ভারত সরকার বিভিন্ন কারণে ভিসা দেওয়া সীমিত করায় বাংলাদেশ থেকেও ভিসা প্রদানের সংখ্যা কমে গেছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই পরিস্থিতি স্থায়ী নয় বলে মন্তব্য করে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে বক্তব্য
মঙ্গলবার পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, শুধু নির্দিষ্ট কোনো বন্দর নয়, সারা দেশেই ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রী চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী চলাচল কমেছে
উপদেষ্টা বলেন, আগে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি যাত্রী যাতায়াত করতেন। বর্তমানে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে তিন থেকে চার শ জনে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি ভারতের ভিসা নীতির কঠোরতাকে দায়ী করেন। ভারতের পক্ষ থেকে ভিসা কম দেওয়ার ফলে বাংলাদেশ থেকেও স্বাভাবিক হারে ভিসা ইস্যু করা যাচ্ছে না।

নির্বাচনের পর পরিস্থিতি উন্নতির আশা
এই পরিস্থিতি সাময়িক উল্লেখ করে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে নতুন সরকারের সময়ে ভিসা ও যাত্রী চলাচলের মেয়াদ ও সুযোগ আরও ভালো হবে বলে তিনি আশা করেন।
বাংলাবান্ধা বন্দর নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, বেসরকারি পোর্ট অপারেটরের মেয়াদ শেষ হলে সরকার এই বন্দরকে ঘিরে নতুন করে পরিকল্পনা নিতে পারবে। তিনি বলেন, উপমহাদেশীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক একেক ক্ষেত্রে একেক রকম। সে কারণে সরাসরি এখান থেকে সড়কপথে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন সহজ নয়, কারণ মাঝখানে অন্য দেশের ভূখণ্ড অতিক্রম করতে হয়।
স্থলবন্দর নিয়ে সরকারের অবস্থান
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ২০টি স্থলবন্দর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব স্থলবন্দর নিয়ে একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে। আগামী সরকার এসে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করবে।
অন্যান্য কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ
স্থলবন্দর পরিদর্শনের পর এম সাখাওয়াত হোসেন পঞ্চগড় সরকারি অডিটরিয়ামে একটি রাজনৈতিক প্রচারণা সভায় যোগ দেন। এ সময় জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলামসহ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















