০৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর: স্মরণে শ্রদ্ধা, ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে সোচ্চার শ্রমিকরা চুয়াডাঙ্গায় হাম রোগে প্রথম মৃত্যু, নয় মাসের শিশুর প্রাণহানি বিলুপ্তির পথে পাহাড়ি লাল শিয়াল: মানুষের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে এক রহস্যময় প্রাণী বান্দরবানে অপহরণ নাটক শেষ, পাহাড়ি অভিযানে জীবিত উদ্ধার ৬ শ্রমিক অসংক্রামক রোগে ৭১% মৃত্যু: প্রবাসীসহ সব বাংলাদেশির সুরক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার-ডব্লিউএইচও সিদ্ধেশ্বরীতে পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্যক্তিগত গাড়িচালকের রাজশাহীতে এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে এক লাখ টাকা ছিনতাই, আতঙ্কে এলাকাবাসী শাহবাগ থানার ভেতরেই হামলা, পুলিশের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ওয়ারলি শিল্পের জাদু: জীব্যা সোমা মাশের জীবন ও শিল্পকে নতুন করে তুলে ধরলেন হার্ভে পারদ্রিওল শাহবাগ থানায় ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ, দেশজুড়ে ছাত্ররাজনীতিতে উত্তেজনা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 80

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পণ্ডিতেরা অনুমান করেন ব্রাহ্মী লিপি এবং সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ভারবর্ষের নিজস্ব সম্পদ। মনে হয় এটিই আমাদের জাতীয় লিপি। আনুমানিক ১০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। খরোষ্ঠী লিপিতে যেমন লম্বা দাড়ি দিয়ে এক, দুই, তিন, চার সংখ্যাগুলি লেখা হোত।

ব্রাহ্মীলিপিতে কিন্তু সমান্তরাল দাড়ি দিয়ে এগুলি লেখা হোত। শূন্য ও স্থানীয়মান আবিষ্কার করার পূর্বে ও পরে ব্রাহ্মীলিপিতে এক থেকে নয় সংখ্যার লেখার কোন পরিবর্তন হয়নি। ব্রাহ্মীলিপিতে ১, ৪, ৯, ১০, ২০, ৪০, ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯০, ১০০, প্রভৃতি সংখ্যাগুলিকে প্রকাশ করতে ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত। কিন্তু প্রাচীন গরোধী, প্রাচীন সুমেরীয়লিপি হাইরোগ্লিফিক এবং ফিনিসীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ১, ১০, ২০ এবং ১০০ লেখার জন্য ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত।

হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপিমালাতে সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ব্রাহ্মীলিপির ১৯টি চিহ্নের সঙ্গে সাদৃশ আছে কিন্তু বাকী চিহ্নগুলির মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। অনেকে মনে করেন ভারতীয়রা ব্রাহ্মীলিপি মিশরের কাছ থেকে ধার করে এনেছেন অর্থাৎ হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপির নিকট ব্রাহ্মীলিপি ঋণী।

ঐতিহাসিকগণ লক্ষ্য করেন যে-মিশরীয়রা প্রথমে এক, দশ, কুড়ি এবং একশ লেখার জন্য মাত্র চারিটি চিহ্ন ব্যবহার করতেন তাহলে হঠাৎ তাঁরা কি করে উনিশটি চিহ্নের ব্যবহার শিখলেন? নিশ্চয়ই অন্য কোথাও তাঁরা এগুলি পেয়েছিলেন। যাই হোক সংখ্যা লিখন পদ্ধতি কে আবিষ্কার করেছেন এবং কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছিল সে বিতর্কে না গিয়ে এটুকু বলা যায় যে বৈদিক যুগে ভারতবর্ষে নিশ্চয়ই সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ছিল।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর: স্মরণে শ্রদ্ধা, ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে সোচ্চার শ্রমিকরা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পণ্ডিতেরা অনুমান করেন ব্রাহ্মী লিপি এবং সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ভারবর্ষের নিজস্ব সম্পদ। মনে হয় এটিই আমাদের জাতীয় লিপি। আনুমানিক ১০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। খরোষ্ঠী লিপিতে যেমন লম্বা দাড়ি দিয়ে এক, দুই, তিন, চার সংখ্যাগুলি লেখা হোত।

ব্রাহ্মীলিপিতে কিন্তু সমান্তরাল দাড়ি দিয়ে এগুলি লেখা হোত। শূন্য ও স্থানীয়মান আবিষ্কার করার পূর্বে ও পরে ব্রাহ্মীলিপিতে এক থেকে নয় সংখ্যার লেখার কোন পরিবর্তন হয়নি। ব্রাহ্মীলিপিতে ১, ৪, ৯, ১০, ২০, ৪০, ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯০, ১০০, প্রভৃতি সংখ্যাগুলিকে প্রকাশ করতে ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত। কিন্তু প্রাচীন গরোধী, প্রাচীন সুমেরীয়লিপি হাইরোগ্লিফিক এবং ফিনিসীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ১, ১০, ২০ এবং ১০০ লেখার জন্য ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত।

হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপিমালাতে সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ব্রাহ্মীলিপির ১৯টি চিহ্নের সঙ্গে সাদৃশ আছে কিন্তু বাকী চিহ্নগুলির মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। অনেকে মনে করেন ভারতীয়রা ব্রাহ্মীলিপি মিশরের কাছ থেকে ধার করে এনেছেন অর্থাৎ হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপির নিকট ব্রাহ্মীলিপি ঋণী।

ঐতিহাসিকগণ লক্ষ্য করেন যে-মিশরীয়রা প্রথমে এক, দশ, কুড়ি এবং একশ লেখার জন্য মাত্র চারিটি চিহ্ন ব্যবহার করতেন তাহলে হঠাৎ তাঁরা কি করে উনিশটি চিহ্নের ব্যবহার শিখলেন? নিশ্চয়ই অন্য কোথাও তাঁরা এগুলি পেয়েছিলেন। যাই হোক সংখ্যা লিখন পদ্ধতি কে আবিষ্কার করেছেন এবং কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছিল সে বিতর্কে না গিয়ে এটুকু বলা যায় যে বৈদিক যুগে ভারতবর্ষে নিশ্চয়ই সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ছিল।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)