০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
চীনের প্রভাব নয়, থাইল্যান্ডের সার্বভৌম সিদ্ধান্তই শেষ কথা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় রদবদল, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি ট্রাম্পের ভারতের মহাকাশযাত্রায় নতুন যুগ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৮০০ কিলোনিউটন রকেট ইঞ্জিন উন্মোচন এক দশক পর নড়েচড়ে বসেছে উত্তর কোরিয়া-চীন সেতু, খুলতে চলছে নতুন বাণিজ্যপথ সাকিব ‘নষ্ট মানুষ’, বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ মধ্যপ্রাচ্যের ঝুঁকিতে সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ডে বিলাসবহুল ইয়টের ভিড় আর্টিকেল ৭০-এর বেড়াজালে এমপিদের ভোট: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ? ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষার দাবিতে উত্তাল রাজপথ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ কলম্বিয়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫০, ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খুঁজছে উদ্ধারকারীরা তরুণদের ক্ষোভে নীতিতে দ্রুত পরিবর্তনের উদ্যোগ প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে ৪ জনকে ফিরিয়ে আনল বিজিবি, অনিশ্চয়তায় আরও ৫ জন

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার পর নো-ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়া ৯ জনের একটি দলের মধ্যে চার সদস্যের একটি পরিবারকে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে একই দলের আরও পাঁচজন এখনো সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের পর মানবিক বিবেচনায় বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই সন্তানকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে তাদের রৌমারী থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশ তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

পাঁচ দিন ধরে সীমান্তে দুর্বিষহ জীবন

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, উদ্ধার হওয়া পরিবারটি গত পাঁচ দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিল। খোলা আকাশের নিচে থাকা অবস্থায় তারা তীব্র রোদ ও বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।

তবে একই দলের বাকি পাঁচজন এখনো সীমান্তে আটকে আছেন। তাদের ফেরত আনার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত

গত রোববার সকালে বাংলা ভাষাভাষী ৯ জনকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর একটি কথিত চেষ্টা হয়। বিজিবি তাদের দেশে প্রবেশে বাধা দিলে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়েন।

এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা চলতে থাকে। পরিস্থিতি সমাধানে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সমাধানে চলছে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, অবশিষ্ট পাঁচজনের বিষয়েও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা সম্ভব হবে।

সীমান্তে আটকে থাকা ব্যক্তিদের মানবিক পরিস্থিতি এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এখন নজর সবার।

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে চারজনকে ফিরিয়ে আনা হলেও পাঁচজন এখনো শূন্যরেখায় মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের প্রভাব নয়, থাইল্যান্ডের সার্বভৌম সিদ্ধান্তই শেষ কথা

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে ৪ জনকে ফিরিয়ে আনল বিজিবি, অনিশ্চয়তায় আরও ৫ জন

০৮:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার পর নো-ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়া ৯ জনের একটি দলের মধ্যে চার সদস্যের একটি পরিবারকে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে একই দলের আরও পাঁচজন এখনো সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের পর মানবিক বিবেচনায় বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই সন্তানকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে তাদের রৌমারী থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশ তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

পাঁচ দিন ধরে সীমান্তে দুর্বিষহ জীবন

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, উদ্ধার হওয়া পরিবারটি গত পাঁচ দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিল। খোলা আকাশের নিচে থাকা অবস্থায় তারা তীব্র রোদ ও বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।

তবে একই দলের বাকি পাঁচজন এখনো সীমান্তে আটকে আছেন। তাদের ফেরত আনার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত

গত রোববার সকালে বাংলা ভাষাভাষী ৯ জনকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর একটি কথিত চেষ্টা হয়। বিজিবি তাদের দেশে প্রবেশে বাধা দিলে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়েন।

এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা চলতে থাকে। পরিস্থিতি সমাধানে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সমাধানে চলছে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, অবশিষ্ট পাঁচজনের বিষয়েও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা সম্ভব হবে।

সীমান্তে আটকে থাকা ব্যক্তিদের মানবিক পরিস্থিতি এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এখন নজর সবার।

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে চারজনকে ফিরিয়ে আনা হলেও পাঁচজন এখনো শূন্যরেখায় মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।