষতির ঝুঁকি থাকলেও কেন সরাসরি হস্তক্ষেপে যাচ্ছে না চীন বিগ থ্রি শেষ, এখন টেনিসের দুনিয়ায় রাজত্ব করছে বিগ টু ফুজিয়ানের নকশাগত সীমাবদ্ধতা ও চীনের পরবর্তী বিমানবাহী রণতরীর চ্যালেঞ্জ চীনের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার নতুন টেনিস জাগরণ, ইলা ও জেনকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আলো চীন–কানাডা সম্পর্কের নতুন মোড়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন চেতনা স্যুটের মৃত্যু নেই, বদলাচ্ছে তার ভাষা স্যাভিল রো থেকে নিজের পথে নিনা পেনলিংটন নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস, ভারতের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয় হার্ভার্ডের পতন, চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্থান বিশ্ব গবেষণায় ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছে চীন–উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক উষ্ণ, দুই বছরে প্রথমবার বাণিজ্যে বড় উল্লম্ফন

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন সফল করতে ঐক্যের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সফল করা এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সব রাজনৈতিক পক্ষের ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার তিনি বলেন, জয়–পরাজয় নির্বিশেষে সবাইকে নির্বাচনের সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন নিশ্চিতের অঙ্গীকার
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত থাকলে তা সরকারকে জানাতে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, এসব বিষয় দ্রুত নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হবে এবং প্রয়োজন হলে সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক ঢাকা, ১৮  জানুয়ারি ২০২৬: আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের ...

জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক
রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন অধ্যাপক ইউনূস। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার ও রফিকুল ইসলাম খান। বৈঠকে উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আদিলুর রহমান খান ও মুহাম্মদ ফাউজুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী পরিবেশ ও সম্মিলিত দায়িত্ব
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচন ও গণভোট সফলভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন নির্ধারিত তারিখেই অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ বা এলোমেলো নির্বাচন হবে না। সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি ন্যায্য ও উৎসবমুখর নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা। এ জন্য তিনি সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জামায়াতের প্রচারণা পরিকল্পনা
বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে তারা পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন। একই সঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেও প্রচারণা চলবে। ওই তারিখ থেকে দুটি প্রচারণা একযোগে পরিচালিত হবে বলে তারা জানান। পাশাপাশি তারা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্বেগ ও বিষয় প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

অধিকাংশ কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা, স্থাপন জানুয়ারির মধ্যে : প্রধান  উপদেষ্টা | NTV Online

নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদার
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস জানান, অচিরেই অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হবে। জানুয়ারির শেষ নাগাদ এসব স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা সরবরাহ করা হবে এবং একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারের আইনি বিষয়
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণার বৈধতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং এতে কোনো আইনি বাধা পাওয়া যায়নি।

গণভোটে সরকারের প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে আইনগত বাধা নেই : প্রেস সচিব

সংস্কার ও অভিযোগ নিষ্পত্তির উদ্যোগ
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হলো প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করা। নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের যুক্ত করে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি বিশেষ হটলাইন সার্বক্ষণিক চালু থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে বেশি ক্ষতির ঝুঁকি থাকলেও কেন সরাসরি হস্তক্ষেপে যাচ্ছে না চীন

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন সফল করতে ঐক্যের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের

১১:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সফল করা এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সব রাজনৈতিক পক্ষের ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার তিনি বলেন, জয়–পরাজয় নির্বিশেষে সবাইকে নির্বাচনের সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন নিশ্চিতের অঙ্গীকার
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত থাকলে তা সরকারকে জানাতে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, এসব বিষয় দ্রুত নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হবে এবং প্রয়োজন হলে সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক ঢাকা, ১৮  জানুয়ারি ২০২৬: আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের ...

জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক
রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন অধ্যাপক ইউনূস। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার ও রফিকুল ইসলাম খান। বৈঠকে উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আদিলুর রহমান খান ও মুহাম্মদ ফাউজুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী পরিবেশ ও সম্মিলিত দায়িত্ব
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচন ও গণভোট সফলভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন নির্ধারিত তারিখেই অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ বা এলোমেলো নির্বাচন হবে না। সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি ন্যায্য ও উৎসবমুখর নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা। এ জন্য তিনি সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জামায়াতের প্রচারণা পরিকল্পনা
বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে তারা পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন। একই সঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেও প্রচারণা চলবে। ওই তারিখ থেকে দুটি প্রচারণা একযোগে পরিচালিত হবে বলে তারা জানান। পাশাপাশি তারা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্বেগ ও বিষয় প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

অধিকাংশ কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা, স্থাপন জানুয়ারির মধ্যে : প্রধান  উপদেষ্টা | NTV Online

নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদার
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস জানান, অচিরেই অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হবে। জানুয়ারির শেষ নাগাদ এসব স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা সরবরাহ করা হবে এবং একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারের আইনি বিষয়
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণার বৈধতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং এতে কোনো আইনি বাধা পাওয়া যায়নি।

গণভোটে সরকারের প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে আইনগত বাধা নেই : প্রেস সচিব

সংস্কার ও অভিযোগ নিষ্পত্তির উদ্যোগ
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হলো প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করা। নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের যুক্ত করে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সময়ে সব ধরনের অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি বিশেষ হটলাইন সার্বক্ষণিক চালু থাকবে।