০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৯)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • 101

প্রদীপ কুমার মজুমদার

কৃষ্ণের উক্তি:

যো বন্ধা ত্রিশতং চাখান্ দেবেভ্যে। যমুনামহু।
সরস্বতীং বিংশতিঞ্চ গঙ্গামনু চতুৰ্দ্দশ।

অর্থাৎ যমুনাতীরে ১০৩, সরস্বতীতীরে ২০ এবং গঙ্গাতীরে ১৪টি অশ্বমেধ যজ্ঞ ভরত করেছিলেন।

মহাভারত থেকে আর একটি উদাহরণ তুলে ধরছি। এই গ্রন্থের আদিপর্বের কোন এক স্থানে মহর্ষি বৈশম্পায়ন জন্মেজয়কে বলছেন:

তদ্বনং পাবকো ধীমন্ দিনানি দশ পঞ্চ চ।
দদাহ কৃষ্ণ পার্থাভ্যাং রক্ষিতঃ পাকশাসনাৎ।

অর্থাৎ ‘হে ধীমান! কৃষ্ণ ও পার্থ কর্তৃক ইন্দ্র হইতে পরিরক্ষিত হয়ে অগ্নি পনেরো দিনে সেই বন দগ্ধ করেছিলেন।’

দ্বিতীয় একটি শ্লোকে তিনি বলেছেন-

পাবকশ্চ তদা দাবং দপ্তা সমৃগপক্ষিণম্।

অহানি পঞ্চ চৈকঞ্চ বিররাম সুতপিতঃ।

এখানে পঞ্চচৈকঞ্চ এবং পঞ্চদশ এর অর্থ ১৫ হবে। অর্থাৎ এখানে স্থানীয়মান সহকারে নাম সংখ্যার প্রয়োগ দেখতে পাচ্ছি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৯)

১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

কৃষ্ণের উক্তি:

যো বন্ধা ত্রিশতং চাখান্ দেবেভ্যে। যমুনামহু।
সরস্বতীং বিংশতিঞ্চ গঙ্গামনু চতুৰ্দ্দশ।

অর্থাৎ যমুনাতীরে ১০৩, সরস্বতীতীরে ২০ এবং গঙ্গাতীরে ১৪টি অশ্বমেধ যজ্ঞ ভরত করেছিলেন।

মহাভারত থেকে আর একটি উদাহরণ তুলে ধরছি। এই গ্রন্থের আদিপর্বের কোন এক স্থানে মহর্ষি বৈশম্পায়ন জন্মেজয়কে বলছেন:

তদ্বনং পাবকো ধীমন্ দিনানি দশ পঞ্চ চ।
দদাহ কৃষ্ণ পার্থাভ্যাং রক্ষিতঃ পাকশাসনাৎ।

অর্থাৎ ‘হে ধীমান! কৃষ্ণ ও পার্থ কর্তৃক ইন্দ্র হইতে পরিরক্ষিত হয়ে অগ্নি পনেরো দিনে সেই বন দগ্ধ করেছিলেন।’

দ্বিতীয় একটি শ্লোকে তিনি বলেছেন-

পাবকশ্চ তদা দাবং দপ্তা সমৃগপক্ষিণম্।

অহানি পঞ্চ চৈকঞ্চ বিররাম সুতপিতঃ।

এখানে পঞ্চচৈকঞ্চ এবং পঞ্চদশ এর অর্থ ১৫ হবে। অর্থাৎ এখানে স্থানীয়মান সহকারে নাম সংখ্যার প্রয়োগ দেখতে পাচ্ছি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)