বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
সার্জিও গোরের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে চলতি সপ্তাহে একটি নতুন চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ আরও বোয়িং বিমান কিনতে ‘বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার’ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন এই প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের আগের অর্ডারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশের বোয়িং কেনার প্রতিশ্রুতি

সার্জিও গোর তার পোস্টে মূলত মার্কিন অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করতে গিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন চুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম বড় ‘জবস’ প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে লাখ লাখ উচ্চ বেতনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিপুল বিনিয়োগ এবং মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টার কথাও পোস্টে তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নতুন করে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে কিংবা চুক্তিটির আর্থিক ও বাস্তবায়ন কাঠামো কী—সার্জিও গোরের পোস্টে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
আগেই ২৫টি বোয়িং কেনার প্রতিশ্রুতি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এর আগেই মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস গত ১ মে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সই করে।
ওই ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বাংলাদেশের ব্যয় হবে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। এ হিসাব করা হয়েছে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা ধরে।
নতুন প্রতিশ্রুতির ফলে বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা আরও বড় পরিসরে এগোচ্ছে বলে সার্জিও গোরের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে নতুন করে কতটি বিমান কেনা হবে এবং এর জন্য মোট কত অর্থ ব্যয় হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















