০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ইসলামের পতন, তবু শেষ হয়ে যায়নি মুসলিম ব্রাদারহুড ইউরোপকে এক করার অদৃশ্য কারিগর কারা? লেবার ও ব্যবসা: অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে সম্পর্ক মেরামতের নতুন সুযোগ শান্তির কথা বলাই এখন রাশিয়ায় অপরাধ, নির্বাচনের দৌড় থেকে বাদ উদারপন্থী ইয়াব্লোকো বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার আশঙ্কা: জার্মানিকে নতুন ধরনের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে হবে শুকিয়ে যাচ্ছে ইউরোপের প্রধান নদী, জ্বালানি ও শিল্পে বাড়ছে বিপদের শঙ্কা ব্যর্থতার দীর্ঘ ইতিহাস পেরিয়ে সমুদ্রশক্তি বাড়াচ্ছে ব্রাজিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক অস্ত্র হাতে ট্রাম্প, চাপে পড়তে পারে মস্কোর জ্বালানি অর্থনীতি পাঁচ বছরে আফগানিস্তান: যুদ্ধ কমেছে, কিন্তু সংকুচিত হয়েছে মানুষের জীবন বিশেষজ্ঞের ভিড়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার প্রজ্ঞাবান মানুষ

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৬৪৩

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী এই মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে হামজনিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মৃত্যুটিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান কী বলছে

সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৫১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯২ জনে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ২৬৬ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৬ জনের শরীরে পরীক্ষাগারে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এতে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহে মোট ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাও স্বাস্থ্যখাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির এই তথ্য জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ইসলামের পতন, তবু শেষ হয়ে যায়নি মুসলিম ব্রাদারহুড

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৬৪৩

০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী এই মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে হামজনিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মৃত্যুটিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান কী বলছে

সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৫১ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯২ জনে।

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ২৬৬ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৬ জনের শরীরে পরীক্ষাগারে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এতে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহে মোট ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাও স্বাস্থ্যখাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির এই তথ্য জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।