কে ভাগ্যরাজের শেষকৃত্য শুধু শোকের অনুষ্ঠান হিসেবে থাকেনি, সেটি গণমাধ্যমের আচরণ নিয়ে বিতর্কেও পরিণত হয়েছে। অভিনেত্রী রাধিকা সারথকুমার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, শোকের মুহূর্তকে ছবি তোলার সুযোগ বা প্রদর্শনীতে পরিণত করা উচিত নয়। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে, তারকা পরিবারের ব্যক্তিগত শোকও সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখে। ভক্তদের আবেগ, গণমাধ্যমের দায়িত্ব এবং পরিবারের মর্যাদা, এই তিনটির ভারসাম্য নিয়েই এখন আলোচনা।
এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টুডির প্রতিবেদনে রাধিকার বক্তব্যের মূল সুর একই। তিনি অভিযোগ করেন, ভাগ্যরাজের শেষকৃত্যে কিছু মানুষ ও ক্যামেরা শোকাহত পরিবারের খুব কাছে চলে গিয়েছিল। এমনকি পরিবারের সদস্যদের কান্না ও ব্যক্তিগত মুহূর্তও ধারণের চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, শেষ বিদায় কোনো ছবি তোলার জায়গা নয়।
বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে পাপারাজ্জি সংস্কৃতি ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়েছে। বিমানবন্দর, হাসপাতাল, বিয়ের অনুষ্ঠান, শেষকৃত্য, সব জায়গাতেই ক্যামেরা উপস্থিত থাকে। অনেক সময় তারকারা নিজেরাই প্রচারের জন্য এই সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেন। কিন্তু মৃত্যু ও শোকের মতো মুহূর্তে সেই একই ক্যামেরা যখন পরিবারের ওপর চাপ তৈরি করে, তখন নৈতিক প্রশ্ন ওঠে। রাধিকার ক্ষোভ সেই প্রশ্নকেই সামনে এনেছে।
বাংলাদেশেও জনপ্রিয় ব্যক্তি মারা গেলে লাইভ, ছবি, ফেসবুক পোস্ট এবং অতিরিক্ত কাছাকাছি যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই এই গল্প স্থানীয় পাঠকের কাছেও প্রাসঙ্গিক। জনমানুষের প্রিয় তারকা মারা গেলে শোকের মালিক কে, এই প্রশ্নটি এই প্রতিবেদনের কেন্দ্রে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















