১১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

হিউএনচাঙ (পর্ব-২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • 75

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

৬২৯ খৃস্টাব্দে হিউএনচাঙ নামক চীনদেশের একজন মহাপণ্ডিত ভক্ত বৌদ্ধ ভিক্ষু স্থলপথে ভারতবর্ষে আসেন আর সমস্ত ভারতবর্ষ পরিভ্রমণ করে ৬৪৫ খৃস্টাব্দে স্বদেশে প্রত্যাগমন করেন। তিনি চীন রাজ্যের সেই সময়কার সীমানার বাইরে যেসব দেশ দেখেছিলেন, চীন সম্রাটের অনু-রোধে সেসব দেশের তিনি একটা বিবরণ লেখেন।

এই বইখানা চীনভাষার একখানা উৎকৃষ্ট সাহিত্যগ্রন্থ ব’লে গণ্য। তা ছাড়া তাঁর শিষ্য হুই-লি-কে তিনি তাঁর নিজের ভ্রমণকাহিনী কিছু কিছু বলেছিলেন। হুই-লি সেইসমস্ত কথা ‘হিউএনচাঙের জীবনী’ নামক এক পুস্তকে লিখেছেন।

মুসলমান আক্রমণের আগে ভারতবর্ষের অবস্থার বিবরণ খুব বেশী পাওয়া যায় না। সেই জন্যে একজন বুদ্ধিমান বিজ্ঞ বিদেশী প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ হিসাবে এই দুইখানা গ্রন্থ অমূল্য।

সমগ্র ভারতে ঐতিহাসিক বা সমসাময়িক গুরুত্ব বিশিষ্ট কম স্থানই ছিল যেখানে তিনি যান নি। তাঁর লিখিত চৈনিক নাম আর বিবরণের সঙ্গে সেইসব স্থানের প্রকৃত নাম আর অবস্থান সনাক্ত করার কাজ প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক করণীয়। এই কাজ নিয়েই ভারতের ‘প্রত্নতত্ত্ববিভাগ’ শুরু হয় আর তাঁর বিবরণ থেকেই অনেক লুপ্ত নগরীর ভগ্নাবশেষ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

হিউএনচাঙ (পর্ব-২)

০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

৬২৯ খৃস্টাব্দে হিউএনচাঙ নামক চীনদেশের একজন মহাপণ্ডিত ভক্ত বৌদ্ধ ভিক্ষু স্থলপথে ভারতবর্ষে আসেন আর সমস্ত ভারতবর্ষ পরিভ্রমণ করে ৬৪৫ খৃস্টাব্দে স্বদেশে প্রত্যাগমন করেন। তিনি চীন রাজ্যের সেই সময়কার সীমানার বাইরে যেসব দেশ দেখেছিলেন, চীন সম্রাটের অনু-রোধে সেসব দেশের তিনি একটা বিবরণ লেখেন।

এই বইখানা চীনভাষার একখানা উৎকৃষ্ট সাহিত্যগ্রন্থ ব’লে গণ্য। তা ছাড়া তাঁর শিষ্য হুই-লি-কে তিনি তাঁর নিজের ভ্রমণকাহিনী কিছু কিছু বলেছিলেন। হুই-লি সেইসমস্ত কথা ‘হিউএনচাঙের জীবনী’ নামক এক পুস্তকে লিখেছেন।

মুসলমান আক্রমণের আগে ভারতবর্ষের অবস্থার বিবরণ খুব বেশী পাওয়া যায় না। সেই জন্যে একজন বুদ্ধিমান বিজ্ঞ বিদেশী প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ হিসাবে এই দুইখানা গ্রন্থ অমূল্য।

সমগ্র ভারতে ঐতিহাসিক বা সমসাময়িক গুরুত্ব বিশিষ্ট কম স্থানই ছিল যেখানে তিনি যান নি। তাঁর লিখিত চৈনিক নাম আর বিবরণের সঙ্গে সেইসব স্থানের প্রকৃত নাম আর অবস্থান সনাক্ত করার কাজ প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক করণীয়। এই কাজ নিয়েই ভারতের ‘প্রত্নতত্ত্ববিভাগ’ শুরু হয় আর তাঁর বিবরণ থেকেই অনেক লুপ্ত নগরীর ভগ্নাবশেষ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)