০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • 71

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

প্রথম জীবন: চীন থেকে ভারত অভিমুখে যাত্রা

৬০১ খৃস্টাব্দে হোনান প্রদেশে, লো-ইয়াঙ (বর্তমান হোনান ফু) নগরে এক সম্ভ্রান্ত কনফুসীয় পরিবারে হিউএনচাঙের জন্ম হয়। এঁর পিতামহ বিদ্বান ছিলেন। তিনি পিকিনের সরকারী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ছিলেন। পিতা হুই-এর কার্যকুশলতার, সংযত ও মার্জিত আচার ব্যবহারের খ্যাতি ছিল।

সম্মানলাভের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে জ্ঞানানুশীলনেই তাঁর অনুরাগ বেশী থাকায় আর সুই রাজবংশের যে পতন আসন্ন তা বুঝতে পেরে তিনি কোনো সরকারী কাজ গ্রহণ করেন নি, আর সব লোকেরই শ্রদ্ধাভাজন হয়েছিলেন। তিনি দেখতে দীর্ঘাকৃতি সুপুরুষ ছিলেন।

হিউএনচাঙ পিতার সর্বকনিষ্ঠ চতুর্থ পুত্র ছিলেন। আট বছর বয়স থেকেই এ’র ভব্যতা, গুরুজনদের প্রতি কনফুসীয় শাস্ত্রানুযায়ী সম্মান প্রদর্শন দেখে এ’র বাবা অবাক হন। তাঁর স্মরণশক্তি তীক্ষ্ণ ছিল আর ছোটবেলায় সমবয়স্ক ছেলেদের সঙ্গে খেলাধূলা না ক’রে তিনি বিরলে লেখাপড়া নিয়ে থাকতেই ভালো বাসতেন।

এর দ্বিতীয় ভ্রাতা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ছোট ভাইয়ের ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়নে স্পৃহা দেখে তিনি তাঁকে সঙ্ঘারামে নিজের সঙ্গে অনেক সময়ে রাখতেন। আর সেই থেকে হিউএনচাঙেরও ভবিষ্যৎ জীবনের ধারা একরকম স্থির হয়ে গেল।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪)

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫)

০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

প্রথম জীবন: চীন থেকে ভারত অভিমুখে যাত্রা

৬০১ খৃস্টাব্দে হোনান প্রদেশে, লো-ইয়াঙ (বর্তমান হোনান ফু) নগরে এক সম্ভ্রান্ত কনফুসীয় পরিবারে হিউএনচাঙের জন্ম হয়। এঁর পিতামহ বিদ্বান ছিলেন। তিনি পিকিনের সরকারী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ছিলেন। পিতা হুই-এর কার্যকুশলতার, সংযত ও মার্জিত আচার ব্যবহারের খ্যাতি ছিল।

সম্মানলাভের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে জ্ঞানানুশীলনেই তাঁর অনুরাগ বেশী থাকায় আর সুই রাজবংশের যে পতন আসন্ন তা বুঝতে পেরে তিনি কোনো সরকারী কাজ গ্রহণ করেন নি, আর সব লোকেরই শ্রদ্ধাভাজন হয়েছিলেন। তিনি দেখতে দীর্ঘাকৃতি সুপুরুষ ছিলেন।

হিউএনচাঙ পিতার সর্বকনিষ্ঠ চতুর্থ পুত্র ছিলেন। আট বছর বয়স থেকেই এ’র ভব্যতা, গুরুজনদের প্রতি কনফুসীয় শাস্ত্রানুযায়ী সম্মান প্রদর্শন দেখে এ’র বাবা অবাক হন। তাঁর স্মরণশক্তি তীক্ষ্ণ ছিল আর ছোটবেলায় সমবয়স্ক ছেলেদের সঙ্গে খেলাধূলা না ক’রে তিনি বিরলে লেখাপড়া নিয়ে থাকতেই ভালো বাসতেন।

এর দ্বিতীয় ভ্রাতা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ছোট ভাইয়ের ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়নে স্পৃহা দেখে তিনি তাঁকে সঙ্ঘারামে নিজের সঙ্গে অনেক সময়ে রাখতেন। আর সেই থেকে হিউএনচাঙেরও ভবিষ্যৎ জীবনের ধারা একরকম স্থির হয়ে গেল।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪)