০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 126

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

হিউএনচাঙের বয়স যখন মাত্র বারো বছর তখন অপ্রত্যাশিতভাবে এক রাজাজ্ঞা আসে যে, লোইয়াঙের মঠে চৌদ্দ জন ভিক্ষু সরকারী খরচে প্রতিপালিত হবেন। শত শত আবেদনকারী উপস্থিত হলেন।

হিউএনচাঙের বয়স নির্দিষ্ট বয়স অপেক্ষা কম হওয়ায় তিনি প্রার্থী হতে পারেন নি। তবু তিনি ফটকের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাজকর্মচারী তাঁকে দেখতে পেয়ে বললেন-“তুমি কে ভাই?” “আমি অমুক।” “তুমি কি শ্রামণের হতে চাও?” “অবশ্য। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়সের চেয়ে আমার বয়স কম।” “কি উদ্দেশ্যে তুমি শ্রামণের হতে চাও?” “তথাগতের (বুদ্ধের) ধর্ম দেশে-বিদেশে প্রচার করাই আমার একমাত্র উদ্দেশ্য।”

রাজকর্মচারী তাঁর প্রতিভাব্যঞ্জক আকৃতি ও কথাবার্তা দেখে শুনে এতই আশ্চর্য হলেন যে, ঐ অল্পবয়সেই তাঁকে মঠের ব্রহ্মচারী (শ্রামণের) হবার অধিকার দিলেন। এমন কি, এই সময়েই তাঁর বুদ্ধি এত তীক্ষ্ণ ছিল যে, মঠের সন্ন্যাসীরা তাঁকে মধ্যে মধ্যে অধ্যাপনা করতে বলতেন। হিউএনচাঙ ভারতীয় দর্শন অধ্যয়ন করতে আরম্ভ করলেন।

বৌদ্ধধর্মে, মহাযান ও হীমযান নামক যে দুই শাখা আছে তার মধ্যে মহাযানের দিকেই তিনি প্রথম থেকে আকৃষ্ট হন। ‘নির্বাণসূত্রের’ শূন্যবাদ ‘মহাযানসম্পরিগ্রহ-সূত্রে’র বিজ্ঞানবাদ তাঁর এত চিত্তাকর্ষক হল যে তিনি আহার নিদ্রা ত্যাগ করে এরই অনুশীলন করতে থাকলেন।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬)

০৯:০০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

হিউএনচাঙের বয়স যখন মাত্র বারো বছর তখন অপ্রত্যাশিতভাবে এক রাজাজ্ঞা আসে যে, লোইয়াঙের মঠে চৌদ্দ জন ভিক্ষু সরকারী খরচে প্রতিপালিত হবেন। শত শত আবেদনকারী উপস্থিত হলেন।

হিউএনচাঙের বয়স নির্দিষ্ট বয়স অপেক্ষা কম হওয়ায় তিনি প্রার্থী হতে পারেন নি। তবু তিনি ফটকের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাজকর্মচারী তাঁকে দেখতে পেয়ে বললেন-“তুমি কে ভাই?” “আমি অমুক।” “তুমি কি শ্রামণের হতে চাও?” “অবশ্য। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়সের চেয়ে আমার বয়স কম।” “কি উদ্দেশ্যে তুমি শ্রামণের হতে চাও?” “তথাগতের (বুদ্ধের) ধর্ম দেশে-বিদেশে প্রচার করাই আমার একমাত্র উদ্দেশ্য।”

রাজকর্মচারী তাঁর প্রতিভাব্যঞ্জক আকৃতি ও কথাবার্তা দেখে শুনে এতই আশ্চর্য হলেন যে, ঐ অল্পবয়সেই তাঁকে মঠের ব্রহ্মচারী (শ্রামণের) হবার অধিকার দিলেন। এমন কি, এই সময়েই তাঁর বুদ্ধি এত তীক্ষ্ণ ছিল যে, মঠের সন্ন্যাসীরা তাঁকে মধ্যে মধ্যে অধ্যাপনা করতে বলতেন। হিউএনচাঙ ভারতীয় দর্শন অধ্যয়ন করতে আরম্ভ করলেন।

বৌদ্ধধর্মে, মহাযান ও হীমযান নামক যে দুই শাখা আছে তার মধ্যে মহাযানের দিকেই তিনি প্রথম থেকে আকৃষ্ট হন। ‘নির্বাণসূত্রের’ শূন্যবাদ ‘মহাযানসম্পরিগ্রহ-সূত্রে’র বিজ্ঞানবাদ তাঁর এত চিত্তাকর্ষক হল যে তিনি আহার নিদ্রা ত্যাগ করে এরই অনুশীলন করতে থাকলেন।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫)