০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
চীনে আটক মার্কিন নাগরিককে ‘অন্যায়ভাবে আটক’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বের সামুদ্রিক সংকটপথের নিরাপত্তা: একক শক্তির পাহারা নয়, দরকার নতুন বৈশ্বিক কাঠামো চীন-ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রীদের বৈঠকে নিরাপত্তা ও অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা ম্যাকেতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নতুন ইতিহাসের হাতছানি বাংলাদেশের ইরানঘনিষ্ঠ হিজবুল্লাহর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের খরায় পানামা খালে জাহাজ চলাচল কমছে, সেপ্টেম্বরে আরও কড়াকড়ি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাপে বদলে যাচ্ছে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসা তিয়ানআনমেন স্মরণে হংকংয়ের দুই অধিকারকর্মী দোষী সাব্যস্ত রাজা চার্লসের কাছে উইলিয়ামই অগ্রাধিকার, হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তায় বছরে লাগতে পারে ৫০ লাখ পাউন্ড মিয়ানমারের বিবৃতি কি রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল করে তুলছে?

রাজা চার্লসের কাছে উইলিয়ামই অগ্রাধিকার, হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তায় বছরে লাগতে পারে ৫০ লাখ পাউন্ড

যুক্তরাজ্যে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলের স্থায়ীভাবে ফিরে আসার খবর ঘিরে রাজপরিবারের ভেতরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার দেশটির বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনামে উঠে এসেছে সাসেক্স দম্পতির প্রত্যাবর্তন, তাদের নিরাপত্তা ব্যয় এবং রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ।

উইলিয়ামই রাজার প্রধান অগ্রাধিকার

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজা তৃতীয় চার্লস হ্যারি ও মেগানের যুক্তরাজ্যে ফেরার সিদ্ধান্তে খুশি হলেও তাঁর উত্তরসূরি প্রিন্স উইলিয়াম এবং রাজপরিবারের প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

হ্যারি ও মেগানের ফেরার খবর প্রকাশের সময় রাজা চার্লস প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গেই ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজা ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন, সাসেক্স দম্পতির প্রত্যাবর্তনের কারণে রাজপরিবারের দায়িত্ব ও কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

নিরাপত্তায় বছরে ৫০ লাখ পাউন্ডের প্রশ্ন

হ্যারি-মেগান যুক্তরাজ্যে ফিরে এলে তাদের নিরাপত্তার পেছনে বছরে প্রায় ৫০ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত সরকারি অর্থ ব্যয় হতে পারে—এমন দাবি উঠেছে। তবে এই অর্থ শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে বহন করা হবে, নাকি করদাতাদের অর্থ থেকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তাদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাসের পরিকল্পনার কারণে পুলিশের নিরাপত্তা পাওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে। নিরাপত্তার অর্থ কে বহন করবে, তা নিয়ে রাজপ্রাসাদ ও সরকারের মধ্যে মতবিরোধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

রাজপরিবারে ফিরবেন, তবে রাজকীয় দায়িত্বে নয়

সাসেক্স দম্পতির যুক্তরাজ্যে প্রত্যাবর্তনকে অনেকটা রাজপরিবারের কাছাকাছি আসা হিসেবে দেখা হলেও তারা আবার আনুষ্ঠানিক রাজকীয় দায়িত্বে ফিরবেন না বলে প্রাসাদ-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে।

রাজপরিবারের ভেতরে এমন ধারণাও রয়েছে যে হ্যারির দেশে ফেরার কারণে বর্তমান কাঠামো বা দায়িত্বের বণ্টনে কোনো পরিবর্তন হবে না। প্রিন্স উইলিয়ামও এ নিয়ে অতিরিক্ত নাটকীয়তায় জড়াতে আগ্রহী নন বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি।

বাবার আস্থা ফেরাতে চান হ্যারি

হ্যারি নাকি তাঁর বাবার আস্থা পুনরুদ্ধার করতে চান। এজন্য ব্যক্তিগত পারিবারিক বিষয় প্রকাশ্যে আলোচনা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

একই সঙ্গে হ্যারি ও মেগান তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটকে জনসমক্ষে অতিরিক্ত প্রচারের আলোয় আনতে চান না। সন্তানদের বিদ্যালয়ে প্রথম দিন কিংবা জন্মদিন উপলক্ষে তাদের ছবি প্রকাশ করা হবে না বলেও জানা গেছে।

যুক্তরাজ্যে ফেরার পরও পুরোনো সম্পর্কের জটিলতা

হ্যারি ও মেগানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা স্বাভাবিক হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর থেকে দম্পতির সঙ্গে রাজপরিবারের সম্পর্ক নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে।

এখন তারা যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে ফিরলে পারিবারিক সম্পর্কের পাশাপাশি নিরাপত্তা, সরকারি ব্যয় এবং রাজকীয় দায়িত্ব থেকে তাদের দূরত্ব—সবকিছুই নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে আটক মার্কিন নাগরিককে ‘অন্যায়ভাবে আটক’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

রাজা চার্লসের কাছে উইলিয়ামই অগ্রাধিকার, হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তায় বছরে লাগতে পারে ৫০ লাখ পাউন্ড

০৬:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাজ্যে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলের স্থায়ীভাবে ফিরে আসার খবর ঘিরে রাজপরিবারের ভেতরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার দেশটির বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনামে উঠে এসেছে সাসেক্স দম্পতির প্রত্যাবর্তন, তাদের নিরাপত্তা ব্যয় এবং রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ।

উইলিয়ামই রাজার প্রধান অগ্রাধিকার

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজা তৃতীয় চার্লস হ্যারি ও মেগানের যুক্তরাজ্যে ফেরার সিদ্ধান্তে খুশি হলেও তাঁর উত্তরসূরি প্রিন্স উইলিয়াম এবং রাজপরিবারের প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

হ্যারি ও মেগানের ফেরার খবর প্রকাশের সময় রাজা চার্লস প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গেই ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজা ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন, সাসেক্স দম্পতির প্রত্যাবর্তনের কারণে রাজপরিবারের দায়িত্ব ও কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

নিরাপত্তায় বছরে ৫০ লাখ পাউন্ডের প্রশ্ন

হ্যারি-মেগান যুক্তরাজ্যে ফিরে এলে তাদের নিরাপত্তার পেছনে বছরে প্রায় ৫০ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত সরকারি অর্থ ব্যয় হতে পারে—এমন দাবি উঠেছে। তবে এই অর্থ শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে বহন করা হবে, নাকি করদাতাদের অর্থ থেকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তাদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাসের পরিকল্পনার কারণে পুলিশের নিরাপত্তা পাওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে। নিরাপত্তার অর্থ কে বহন করবে, তা নিয়ে রাজপ্রাসাদ ও সরকারের মধ্যে মতবিরোধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

রাজপরিবারে ফিরবেন, তবে রাজকীয় দায়িত্বে নয়

সাসেক্স দম্পতির যুক্তরাজ্যে প্রত্যাবর্তনকে অনেকটা রাজপরিবারের কাছাকাছি আসা হিসেবে দেখা হলেও তারা আবার আনুষ্ঠানিক রাজকীয় দায়িত্বে ফিরবেন না বলে প্রাসাদ-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে।

রাজপরিবারের ভেতরে এমন ধারণাও রয়েছে যে হ্যারির দেশে ফেরার কারণে বর্তমান কাঠামো বা দায়িত্বের বণ্টনে কোনো পরিবর্তন হবে না। প্রিন্স উইলিয়ামও এ নিয়ে অতিরিক্ত নাটকীয়তায় জড়াতে আগ্রহী নন বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি।

বাবার আস্থা ফেরাতে চান হ্যারি

হ্যারি নাকি তাঁর বাবার আস্থা পুনরুদ্ধার করতে চান। এজন্য ব্যক্তিগত পারিবারিক বিষয় প্রকাশ্যে আলোচনা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

একই সঙ্গে হ্যারি ও মেগান তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটকে জনসমক্ষে অতিরিক্ত প্রচারের আলোয় আনতে চান না। সন্তানদের বিদ্যালয়ে প্রথম দিন কিংবা জন্মদিন উপলক্ষে তাদের ছবি প্রকাশ করা হবে না বলেও জানা গেছে।

যুক্তরাজ্যে ফেরার পরও পুরোনো সম্পর্কের জটিলতা

হ্যারি ও মেগানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা স্বাভাবিক হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর থেকে দম্পতির সঙ্গে রাজপরিবারের সম্পর্ক নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে।

এখন তারা যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে ফিরলে পারিবারিক সম্পর্কের পাশাপাশি নিরাপত্তা, সরকারি ব্যয় এবং রাজকীয় দায়িত্ব থেকে তাদের দূরত্ব—সবকিছুই নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে।