০৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা? বিশ্বকাপের উন্মাদনায় এক হচ্ছে বিশ্ব, ফুটবলের ভাষায় গড়ে উঠছে সম্মান ও সহমর্মিতা সৃজনশীলতা চাই, কিন্তু কতটা সহনশীল আমরা? সিঙ্গাপুরে শিল্পচর্চা নিয়ে নতুন বিতর্ক জাপানের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, ব্যয় বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে থমকে যাচ্ছে একের পর এক পরিকল্পনা এশিয়াজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ছয় আঞ্চলিক সংস্থার চুক্তি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৬৪৩

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী এই মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে হামজনিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মৃত্যুটিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান কী বলছে

সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৫১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯২ জনে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ২৬৬ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৬ জনের শরীরে পরীক্ষাগারে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এতে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহে মোট ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাও স্বাস্থ্যখাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির এই তথ্য জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৬৪৩

০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী এই মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে হামজনিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মৃত্যুটিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান কী বলছে

সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৫১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯২ জনে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ২৬৬ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৬ জনের শরীরে পরীক্ষাগারে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এতে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহে মোট ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাও স্বাস্থ্যখাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির এই তথ্য জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।