০৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ এখন ঢাকার চিড়িয়াখানায়, বিশ্বজুড়ে ভাইরাল বাংলাদেশের অ্যালবিনো মহিষ বিটিএস-মাডোনা-শাকিরা একসঙ্গে, বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতিহাসের প্রথম হাফটাইম শো দৃশ্যম ৩ আগামীকাল অ্যামাজন প্রাইমে, ৩৩০ কোটি রুপির ব্লকবাস্টার এবার ঘরে বসেই দেখুন রাইজের নতুন অ্যালবাম ‘II’ প্রথম দিনেই ৯ লাখ কপি বিক্রি, ‘Do Your Dance’ এখন বিশ্বজুড়ে ট্রেন্ডিং চার বছর পর মাঠে বিটিএস, পুসানে দুই রাতে ১,১০,০০০ দর্শক ঝড় তুলল বিশ্বকাপ অভিষেকেই হ্যালান্ডের জোড়া গোল, নরওয়ে ইরাককে ৪-১ উড়িয়ে দিল আজ রাতে ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া, মডরিচের শেষ বিশ্বকাপে ২০১৮-এর প্রতিশোধের সুযোগ এমবাপে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা, সেনেগালের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জোড়া গোলে রেকর্ড মেসির হ্যাট্রিকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু, কিলোজের ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁলেন বৃষ্টির ৯০% আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ম্যাচ, ডিএলএস নিয়মে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:২১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • 130

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ভাষার বাঁধন-অর্থবিন্যাস, শব্দ ও ধ্বনির বিস্তার বিশ্লেষণ করে অন্য একটি তথ্যজগতের কাছে গিয়ে উপস্থিত হই আমরা। ইনকাদের ভাষা এবং তার ঐতিহ্য হল এই প্রক্রিয়ার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ইনকাদের মধ্যে প্রধানত যে ভাষা প্রচলিত তার নাম হল কেচুয়া (Quechua)। এছাড়া আইমরা (Ayymara) জনগোষ্ঠীর ভাষাও চালু আছে।

এই প্রাক স্পেনীয় সময়ের মূল ভাষার সঙ্গে কিছুটা রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মত ঘটেছিল স্প্যানিস উপনিবেশ-এর ভাষা। এই কারণে ইনকাদের মধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষার মধ্যে মিল ও অমিল লক্ষ্য করা যায়। আবার অন্যদিক থেকে ভারতীয় ভাষার মধ্যে সংস্কৃত ও তামিল-এর সঙ্গে ইনকা-ভাষার সংমিশ্রণ ঘটেছিল।

আবার সমাজ-বাণিজ্য এবং সেই সূত্রে সংস্কৃতির আদান- প্রদানের স্রোতে ইন্দোনেশিয়া, মালোয়েশিয়া ভাষাও অনেক সময় ঢুকে পড়েছিল। উদাহরণ হিসেবে ইনকাদের পরিচিত শব্দ মাংকো (Manco)-র সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার মাংকু (Mariku)-র মিল বা প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। মাংকু-উপাধি বা পদবি ইন্দোনেশিয়ার রাজারা ব্যবহার করেন। এর সঙ্গে আবার দক্ষিণ ভারতীয় আয়ার (Aiyar) জাতির কিছু মানুষ ইন্দোনেশিয়ায় এসেছিলেন এবং এর মধ্য থেকে কিছু শব্দ, প্রথা তারা গ্রহণ করেছিলেন।

এই পরিযায়ী অংশের একটি ছোট অংশ যখন পেরুতে প্রবেশ করে তখন আবার তারা পেরুতে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এইভাবেই ভারতবর্ষ, ইন্দোনেশিয়া, পেরু এবং আরো বিস্তৃত প্রেক্ষাপটে লাতিন আমেরিকার মধ্যে ভাষা, প্রথা, সংস্কৃতির এক সহজ করিডর গড়ে উঠেছিল। সেই কারণে চূড়ান্তভাবে বলা যায় না নির্দিষ্ট একটি শব্দ, ভাষা, লোকশব্দ একটি বা এই অঞ্চলেরই একচেটিয়া সম্পদ।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৯)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ এখন ঢাকার চিড়িয়াখানায়, বিশ্বজুড়ে ভাইরাল বাংলাদেশের অ্যালবিনো মহিষ

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

০৬:২১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ভাষার বাঁধন-অর্থবিন্যাস, শব্দ ও ধ্বনির বিস্তার বিশ্লেষণ করে অন্য একটি তথ্যজগতের কাছে গিয়ে উপস্থিত হই আমরা। ইনকাদের ভাষা এবং তার ঐতিহ্য হল এই প্রক্রিয়ার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ইনকাদের মধ্যে প্রধানত যে ভাষা প্রচলিত তার নাম হল কেচুয়া (Quechua)। এছাড়া আইমরা (Ayymara) জনগোষ্ঠীর ভাষাও চালু আছে।

এই প্রাক স্পেনীয় সময়ের মূল ভাষার সঙ্গে কিছুটা রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মত ঘটেছিল স্প্যানিস উপনিবেশ-এর ভাষা। এই কারণে ইনকাদের মধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষার মধ্যে মিল ও অমিল লক্ষ্য করা যায়। আবার অন্যদিক থেকে ভারতীয় ভাষার মধ্যে সংস্কৃত ও তামিল-এর সঙ্গে ইনকা-ভাষার সংমিশ্রণ ঘটেছিল।

আবার সমাজ-বাণিজ্য এবং সেই সূত্রে সংস্কৃতির আদান- প্রদানের স্রোতে ইন্দোনেশিয়া, মালোয়েশিয়া ভাষাও অনেক সময় ঢুকে পড়েছিল। উদাহরণ হিসেবে ইনকাদের পরিচিত শব্দ মাংকো (Manco)-র সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার মাংকু (Mariku)-র মিল বা প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। মাংকু-উপাধি বা পদবি ইন্দোনেশিয়ার রাজারা ব্যবহার করেন। এর সঙ্গে আবার দক্ষিণ ভারতীয় আয়ার (Aiyar) জাতির কিছু মানুষ ইন্দোনেশিয়ায় এসেছিলেন এবং এর মধ্য থেকে কিছু শব্দ, প্রথা তারা গ্রহণ করেছিলেন।

এই পরিযায়ী অংশের একটি ছোট অংশ যখন পেরুতে প্রবেশ করে তখন আবার তারা পেরুতে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এইভাবেই ভারতবর্ষ, ইন্দোনেশিয়া, পেরু এবং আরো বিস্তৃত প্রেক্ষাপটে লাতিন আমেরিকার মধ্যে ভাষা, প্রথা, সংস্কৃতির এক সহজ করিডর গড়ে উঠেছিল। সেই কারণে চূড়ান্তভাবে বলা যায় না নির্দিষ্ট একটি শব্দ, ভাষা, লোকশব্দ একটি বা এই অঞ্চলেরই একচেটিয়া সম্পদ।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৯)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৯)