১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • 67

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এক মহাযুগে প্রদক্ষিণ করে “খদস্রাক্ষিবেদযড়বহ্নি” বার। এখানে খ (=০), দস্র (২) অক্ষি (=২), বেদ (=৪) যড় (=৬), বহ্নি (=৩)। এগুলিকে ভারতীয় নিয়ম “অঙ্কানাং বামতো গতিঃ বিধিতে লিখলে দাঁড়ায় ৩৬৪২২০; অতএব বৃহস্পতি এক মহা- যুগে ৩৬৪২২০ বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে।

ঠিক এইভাবে পাওয়া যায় গুণরস-৫৩, শশিষমশর = ৫২১, সমূদ্রবসুবিষয়= ৫৮৪, পরাম=৩০, রসার্ক=১২৬, খেযব=৫০, খযুগা=৪০, খার্ণব-৪০, খরস-৬০, বেদাগ্নি-৩৪, বাণগুণ-৩৫, বসবাণাক্ষি = ২৫৬, খচতুষ্করদার্ণবাঃ- ৪০২০০০০, এই পদ্ধতিতে কি ধরণের সুবিধা এবং অসুবিধা আছে তা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে কৌতূহল আছে।

গণিত ঐতিহাসিক বিভূতিভূষণ দত্ত বলেছেন-এই সংখ্যার উল্লেখের পিছনে মূলত তিনটি কারণ আছে। সেগুলি হচ্ছে (ক) এই পদ্ধতি ছন্দের উপযোগী, (খ) এই পদ্ধতিতে কোন বড় সংখ্যাকে ছোট করে লেখা যায়। যেমন ১৪৩৩২৪ একটি বড় সংখ্যা। কিন্তু নাম সংখ্যার দৌলতে এটি লেখা হয় “বেদযুগগুণরামাব্দি চন্দ্র”।

তাছাড়াও সমুদ্ররদহুতাশন মনু অথবা জিনরামমনু প্রভৃতি এই সংখ্যাটির পরিবর্তে লেখা হয়ে থাকে। (গ) সংখ্যার বিশুদ্ধি রক্ষণ করতে এ পদ্ধতি এক আশ্চর্য ফল দেয়। অনেক সময় দেখা যায় পরবর্তী লেখকেরা কখনও সংখ্যা পাতন করতে গিয়ে এক বা একাধিক সংখ্যা চিহ্ন বসাতে ভুলে গিয়েছেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে বসান নাই। কিন্তু নাম সংখ্যা ব্যবহৃত হলে এ ধরণের ভ্রান্তি কম হয়ে থাকে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬১)

 

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬২)

১০:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এক মহাযুগে প্রদক্ষিণ করে “খদস্রাক্ষিবেদযড়বহ্নি” বার। এখানে খ (=০), দস্র (২) অক্ষি (=২), বেদ (=৪) যড় (=৬), বহ্নি (=৩)। এগুলিকে ভারতীয় নিয়ম “অঙ্কানাং বামতো গতিঃ বিধিতে লিখলে দাঁড়ায় ৩৬৪২২০; অতএব বৃহস্পতি এক মহা- যুগে ৩৬৪২২০ বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে।

ঠিক এইভাবে পাওয়া যায় গুণরস-৫৩, শশিষমশর = ৫২১, সমূদ্রবসুবিষয়= ৫৮৪, পরাম=৩০, রসার্ক=১২৬, খেযব=৫০, খযুগা=৪০, খার্ণব-৪০, খরস-৬০, বেদাগ্নি-৩৪, বাণগুণ-৩৫, বসবাণাক্ষি = ২৫৬, খচতুষ্করদার্ণবাঃ- ৪০২০০০০, এই পদ্ধতিতে কি ধরণের সুবিধা এবং অসুবিধা আছে তা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে কৌতূহল আছে।

গণিত ঐতিহাসিক বিভূতিভূষণ দত্ত বলেছেন-এই সংখ্যার উল্লেখের পিছনে মূলত তিনটি কারণ আছে। সেগুলি হচ্ছে (ক) এই পদ্ধতি ছন্দের উপযোগী, (খ) এই পদ্ধতিতে কোন বড় সংখ্যাকে ছোট করে লেখা যায়। যেমন ১৪৩৩২৪ একটি বড় সংখ্যা। কিন্তু নাম সংখ্যার দৌলতে এটি লেখা হয় “বেদযুগগুণরামাব্দি চন্দ্র”।

তাছাড়াও সমুদ্ররদহুতাশন মনু অথবা জিনরামমনু প্রভৃতি এই সংখ্যাটির পরিবর্তে লেখা হয়ে থাকে। (গ) সংখ্যার বিশুদ্ধি রক্ষণ করতে এ পদ্ধতি এক আশ্চর্য ফল দেয়। অনেক সময় দেখা যায় পরবর্তী লেখকেরা কখনও সংখ্যা পাতন করতে গিয়ে এক বা একাধিক সংখ্যা চিহ্ন বসাতে ভুলে গিয়েছেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে বসান নাই। কিন্তু নাম সংখ্যা ব্যবহৃত হলে এ ধরণের ভ্রান্তি কম হয়ে থাকে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬১)