১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
চিরযৌবনের নয়, মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্যের সমাজ গড়তে প্রজন্মের মধ্যে বোঝাপড়া জরুরি নতুন প্রজন্মকে উগ্রবাদ থেকে রক্ষায় কাঠামোবদ্ধ ধর্মশিক্ষার গুরুত্ব বাড়ছে আপনার গাড়ি নয়, সবার নিরাপদ যাত্রাই হোক সড়কের আসল লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও প্রাথমিক স্তরের দক্ষতা নেই! উচ্চশিক্ষা নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা চীনের গ্রীষ্মকালীন দাভোসে ভবিষ্যতের প্রযুক্তির জয়জয়কার, ভূরাজনীতি ছিল দ্বিতীয় আলোচ্য ত্বকের দাগ শুধু বাহ্যিক নয়, শিশু-কিশোরের মানসিক স্বাস্থ্যেরও বড় হুমকি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন বার্তা, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়াকে স্বাগত জানাল সিপিটিপিপি যকৃত গবেষণায় পথিকৃৎ চিকিৎসকের নামে নতুন অধ্যাপক পদ, ভবিষ্যৎ গবেষণায় নতুন দিগন্তের আশা পি চিদাম্বরমের লেখাঃ শুধু ভবিষ্যতের ভারত নয়, গ্লোবাল সাউথের চিত্র মাছের প্রাণঘাতী ভাইরাস ঠেকাতে মুখে খাওয়ানো টিকা, খামারি শিল্পে নতুন সম্ভাবনা

মহাকাশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুদ্ধ, কম্পিউটিং দৌড়ে মুখোমুখি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এবার সেই প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে মহাকাশ। পৃথিবীতে বিপুল বিদ্যুৎ, পানি ও জমির ওপর চাপ কমাতে ভবিষ্যতের তথ্যকেন্দ্র মহাকাশে স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বিষয় নয়, বরং আগামী দিনের বৈশ্বিক তথ্য অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কৌশলগত প্রতিযোগিতাও।

মহাকাশভিত্তিক তথ্যকেন্দ্রের নতুন ধারণা

এখন পর্যন্ত উপগ্রহের প্রধান কাজ ছিল পৃথিবীর বিভিন্ন তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণের জন্য মাটিতে পাঠানো। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এই পদ্ধতি বদলে যেতে পারে। নতুন ধারণা অনুযায়ী, উপগ্রহগুলো মহাকাশেই তথ্য বিশ্লেষণ করবে এবং শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্য পৃথিবীতে পাঠাবে। এতে যোগাযোগের চাপ কমবে, তথ্য বিশ্লেষণের গতি বাড়বে এবং পৃথিবীতে বিশাল তথ্যকেন্দ্র নির্মাণের প্রয়োজনও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

এই ব্যবস্থায় হাজার হাজার, এমনকি ভবিষ্যতে লাখো উপগ্রহ সৌরশক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে পৃথিবীতে বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শীতলীকরণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে।

US-China race for AI's next frontier is already on - Asia Times

চীনের দ্রুত অগ্রযাত্রা

চীন ইতোমধ্যেই মহাকাশভিত্তিক কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ জোরদার করেছে। বেইজিংয়ে মহাকাশ কম্পিউটিং উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যেখানে রকেট নির্মাতা, উপগ্রহ প্রস্তুতকারী, অর্ধপরিবাহী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করবে।

এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে কম্পিউটিং সক্ষম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে চীন মহাকাশে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল চালানোর সক্ষমতাও প্রদর্শন করেছে। ভবিষ্যতে এক হাজারেরও বেশি উপগ্রহ নিয়ে একটি সমন্বিত কম্পিউটিং নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রও থেমে নেই

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ খাতও একই লক্ষ্যে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতে বিপুল সংখ্যক তথ্যকেন্দ্র-সক্ষম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই আলোচনায় এসেছে। উন্নত উৎক্ষেপণ প্রযুক্তি, পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট এবং মহাকাশ উপযোগী প্রসেসর তৈরির উদ্যোগ এই পরিকল্পনাকে আরও এগিয়ে নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ শুধু উন্নত সফটওয়্যার বা শক্তিশালী প্রসেসরের ওপর নির্ভর করবে না; বরং যে দেশ বৈশ্বিক কম্পিউটিং ও যোগাযোগ অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকবে, তার কৌশলগত অবস্থানও তত শক্তিশালী হবে।

জাতীয় নিরাপত্তায় বাড়ছে গুরুত্ব

The Role of the Software Industry in Revolutionizing Space Technology

মহাকাশভিত্তিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার শুধু বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা, লক্ষ্য শনাক্তকরণ এবং নিরাপত্তা কার্যক্রমেও এর বড় ভূমিকা থাকতে পারে। ফলে প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতের সামরিক সক্ষমতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে মহাকাশে কৌশলগত প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হতে পারে এবং বৈশ্বিক তথ্য ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বড় সম্ভাবনার পাশাপাশি বড় চ্যালেঞ্জ

সব সম্ভাবনা সত্ত্বেও প্রযুক্তিটির সামনে রয়েছে বড় ধরনের বাধা। মহাকাশে থাকা উপগ্রহে নতুন যন্ত্রাংশ যুক্ত করা বা উন্নত সংস্করণে রূপান্তর করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পাশাপাশি মহাকাশের বিকিরণ, তাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও বড় প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও প্রশ্ন রয়ে গেছে। মহাকাশভিত্তিক একটি বড় তথ্যকেন্দ্র নির্মাণে বিপুল ব্যয় হতে পারে, যা একই ক্ষমতার পৃথিবীভিত্তিক তথ্যকেন্দ্রের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। উৎক্ষেপণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে না কমলে এই প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবুও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্বের লড়াই বিবেচনায় মহাকাশ কম্পিউটিংকে আগামী দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরেই স্পষ্ট হবে, এই নতুন দৌড়ে কে এগিয়ে যায় এবং ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যায়।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চিরযৌবনের নয়, মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্যের সমাজ গড়তে প্রজন্মের মধ্যে বোঝাপড়া জরুরি

মহাকাশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুদ্ধ, কম্পিউটিং দৌড়ে মুখোমুখি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র

১০:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এবার সেই প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে মহাকাশ। পৃথিবীতে বিপুল বিদ্যুৎ, পানি ও জমির ওপর চাপ কমাতে ভবিষ্যতের তথ্যকেন্দ্র মহাকাশে স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বিষয় নয়, বরং আগামী দিনের বৈশ্বিক তথ্য অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কৌশলগত প্রতিযোগিতাও।

মহাকাশভিত্তিক তথ্যকেন্দ্রের নতুন ধারণা

এখন পর্যন্ত উপগ্রহের প্রধান কাজ ছিল পৃথিবীর বিভিন্ন তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণের জন্য মাটিতে পাঠানো। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এই পদ্ধতি বদলে যেতে পারে। নতুন ধারণা অনুযায়ী, উপগ্রহগুলো মহাকাশেই তথ্য বিশ্লেষণ করবে এবং শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্য পৃথিবীতে পাঠাবে। এতে যোগাযোগের চাপ কমবে, তথ্য বিশ্লেষণের গতি বাড়বে এবং পৃথিবীতে বিশাল তথ্যকেন্দ্র নির্মাণের প্রয়োজনও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

এই ব্যবস্থায় হাজার হাজার, এমনকি ভবিষ্যতে লাখো উপগ্রহ সৌরশক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ফলে পৃথিবীতে বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শীতলীকরণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে।

US-China race for AI's next frontier is already on - Asia Times

চীনের দ্রুত অগ্রযাত্রা

চীন ইতোমধ্যেই মহাকাশভিত্তিক কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ জোরদার করেছে। বেইজিংয়ে মহাকাশ কম্পিউটিং উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যেখানে রকেট নির্মাতা, উপগ্রহ প্রস্তুতকারী, অর্ধপরিবাহী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করবে।

এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে কম্পিউটিং সক্ষম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে চীন মহাকাশে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল চালানোর সক্ষমতাও প্রদর্শন করেছে। ভবিষ্যতে এক হাজারেরও বেশি উপগ্রহ নিয়ে একটি সমন্বিত কম্পিউটিং নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রও থেমে নেই

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ খাতও একই লক্ষ্যে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতে বিপুল সংখ্যক তথ্যকেন্দ্র-সক্ষম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই আলোচনায় এসেছে। উন্নত উৎক্ষেপণ প্রযুক্তি, পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট এবং মহাকাশ উপযোগী প্রসেসর তৈরির উদ্যোগ এই পরিকল্পনাকে আরও এগিয়ে নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ শুধু উন্নত সফটওয়্যার বা শক্তিশালী প্রসেসরের ওপর নির্ভর করবে না; বরং যে দেশ বৈশ্বিক কম্পিউটিং ও যোগাযোগ অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকবে, তার কৌশলগত অবস্থানও তত শক্তিশালী হবে।

জাতীয় নিরাপত্তায় বাড়ছে গুরুত্ব

The Role of the Software Industry in Revolutionizing Space Technology

মহাকাশভিত্তিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার শুধু বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা, লক্ষ্য শনাক্তকরণ এবং নিরাপত্তা কার্যক্রমেও এর বড় ভূমিকা থাকতে পারে। ফলে প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতের সামরিক সক্ষমতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে মহাকাশে কৌশলগত প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হতে পারে এবং বৈশ্বিক তথ্য ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বড় সম্ভাবনার পাশাপাশি বড় চ্যালেঞ্জ

সব সম্ভাবনা সত্ত্বেও প্রযুক্তিটির সামনে রয়েছে বড় ধরনের বাধা। মহাকাশে থাকা উপগ্রহে নতুন যন্ত্রাংশ যুক্ত করা বা উন্নত সংস্করণে রূপান্তর করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পাশাপাশি মহাকাশের বিকিরণ, তাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও বড় প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও প্রশ্ন রয়ে গেছে। মহাকাশভিত্তিক একটি বড় তথ্যকেন্দ্র নির্মাণে বিপুল ব্যয় হতে পারে, যা একই ক্ষমতার পৃথিবীভিত্তিক তথ্যকেন্দ্রের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। উৎক্ষেপণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে না কমলে এই প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবুও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্বের লড়াই বিবেচনায় মহাকাশ কম্পিউটিংকে আগামী দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরেই স্পষ্ট হবে, এই নতুন দৌড়ে কে এগিয়ে যায় এবং ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যায়।